মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদকের একটি টিম সেখানকার বাড়িঘর পরিদর্শন করেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) হবিগঞ্জ কার্যালয়ের দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) সহকারী পরিচালক মো. এরশাদ মিয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্মিত প্রায় তিনশ বাড়ির নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম তদন্তের বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেন।
দুদক টিম ঘরের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও খুঁটির উচ্চতা মেপে দেখেন। এ সময় দুদক টিমের কাছে ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ করেন উপকারভোগীরা। এক বস্তা সিমেন্টের সঙ্গে ২০ টুকরি বালু মিশিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
দুদক হবিগঞ্জ অঞ্চলের ডেপুটি ডাইরেক্টর অজয় সাহা জানান, ‘বিষয়টি তদন্ত করছি। প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবো। তবে তদন্তাধীন বিষয়ে কোনও কিছু বলা যাবে না।’
মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, ‘কিছু জায়গায় বাড়ি ঘরের ফ্লোর দেবে গেছে। কিছু ফাটলও আছে। বিষয়টি নিয়ে দুদক তদন্ত করছে। তদন্ত করে কাজে কোনও গাফিলাতি থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।’
প্রসঙ্গত, প্রকল্পে ‘যার জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে ঘর নির্মাণ’ কাজের তত্ত্বাবধান করছেন কুলাউড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল লাইছ। অভিযোগ রয়েছে, ইউএনও মো. আবুল লাইছ পছন্দের ঠিকাদারকে বাড়িগুলো নির্মাণের দায়িত্ব দেন। বাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই সেগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী কুলাউড়া উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে গেলে উপকারভোগীরা বাড়ি নির্মাণে অনিয়মের কথা জানান।








