হিলি স্থলবন্দরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পিছিয়ে রাজস্ব আয়

Send
হিলি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৭:৪০, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৪৬, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮

হিলি স্থলবন্দর (ফাইল ছবি)

২০১৭-১৮ অর্থবছরের ৭ম মাস জানুয়ারিতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর থেকে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। জানুয়ারিতে স্থলবন্দরটি থেকে ২৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৭ কোটি ৩৬লাখ ৮৫ হাজার টাকা। তবে অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৩৯ কোটি টাকার অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে হিলি স্থলবন্দর থেকে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করে এনবিআর। এর মধ্যে প্রথম মাস জুলাইয়ে ৪ কোটি ১২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, যার বিপরীতে ২৬ কোটি ২৬ লাখ ৫১ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। আগস্ট মাসের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ কোটি ১১ লাখ টাকার বিপরীতে ১২ কোটি ৭৫ লাখ ২৯ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে ৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৬ কোটি ৮৯ লাখ ২৪ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। অক্টোবর মাসে ১০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আদায় হয়েছে। নভেম্বর মাসের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৮ কোটি ১৫ লাখ টাকার বিপরীতে ১৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা আদায় হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে ১০ কোটি ১২ লাখ টাকার বিপরীতে ১৬ কোটি ৪৭ লাখ ৭৭ হাজার ৩০৫ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। আর জানুয়ারি মাসে ২৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার বিপরীতে ১৭ কোটি ৩৬ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫৭ টাকা আদায় হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, জুলাই-জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১১১ কোটি ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬২ টাকা আদায় হয়েছে। এতে ওই সাত মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৯ কোটি ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬২ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার মো. মশিয়ার রহমান মণ্ডল বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে মূলত বেশিরভাগ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, যেমন–  চাল, গম, খৈল, ভুসি, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি হয়ে থাকে। এর মধ্যে অনেক পণ্যের আমদানি পর্যায়ে কোনও প্রকার শুল্ক আরোপ নেই। আর বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া এসব পণ্য থেকেই রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে।

মো. মশিয়ার রহমান মণ্ডল জানান, বিগত মাসগুলোতে ধারাবাহিকভাবে স্থলবন্দর থেকে প্রতি মাসে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়েছে, সে ধারা অব্যাহত রয়েছে। তবে জানুয়ারি মাসে বন্দর থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব কম আদায় হয়েছে।

 

/এমএ/

লাইভ

টপ