বিজ্ঞানে বিশেষ নজর ছিল বঙ্গবন্ধুর: এইচ টি ইমাম

Send
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২১:৪০, মার্চ ২০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪৯, মার্চ ২০, ২০১৯

বক্তব্য রাখছেন এইচ টি ইমাম (ছবি– প্রতিনিধি)

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু শৈল্পিক ও বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা-ভাবনা দিয়ে বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি শুধু বাংলাদেশের স্থপতি নন, তিনি বাংলাদেশ নির্মাণের প্রকৌশলীও।’

তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞানের দিকে বঙ্গবন্ধুর বিশেষ নজর ছিল। বিজ্ঞানের মধ্যদিয়েই তিনি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি ৭ মার্চের ভাষণে মুক্তি সংগ্রামের কথা বলেছেন। এর মাধ্যমে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অশিক্ষা-কুশিক্ষা, ধর্মান্ধতা থেকে মুক্তির কথা বলেছেন। এসবের যোগফলই সোনার বাংলা। আমরা সেই বাংলাদেশের দ্বারপ্রান্তে।’

বুধবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেন্সিং এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘বিজ্ঞান ও গবেষণার প্রতি বঙ্গবন্ধুর দরদ ছিল। তিনি পরমাণু শক্তি কমিশন, কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বিজ্ঞান একাডেমি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশনসহ নানা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭২ সালে আমরা সাড়ে সাত কোটি মানুষকে পেট ভরে খাওয়াতে পরিনি। এখন আমাদের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। আমরা সবাইকে খাবার দিয়ে সবসময় এক বছরের খাবার মজুত রাখতে পারছি। কৃষিজমি কমে গেলেও উৎপাদন বেড়েছে। বিজ্ঞানের কল্যাণে এটা সম্ভব হয়েছে। সরকার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও গবেষকদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।’

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘দ্রুত শিল্প-কারখানা গড়ে উঠার ফলে বনাঞ্চল, কৃষিজমি কমে গেছে। সরকার একশ’ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলবে। এর বাইরে শিল্প-কারখানা হবে না। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থপনায় আমরা সচেতন।’

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি’র বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. জয়শ্রী রায়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতি জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেনসিং এর পরিচালক অধ্যাপক শেখ তৌহিদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. নূরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ।

 

/এমএ/

লাইভ

টপ