মাদ্রাসাছাত্র মারুফ হত্যা মামলায় ১০ আসামি খালাস

Send
খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৬:৪৪, মে ২৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫২, মে ২৭, ২০১৯

আদালত

যশোরের মাদ্রাসাছাত্র মো. মারুফ হোসেন (১৩) হত্যা মামলার ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রবিবার (২৬ মে) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় দেন।

নিহত মাদ্রাসাছাত্র মারুফ যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার স্বর্পরাজপুর গ্রামের মো. মহিদুল ইসলামের ছেলে।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, যশোরের চৌগাছা উপজেলার স্বর্পরাজপুর গ্রামের মৃত আজেহার আলি মণ্ডলের দুই ছেলে মো. হযরত আলি মণ্ডল ও মো. সুলাইমান মণ্ডল, হযরত আলি মণ্ডলের দুই ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন ও মো. টুটুল মণ্ডল, মো. গহরের ছেলে মো. আবুল বাশার, মো. নূর ইসলামের ছেলে মো. বাবু, মো. ইশারত মণ্ডলের ছেলে মো. ইকরামুল হোসেন, মো. মিজানুর রহমানের ছেলে আজাহারুল ইসলাম ওরফে বুড়ো, কালু বিশ্বাসের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার রঘুনাথপুর গ্রামের শমসের মণ্ডলের ছেলে খলিল মণ্ডল।

রায় ঘোষণাকালে ৭ আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। বাকি ৩ আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বাদী নিহত মারুফের মা আবেরুন নেছা বলেন, ‘ন্যায়বিচার পাইনি। আসামি আযাহারুল ইসলাম ওরফ বুড়া আদালত ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে এ হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে এবং অন্য জড়িতদের নাম প্রকাশ করে। এ ছাড়া, লাশ টুকরা করার বিবরণও আদালতে দেয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ আদালতে আপিল  করবো।’

আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী ফকির মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, ২০১৬ সালর ১০ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্বর্পরাজপুর যাওয়ার কথা বলে মারুফ হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সারাদিন খোঁজ করেও তার কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যার পর লোকমুখে জানা যায়, মির্জাপুর গ্রামের হাসেম আলির খেজুর বাগানে মাথাবিহীন হাত-পা কাটা মারুফের লাশ পড়ে আছে। এ ঘটনায় নিহত মারুফের মা মোছা. আবেরুন নেছা বাদী হয় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, পরের বছরের ৮ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যশোর সিআইডির এসআই মো. তৌহিদুল ইসলাম এজহারভুক্ত ৭ আসামির সঙ্গে আরও ৩ জনকে সংযুক্ত করে ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি শেখ এনামুল হক ও এপিপি শাকরিন সুলতানা।

/এমএ/

লাইভ

টপ