৩০ নম্বর ওয়ার্ড: মাঠে নেই বিএনপি, আ. লীগ সমর্থকদের মহড়া

কামাল মৃধা, রাজশাহী থেকে
৩০ জুলাই ২০১৮, ১৩:২৭আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৮, ১৩:৩০

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে সকাল থেকে মাঠে দেখা মেলেনি বিএনপি নেতাকর্মীদের। কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের সহায়তায় বিএনপি প্রার্থীর কোনও তালিকা সরবরাহ বা বুথও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে মোড়ে-মোড়ে আওয়ামী লীগ সমর্থকদেরকে দল বেঁধে মহড়া দিতে দেখা গেছে।

 

৩০ নম্বর ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রের চিত্র সোমবার (৩০ জুলাই) ভোটের দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই দৃশ্য দেখা গেছে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদপুর এলাকার বিসিএসআইআর ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইসলামিয়া কলেজ কেন্দ্র এলাকায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিনোদপুর এলাকার বিসিএসআইআর ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে নৌকার পক্ষে ভোটারদের নম্বর সরবরাহের বুথ থাকলেও বিএনপি বা অন্য কোনও প্রার্থীর পক্ষে এ ধরনের কোনও উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মহিলা ভোটারদেরকে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। এখানেও নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের নম্বর স্লিপ সরবরাহের বুথ দেখা গেছে। পাশেই রয়েছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের বুথ। কিন্তু সেখানেও নেই বিএনপি বা অন্য কোনও মেয়র প্রার্থীর ভোটার স্লিপ সরবরাহের ব্যবস্থা। একটু এগিয়ে মণ্ডলমোড়ে অবস্থিত পুরুষ ভোটার কেন্দ্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে রয়েছে নৌকা প্রতিকের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীর ভোটার নম্বর স্লিপ সরবরাহের বুথ।

ভোট কেন্দ্রের বাইরের চিত্র পাশের মণ্ডলপাড়া মহল্লার ভোটার জামাল উদ্দিন নিজ রিকশায় নিরবে বসেছিলেন।  তার সঙ্গে ভোট নিয়ে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। জানতে চাওয়া হয় ভোট দিয়েছেন কীনা? জবাবে জামাল উদ্দিন জানান তার আতঙ্কের কথা। তিনি বলেন, ‘ভয়ে সকাল থেকে ভোট দিতে যাইনি। পরিবেশ ভালো বুঝলে দুপুরের পর ভোট দিতে যাবো।’ নিজে কোন দলের সমর্থক তা না জানালেও এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সমর্থক ভোটাররা বেশির ভাগ সকালেই বাড়ির বাইরে চলে গেছেন।’ পরিবেশ ভালো বুঝলে তারা দুপুরের পর ভোট দিতে আসতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী লিটনের দুই এজেন্ট কেন্দ্রে বিএনপির লোকজন নেই কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে পাল্টা প্রশ্ন তুলে জামাল বলেন, ‘দেখছেন না? নৌকার লোকজন কীভাবে চলছে! ভোট দিতে যেয়ে কে বিপদে পড়বে?’

কথা হয় পাশেই দায়িত্বপালনকারী বিজিবির এক সদস্যর সঙ্গে। তার দাবি— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই ভালো। এক প্রশ্নের জবাবে ওই সদস্য দাবি করেন, ‘কাউকে কেউ বাধা দিলে এবং যদি তিনি অভিযোগ করেন, তবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ যদি ভোট দিতে না আসে, তবে এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু করার থাকে না।’

 

/ইএইচএস/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
কেন অপহরণের নাটক সাজালেন শিবির নেতা জিসান, জানালেন পুলিশ সুপার
কেন অপহরণের নাটক সাজালেন শিবির নেতা জিসান, জানালেন পুলিশ সুপার
আমেরিকানদের বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না ইরানিরা: প্রধান বিচারপতি
আমেরিকানদের বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না ইরানিরা: প্রধান বিচারপতি
দীর্ঘবছর পর শাকিবের দেখা পেয়ে পূর্ণিমা, ‘ও এখন অনেক ছোট হয়ে গেছে’
দীর্ঘবছর পর শাকিবের দেখা পেয়ে পূর্ণিমা, ‘ও এখন অনেক ছোট হয়ে গেছে’
খামেনির জানাজা ও দাফন কবে জানালো ইরান
খামেনির জানাজা ও দাফন কবে জানালো ইরান
সর্বাধিক পঠিত
আইনজীবী তালিকাভুক্তির এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান, মোট উত্তীর্ণ ৯২০১
আইনজীবী তালিকাভুক্তির এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান, মোট উত্তীর্ণ ৯২০১
দিল্লিতে বিএসএফ-বিজিবি শীর্ষ বৈঠক ‘ব্যর্থ’ হলো যে কারণে
দিল্লিতে বিএসএফ-বিজিবি শীর্ষ বৈঠক ‘ব্যর্থ’ হলো যে কারণে
ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের সুরাহা চান জামায়াত আমির 
ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের সুরাহা চান জামায়াত আমির 
মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইটের আঘাত: নেপথ্যে কী
মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইটের আঘাত: নেপথ্যে কী
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সড়কের ইট তুলে নেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সড়কের ইট তুলে নেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী