উপকূলে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত অতি প্রবল এ ঘূর্ণিঝড় আরও সামান্য উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ কারণে মোংলা সমুদ্র বন্দরে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে চার নম্বর সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। বুধবার (১ মে) দুপুরে এ সতর্কতা জারি করা হয়।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার (১ মে) দুপুর ১২টায় মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে এক হাজার ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর/ উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
তিনি আরও বলেন,‘ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার থেকে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। একারণে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর থেকে সর্বশেষ খবরে-ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরণের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরন না করতে বলা হয়েছে।
এদিকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার দুরুল হুদা জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবেলায় বন্দরে সব রকম প্রস্তুতি রয়েছে। এছাড়া বন্দরে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক ১৫টি জাহাজ নিরাপদে আছে। আরও তিনটি জাহাজ এ বন্দরে আসার শিডিউল রয়েছে।
মোংলা উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামান বলেন,‘ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারির ছুটি বাতিল করা হয়েছে। যে সব ব্যক্তিরা ছুটিতে আছেন তাদের বুধবার বিকেল ৫টার মধ্যে অফিসে যোগদান করতে বলা হয়েছে বলেও তিনি জানান।







