আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ১৫

Send
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০২:২৯, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:৪৯, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯

নারায়ণগঞ্জনারায়ণগঞ্জের বন্দরে আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের মধ্যে বাবুল নামে গুলিবিদ্ধ একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সময় পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার চাঁনপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ বাবুল কুমিল্লার বাইতোলা গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশের একটি দল উপজেলার মদনপুরের চাঁনপুর এলাকায় আসামি ধরতে যায়। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিলুর রহমানের সমর্থক ও মামলার আসামি দিপু ও সুজনকে আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে দিপু-সুজনের সহযোগীরা টেটা, বল্লম ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ফাঁকে আসামি দিপু ও সুজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। হামলাকারীরা পুলিশের দুটি গাড়িতে ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তারা আহতদের উদ্ধার করে এবং রিফাত ও নুরনবী নামের দুই জনকে আটক করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শটগানের ১৫ রাউন্ড গুলি ছুড়ে।

সংঘর্ষে পুলিশের এসআই মোহাম্মদ আলী, কনস্টেবল দেবাশীষ, কনস্টেল মনোয়ার, মোহনসহ ১৫ জন আহত হয়। এ সময় পুলিশের ছোড়া গুলিতে আহত বাবুল (২২) নামের এক যুবককে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, বাবুল নামের একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম জানান, গত ১৮ নভেম্বর স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিলুর রহমানের সঙ্গে আমির হোসেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা হয়। ওই মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করতে গেলে আসামিপক্ষের লোকজন ও এলাকাবাসী পুলিশের ওপর হামলা চালায়।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাহরুল ইসলাম বলেন, হামলায় পুলিশের বেশ কয়েজন সদস্যসহ ১৫ জনের মতো আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৫ রাউন্ড গুলি ছুড়ে।

/টিটি/

লাইভ

টপ