নালিতাবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের গুলিতে কৃষক নিহত

Send
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯:৩২, এপ্রিল ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৪৭, এপ্রিল ২৫, ২০১৯

শেরপুর

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের পিস্তলের গুলিতে ইদ্রিস আলী (২৭) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার যোগানিয়া কুত্তামারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটকৃতরা হলেন– ইউপি চেয়ারম্যানের বড় ভাই মাসুম মিয়া (৪০), বড় বোন ময়না বেগম (৬০), ভাগিনা হারেজ আলী (৩০), রাহুল মিয়া (২৮) ও ভাতিজা উসমান আলী (৩২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থক ও যোগানিয়া ইউপির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হবির সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকছেদুর রহমান লেবুর সমর্থক একই এলাকার মোক্তার আলী ও সোহরাব আলীদের বিরোধ ছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে এর আগে হামলা ও মারধরের ঘটনাও ঘটে।

সূত্র আরও জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাতিজির জামাই মাজব আলীর বাড়ির কাছে আড়াই একর জমির ধান কাটতে যান সোহরাব আলী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ১০ জন শ্রমিক। পূর্ব-বিরোধের জেরে মাজব আলী তার লোকজন নিয়ে সোহরাব আলীর ওপর হামলা করেন ও ধান কাটতে বাধা দেন। এতে সোহরাব আলী শ্রমিকদের নিয়ে বাড়ি চলে আসেন এবং তার স্বজনদের খবর দেন।

পরে সবাই মিলে ফের ধান কাটতে গেলে সংবাদ পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান অস্ত্র ও লোকজন নিয়ে সোহরাব আলীদের ধাওয়া করেন। এসময় উভয় পক্ষে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এর একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা পিস্তল বের করে হাবিবুর রহমান গুলি করতে শুরু করেন। এতে সোহরাব আলীর চাচাতো ভাই ইদ্রিস আলী গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, ‘পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া, থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।’

 

/এমএ/

লাইভ

টপ