সিরাজগঞ্জের দুই মহাসড়কে প্রতিদিন যানজটে ভোগান্তি

Send
আমিনুল ইসলাম খান রানা, সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত : ১৯:১৭, জুন ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:২৯, জুন ১২, ২০১৯

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানজটবঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জের ঢাকা-রাজশাহী ও বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে ঈদের পর প্রতিদিনই যানজট হচ্ছে। দুই মহাসড়কে যানজটের কারণে বিপাকে পড়ছেন ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রীরা।

সিরাজগঞ্জ থেকে রংপুর ও সৈয়দপুর রুটে চলাচলকারী জেনিন বাস সার্ভিসের চালক আলম হোসেন ও সুপারভাইজার রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল সোয়া ৮টায় সিরাজগঞ্জ এম.এ.মতিন বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে বগুড়া পৌঁছাতেই দুপুর ১টা গড়িয়ে যায়। জেলার চান্দাইকোনা থেকে বগুড়ার শেরপুর পর্যন্ত টানা ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় আটকে ছিলাম। রংপুর পৌঁছার পর না খেয়েই সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করি। রাতে ফেরার পথে রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা জোড়া ব্রিজ এলাকায় থেমে-থেমে যানজটের কারণে অতিরিক্ত দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় বেশি ব্যয় হয়েছে।’

সিরাজগঞ্জ থেকে সৈয়দপুরগামী সোনার মদিনা বাস সার্ভিসের সুপারভাইজার নুরুল ইসলামও একই অভিযোগ করেন।

মঙ্গলবার (১১ জুন) রাতে সরেজমিনে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা, ঘুড়কা ও হাটিকুমরুল মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, যানজটের দৃশ্য। খবর পেয়ে সন্ধ্যার পর ছুটে আসেন বগুড়া হাইওয়ে থানার পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ। তিনি হাটিকমুরুল হাইওয়ে থানা পুলিশ সদস্যদের নিয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কের যানজট নিরসনে কাজ করেন।

পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ বলেন, ‘একদিকে যানবাহনের সংখ্যা বেশি, অন্যদিকে তাড়াহুড়া করে চালকরা ট্রাফিক আইন অমান্য করে যে যার মতো আগে যাওয়ার পাল্লা দেওয়ায় এ ধরনের সমস্যা হচ্ছে।’

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, ‘বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে রায়গঞ্জের জোড়া ব্রিজের দক্ষিণ প্রান্তের ডান দিকের লেনে একটি তেলবাহী ট্যাংকলরি হঠাৎ বিকল হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরে সেটি সরিয়ে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ঈদের পর এ জেলার দুটি মহাসড়ক দিয়ে এত যানবাহন চলছে, আমরা দিনরাত পরিশ্রম করেও কুলিয়ে উঠতে পারছি না। ঢাকাগামী যানবাহনের চালকদের পাল্লাপাল্লির কারণে মঙ্গলবার জ্যাম থাকলেও বুধবার (১২ জুন) সকাল থেকে অবস্থা অনেকটা ভালো ছিল। সোমবার ও মঙ্গলবার জেলার মহাসড়ক দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার যানবাহন যাতায়াত করেছে।’

সেতু পশ্চিম থানার ওসি সৈয়দ শহিদ আলম বলেন, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ছুটি নিয়ে আমি কর্মস্থল ত্যাগ করলেও বাকিরা মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর দুয়েকজনকে মোবাইলে না পেয়ে সতর্কও করেছেন।’

 

 

 

/এনআই/

লাইভ

টপ