Vision  ad on bangla Tribune

৪ দিনের রিমান্ডে আশুলিয়ায় আটক চার জঙ্গি

সাভার প্রতিনিধি১৭:৩১, জুলাই ১৭, ২০১৭

রিমান্ডআশুলিয়ায় জঙ্গি আস্তানা থেকে গ্রেফতার চার জঙ্গির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৪-এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উনু মং।

সোমবার (১৭ জুলাই) দুপুরে গত ২৭ এপ্রিলের সাভার মডেল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় (মামলা নং-৫২) তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। ঢাকার নিম্ন আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম এই রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে বিচারক চার জঙ্গির কাছে জানতে চান, তাদের কিছু বলার আছে কিনা বা তাদের পক্ষে কোনও আইনজীবী আছেন কিনা। এর কোনও জবাব দেয়নি চার জঙ্গি।
গ্রেফতার চার জঙ্গিরা হলো ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার সাংকি ভাদা গ্রামের আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হক মাসুদ (১৮), চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানার কদলপুর মেয়াজি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ইফরানুল ইসলাম ওরফে সুফিয়ান খান, গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার উদাখালি গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে রাশেদুল নবী রাশেদ (২২) ও সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ  উপজেলার হোগলি কৃষনগর গ্রামের আব্দুল হান্নান আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (২১)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উনু মং জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই বছরের এপ্রিল মাসের ২৭ তারিখে সাভারের রাজফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মানিকগঞ্জের ঝিটকা এলাকা থেকে ছেড়ে আসা ভিলেজ পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও বিদেশি পিস্তলসহ তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। ওই ঘটনায় সাভার মডেল থানায় অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় আটককৃত চার জঙ্গিকে গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে র‌্যাব-৪ নবীনগর ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম বলেন, আটককৃত চার জঙ্গির বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।

মামলায় চার জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে (মামলা নং ৪১) ও অস্ত্র এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে (মামলা নং ৪২) দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

নবীনগর ক্যাম্পের ডিএডি শরিফুল ইসলাম খান বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় সোমাবর দুপুরে মামলা দুটি দায়ের করেন।

এছাড়াও মামলায় ২টি বিদেশি পিস্তল, ৬টি গুলির খোসা, ৪টি চাপাতি, ৪টি মোবাইল, ১টি ল্যাপটপ, ২টি বিস্ফোরিত বোমা ও ৩টি অবিস্ফোরিত বোমার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার দুপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের সময় চারজন আত্মসমর্পণ করে। পরে তাদের আটক করে র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়।

/বিএল/

লাইভ

টপ