Vision  ad on bangla Tribune

আ.লীগ নেতা ফরিদ হত্যাকাণ্ড: দুই নেতার আবারও তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি১৭:১৮, মার্চ ২১, ২০১৭

টাঙ্গাইলটাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম ফরিদ হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত দুই আওয়ামী লীগ নেতার দ্বিতীয় দফায় তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তারা হলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তাহেরুল ইসলাম ওরফে তোতা ও অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা নূরুল ইসলাম সরকার। মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল ভূঞাপুর আমলি আদালতে তাদের হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড চাওয়া হলে আদালতের বিচারক নওরিন মাহবুব তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক কুমার সিংহ জানান, গ্রেফতারকৃতরা প্রথম দফা রিমান্ডে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। সেগুলো নিয়ে তদন্ত চলছে। তথ্যগুলো যাছাই-বাছাইয়ের জন্য দ্বিতীয় দফায় সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া উপজেলার ভারই মধ্যপাড়া গ্রামের মাঈনুল হাসান ওরফে মাসুদ, শওকত হোসেন ওরফে সৈকত, অলোয়া ইউপি সদস্য মকবুল হোসেন তরফদার ও নাসিরউদ্দিন রানা ফরিদ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয়। তাদের জবানবন্দিতে তাহেরুল ইসলাম তোতা ও নুরুল ইসলামসহ এই হত্যায় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার নাম বের হয়ে আসে। গত ১৪ মার্চ মঙ্গলবার রাতে ঢাকার গুলশান থেকে তাহেরুল ইসলাম তোতা ও নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন আদালতের মাধ্যমে প্রথম দফায় তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ৬ ডিসেম্বর সকালে ভূঞাপুর উপাজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল ইসলামের গলাকাটা মরদেহ তার নিজ গ্রাম ভারই মধ্যপাড়ার একটি নির্জন পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়। আগের দিন রাত সাড়ে ৯টার পর তিনি নিখোঁজ হন। ওই দিনই রকিবুলের ভাই ফজলুল করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

গত ১৫ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে ফজলুল করিম বাদী হয়ে আরও একটি সম্পূরক মামলা দায়ের করেন। সে মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তাহেরুল ইসলাম ওরফে তোতা, অপর যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য আব্দুল হামিদ মিয়া ওরফে ভোলা, অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম সরকারসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়। আদালত থানায় ও আদালতে দায়ের করা মামলা দুটি একসঙ্গে তদন্তের আদেশ দেন।

/এআর/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ