পার্লামেন্টে কথা বলার ক্ষুদ্র সুযোগটুকু কাজে লাগাতে চাচ্ছি: মির্জা ফখরুল

Send
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০:৪৮, জুন ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৫৬, জুন ১৮, ২০১৯

ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরবিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এবারের সংসদ জনগণের নির্বাচিত নয়, জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। এর প্রতিবাদ করতে ও দলকে সুসংগঠিত করতে দলের নির্দেশেই মহাসচিব হিসেবে আমি অবৈধ সংসদে অংশগ্রহণ করিনি। তবে এ অবস্থায়ও আমাদের সংসদ সদস্যরা কেন সংসদে গেলেন সে ব্যাপারে আমরা জনসাধারণকে জবাবদিহি করতে বাধ্য। আর সেটা হলো এ দেশে কোনও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। আমরা একটা জনসভা করতে পারি না। আমরা গণতান্ত্রিক উপায়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের একটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারি না। তাই পার্লামেন্টে ক্ষুদ্র যে সুযোগটুকু আছে কথা বলার, সেটাই আমরা কাজে লাগাতে চাচ্ছি।’

আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় শহরের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে সদর উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এক কর্মীসভায় এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আনোয়ার হোসেন লালের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাড. আব্দুল হালিমসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের মানুষ যখন দেখছে রাষ্ট্রই সবচাইতে বড় অন্যায়টা করছে, ভোট ডাকাতি করছে, মানুষকে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দিচ্ছে না তখন মানুষ রাষ্ট্রের ওপর থেকে সব ধরনের আস্থা হারিয়ে ফেলছে। দেশের মানুষ বিচার ব্যবস্থার ওপরও আস্থা হারিয়ে ফেলছে। জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রের যে চুক্তি, যাকে সোশ্যাল কনট্রাক্ট বলা হয়, তা অনেক বড় ব্যাপার। এখান থেকেই সংবিধান তৈরি হয়, সংবিধানের আইনগুলো তৈরি হয় জনকল্যাণের জন্য। সেখানে একটা বিরাট ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে যা অপূরণীয়। সংবিধানে স্পষ্ট করে লেখা আছে রাষ্ট্রের মালিক হচ্ছেন জনগণ। কিন্তু এখন যে পার্লামেন্ট চলছে তা জনগণের ভোটে নির্বাচিত পার্লামেন্ট নয়। তাই এখন যে সরকার সে সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দ্রুত জনগণকে সম্পৃক্ত করে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।’

 

/এফএস/

লাইভ

টপ