Vision  ad on bangla Tribune

সাতক্ষীরায় পুকুর খননকালে হাতির কঙ্কাল উদ্ধার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি০৬:২০, এপ্রিল ২১, ২০১৭

সাতক্ষীরায় পুকুর খননকালে হাতির ফসিল উদ্ধার

সাতক্ষীরার দেবহাটায় একটি পুকুর খননকালে প্রাচীনকালের একটি হাতির কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শ্রমিকরা পুকুর খনন করে মাটি তোলার সময় হাতিটির কঙ্কাল উদ্ধার করেন। তবে মৃত হাতিটি কোন সময়কালের তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। একই পুকুরে ৮/১০ বছর আগে আরেকটি হাতির মাথা ও কিছু হাড়গোড় উদ্ধার হয়েছিল বলেও জানিয়েছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কোড়া গ্রামের শেখের পুকুর নামে পরিচিত ওই পুকুরটি ওই এলাকার আব্দুল মজিদ ও তার পরিজনদের মালিকানায় ছিল। পরে পুকুরটি ওই এলাকার শেখ আব্দুল হামিদ কিনে নেন। তখন থেকে পুকুরটি তারই ভোগদখল সত্ত্বে রয়েছে। কিন্তু, শুষ্ক মৌসুমে এ পুকুরে পানি থাকে না। যার কারণে পুকুরের পাশে বাসকারী এক ব্যক্তি তার ডোবা ভরাট করার জন্য আব্দুল হামিদের কাছে পুকুর থেকে মাটি কেটে নেওয়ার অনুমতি নেন। এরপর ২/৩ দিন আগে সেখানে শ্রমিকরা মাটি কাটার কাজ শুরু করে।

মাটি কাটার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার তাদের কাজ শুরুর কিছু সময় পরে তারা মাটির নিচে শক্ত বস্তুর সন্ধান পান। সে সময় তারা আতঙ্কিত গয়ে পড়েন। পরে তারা একে একে বড় একটি হাতির কঙ্কাল পান। এসময় হাতির পা, মেরুদন্ডসহ দেহের বিভিন্ন অংশের হাড় বের হয়ে আসে। শ্রমিকরা সেসময় সতর্কতা অবলম্বন করে কঙ্কালগুলো না ভেঙ্গে বের করার চেষ্টা করে। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকার নারী, পুরুষ ও শিশুরা কঙ্কালগুলো দেখতে ভিড় জমায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংবাদকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব বলেন,  এই এলাকা আগে নদী ছিল। তার ধারণা, হয়তো দুই আড়াইশত বছর আগে কোনও হাতি এখানেই ডুবে মরে যায়। তার কঙ্কালটি বালির মধ্যে থাকার কারণে এখনও অনেকটা ভালো আছে।

সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল গণি বলেন, গত ৮/১০ বছর আগে ওই একই পুকুর থেকে মাটি খননকালে হাতির মাথা ও কিছু অংশের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছিল। এগুলো সেই হাতিটিরই অবশিষ্ট দেহাংশ হতে পারে। তখন ওই হাতির দেহাংশগুলো ঢাকা থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা এসে নিয়ে যান। ৮/১০ বছর পর আবারও একই পুকুর থেকে উদ্ধার হলো হাতির ফসিল।

তিনি আরও বলেন, শুনেছি ৮/১০ বছর আগে উদ্ধার হওয়া ফসিলটি ছিলো একটি শ্বেত হস্তির। আরও শুনেছি, বর্তমানে সেই ফসিলটি ফ্রান্সের গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে।

/টিএন/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ