স্কুলছাত্রী তাসফিয়া মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধু আদনানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রবিবার (০৬ মে) পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালতের বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস এ নির্দেশ দেন। নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (০৩ মে) আদনানকে একই আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। ওই দিন আদালত পুলিশের আবেদন আমলে নিয়ে রবিবার (০৬ মে) শুনানির দিন ধার্য করেন।
নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ আদনানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। আদনানের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় আদালত শুনানি শেষে তার রিমান্ড মঞ্জুর না করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন। তবে আদনানকে গাজীপুর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়কের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এই শর্তে আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।’
গত বুধবার (০২ মে) সকালে নগরীর পতেঙ্গার ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটে কর্ণফুলী নদীর তীরে লাশটি দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে লাশের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন থানায় গিয়ে মরদেহটি তাসফিয়া আমিনের বলে শনাক্ত করেন। তাসফিয়া নগরীর সানশাইন গ্রামার স্কুলেরর নবম শ্রেণির ছাত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি টেকনাফের ডেইল পাড়া এলাকায়। তাসফিয়া পরিবারের সঙ্গে নগরীর ওআরও নিজাম আবাসিক এলাকার তিন নম্বর সড়কের কে আর এস ভবনে থাকতেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (০৩ মে) দুপুরে তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন আদনানকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন, সোহেল (১৭), শওকত মিরাজ (১৭), আসিফ মিজান (১৭), ইমতিয়াজ ইকরাম (১৭), সুলতান (২৪) ও ফিরোজ (৩০)।








