বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের পাশে জাতিসংঘ

Send
টেকনাফ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১০:৪৯, জুলাই ১৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯, জুলাই ১৬, ২০১৯

 

টানা বৃষ্টি ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের সহায়তা দিচ্ছে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো। শরণার্থীদের সাময়িক স্থানান্তর, আবাসন মেরামত এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যকর করতে জাতিসংঘ অবিরাম কাজ করে চলেছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম- এর ন্যাশনাল কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদের এক পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪ থেকে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে কক্সবাজারে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪০ মিলিমিটার। এই বৃষ্টিপাতে ভূমিধসে শত-শত স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত এবং বিনষ্ট হওয়ায় হাজার-হাজার শরণার্থী সাময়িকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ কারণে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই-কমিশন (ইউএনএইচসিআর) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করা; জরুরি খাদ্য সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত আবাসন, রাস্তা ও বাঁধ মেরামত ও পুনঃস্থাপনের জন্য তাদের কর্মী, অংশীদার এবং শরণার্থী স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়োজিত করেছে।

আইওএম-বাংলাদেশের ডেপুটি হেড অব মিশন, ম্যানুয়েল মার্কেজ পেরেইরা বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা ২০১৯ সালের বর্ষা মৌসুমের মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছি। এ বছরের প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবিলায় যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে তা আগের বছরের থেকে বেশি। এ বছরের প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ পূরণ হয়েছে। ফলে, রোহিঙ্গাদের ত্রাণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও দৃঢ় আর্থিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন।’

ইউএনএইচসিআর’র হেড অব অপারেশন অ্যান্ড সাব অফিস ইন কক্সবাজার, মারিন ডিন কাজদোমকাজ বলেন, ‘২০১৮ সালে জরুরি ত্রাণ ব্যবস্থাপনার ভিত্তি ও অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এখন আমাদের লক্ষ্য প্রশিক্ষিত শরণার্থী স্বেচ্ছাসেবকদের নিজস্ব দক্ষতা, আত্ম-নির্ভরশীলতা, সচেতনতা বৃদ্ধির সক্ষমতাকে কেন্দ্রে রেখে তাদের প্রথম সংবেদনে নিয়োজিত হতে সহায়তা করা।’

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের প্রতিনিধি, রিচার্ড রেগান বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে ভূমি ধসের ফলে স্লোপ মেরামত কাজে প্রকৌশলীদের টিম বেশি ব্যস্ত। বৃষ্টির ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ১৮ মাস ধরে তারা কাজ করে যাচ্ছে।’

/এআর/

লাইভ

টপ