গাজীপুরে দুই উড়াল সেতুর উদ্বোধন আজ, ১১৮ রুট যানজটমুক্ত হওয়ার আশা

Send
রায়হানুল ইসলাম আকন্দ, গাজীপুর
প্রকাশিত : ০৯:৪৬, মে ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪০, মে ২৫, ২০১৯

কোনাবাড়ী উড়ালসেতুভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আজ শনিবার (২৫ মে) ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কোনাবাড়ী ফ্লাইওভার ও চন্দ্রা ফ্লাইওভার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর ফলে উত্তরবঙ্গের ২৩ জেলার ১১৮টি রুটের পরিবহন যানজটমুক্ত পরিবেশে চলাচল করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সড়ক সংযোগ প্রকল্প-১ এর অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী জিকরুল হাসান জানান, 'বর্তমানে গাজীপুরের ভোগড়া থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত সংশোধিত প্রকল্পের কাজ চলছে। এ প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু ইতোমধ্যে ৫৬ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষের আগেই এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।'কোনাবাড়ী উড়ালসেতু

ফোরলেন বিশিষ্ট ৪০টি স্প্যানের কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ১৬৪৫ মিটার ও প্রস্থ ১৮.২০ মিটার। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২১০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। অন্যদিকে সাতটি স্প্যানের কালিয়াকৈরের চন্দ্রায় নির্মিত ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ২৮৮ মিটার এবং প্রস্থ ১৮.২০ মিটার। টাঙ্গাইল সড়কের কড্ডায় দুই লেন সেতুর পাশে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭০ মিটার ও প্রস্থ ১৪.৭১৫ মিটার। মহাসড়কের গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় বিদ্যমান দুই লেন সেতুর পাশে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ১২১ মিটার ও প্রস্থ ১৪.৭১৫ মিটার। অপরদিকে কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় অ্যাপ্রোচ সড়কসহ আন্ডারপাসটির দৈর্ঘ্য ৪২০ মিটার। এছাড়া মির্জাপুর থানার দেওহাটা বাজার ও নতুন বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলার টাঙ্গাইল বাইপাস এলাকায় আন্ডারপাস যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

প্রকল্পের আওতায় ৭০ কিলোমিটার সড়ক ফোর লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে। এ অংশটুকুর মধ্যে রয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোগরা বাইপাস মোড় থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত। পাশাপাশি সড়কের দুই পাশে ধীর গতির যান চলাচলের জন্য পৃথক লেন তৈরির কাজও চলছে। প্রকল্পের অধীন ১১টি ফ্লাইওভার, ১৩টি আন্ডারপাস, ২৬টি ব্রিজ ও ৭৪টি কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে।

গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুলতান আহমাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কোনাবাড়ী ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে উত্তরাঞ্চলে চলাচলকারী যাত্রীরা আগের চেয়ে কম সময়ে বাড়িতে পৌঁছাতে পারবেন। এই সড়কে চলাচলকারী চালকরা যানজটের কারণে যেসব বিড়ম্বনায় পড়তেন তা লাঘব হবে। এই ফ্লাইওভার উন্মুক্ত করে দেওয়ায় পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। ফ্লাইওভারের যেটুকু কাজ বাকি আছে তার কারণে আপাতত বড় ধরনের কোনও সমস্যা হবে না বলে আশা করছি।’

 

/এফএস/

লাইভ

টপ