বনদস্যুদের আত্মসমর্পণ করার আহ্বান জানিয়ে র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেছেন, সুন্দরবনে ৬টি বাহিনী সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যার মধ্যে ২টি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা বাকি ৪টি বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাবো তারাও যেন আত্মসমর্পণ করে। না হলে র্যাবের বন্দুকের গুলি থেকে কোনও বনদস্যুই বেঁচে ফিরতে পারবে না। বৃহস্পতিবার বরিশালে সুন্দরবন অঞ্চলের ২ বনদস্যু আবদুল বারেক তালুকদার ওরফে শান্ত এবং আলম সরদার ওরফে আলম বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, ‘যেসব দস্যু আত্মসমর্পণ করেছে তাদের মধ্যে কেউ যদি হত্যা বা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত না থাকে তাহলে তাদের আইনি সহায়তা করা হবে। বিগত দিনে যে ২২জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছে তাদের মধ্যে অনেকেই জামিনে রয়েছে। এছাড়া তারা যাতে সুষ্ঠ এবং সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে এর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমি অনুরোধ করছি।’ যারা আত্মসমর্পণ করেছে সরকার তাদের পুনর্বাসনের কথা চিন্তা করছে উল্লেখ করে র্যাবের প্রধান।
জঙ্গিদের উদ্দেশে বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘দুই একটা বোমা বিস্ফোরণ করে দেশের মানুষের শান্তি বিনষ্ট করতে দেবে না র্যাব। আপনারাও যদি আত্মসমর্পণ করতে চান, সুষ্ঠ জীবনযাপন করতে চান তাহলে আপনাদের জন্য আমাদের দরজা খোলা রয়েছে।’
এর আগে, সুন্দরবন অঞ্চলের ২ বনদস্যু আবদুল বারেক তালুকদার ওরফে শান্ত এবং আলম সরদার ওরফে আলম তাদের ১৪ সহযোগী ও অস্ত্র-গোলাবারুদসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে আত্মসমর্পণ করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশালে র্যাব-৮ কার্যালয়ে তারা ২০টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১ হাজার ৮ রাউন্ড অস্ত্র-গুলি জমা দেয়।
বনদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল ২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনূস, বরিশাল ৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান, র্যা বের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) আনোয়ার লতিফ খান, র্যাবের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা মুফতি মুহাম্মদ খান, বরিশাল মেট্রোপলিটন কমিশনার এসএম রুহুল আমিন, বরিশাল জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান, পুলিশ সুপার এসএম আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।
- গাজীপুরের নারী হত্যা ও লাশ গুমের মামলায় গ্রেফতার ৪
- বরিশালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ‘শান্ত’ ও ‘আলম’ বাহিনীর আত্মসমর্পণ
/এমও/








