ফেনীতে মনছুর আলম নামে সাজাপ্রাপ্ত এক আসামির হয়ে সাজা খাটছেন সাইফুল ইসলাম সোহেল নামে এক যুবক। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পর আদালতের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে দু’জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া ইসলাম।
ফেনী জর্জ কোর্টের পিপি হাফেজ আহাম্মদ বলেন, সোমবার সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট তানিয়া ইসলাম মনছুর ও সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা করতে আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাপ হোসেনকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে সোহেলের পক্ষে জামিন আবেদন করা আইনজীবী সাব্বির আহমদকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ কাজে ব্যর্থ হলে আইনজীবীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৯ আগস্ট মাদকদ্রব্য অধিদফতরের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক হয় মনছুরকে। একই বছরের ৩১ আগস্ট জামিনে মুক্তি নিয়ে পালিয়ে যান সে। এ মামলায় আদালত তাকে ২ বছরের কারাদণ্ডা দেন। পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে সোহল মনসুর সেজে গত বছরের ২ ডিসেম্বর আইনজীবীর মাধ্যমে ফেনীর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। ১৮ দিন সাজা খাটার পর সোহেল জানায় সে প্রক্সি সাজা খাটছে।
বিষয়টি বিশ্লেষণ করে আদালত প্রকৃত আসামি মনছুরকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ওসির প্রচেষ্টায় ২৩ ডিসেম্বর মনছুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে অন্য মামলায় কারাগারে আছেন।
ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, মনছুরের বিরুদ্ধে একটি হত্যা ও ৫টি মাদক মামলা রয়েছে।







