কুমিল্লা বোর্ডে শতভাগ পাস ৩১টি কলেজে, ফেল ৩টিতে

Send
কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৩:৩৫, জুলাই ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:৪৫, জুলাই ১৮, ২০১৯

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩৮১টি কলেজ এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এই কলেজগুলোর মধ্যে ৩১টি কলেজ শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে। এর মধ্যে ২০টি কলেজ কুমিল্লা জেলায়। আর বাকি ১১টির মধ্যে চাঁদপুর জেলায় ৫টি, নোয়াখালী জেলায় ২টি, লক্ষ্মীপুর জেলায় ২টি এবং ফেনী জেলার ২টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে। অন্যদিকে শতভাগ ফেল করেছে ৩টি কলেজে।

শতভাগ পাস করা কলেজগুলো হলো, জুরানপুর আদর্শ কলেজ দাউদকান্দি, কুমিল্লা, সোনারবাংলা কলেজ বুড়িচং কুমিল্লা, পারুয়ারা আবদুল মতিন খসরু কলেজ বুড়িচং, কুমিল্লা, মোশাররফ হোসেন খান কলেজ, চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ ব্রাহ্মপাড়া, কুমিল্লা, মহিলা কলেজ চাটখিল নোয়াখালী, আশিকআলী খাঁন কলেজ কচুয়া চাঁদপুর, আগানগর আদর্শ কলেজ বরুড়া কুমিল্লা, আবদুল ওয়াব কলেজ চাটখিল, নোয়াখালী, ডা. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ কচুয়া, চাঁদপুর, মোজাফ্ফরগঞ্জ এ এন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ লাকসাম, কুমিল্লা, ছোট তুলাগাঁও মহিলা কলেজ বরুড়া, কুমিল্লা, এম এ খালেক মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কচুয়া, চাঁদপুর, বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা, ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমিক রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, আবদুল মতিন মহিলা কলেজ ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা, গোপালনগর আদর্ম কলেজ ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা, আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম কলেজ পশুরাম ফেনী, ডা. জোবাইদা হান্নান হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা, গঙ্গামন্ড সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজ দেবিদ্বার কুমিল্লা, ফেনী গালর্স ক্যাডেট কলেজ ফেনী, কার্টার একাডেমী মতলব দক্ষিণ চাঁদপুর, বেগম রাবেয়া গালর্স কলেজ দাউদকান্দি কুমিল্লা, কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ কুমিল্লা, এলাহাবাদ কলেজ দেবিদ্বার কুমিল্লা, জীবগঞ্জ জেনারেল হক হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মতলব উত্তর চাঁদপুর, ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ গালর্স কলেজ তিতাস কুমিল্লা, চৌদ্দগ্রাম মডেল কলেজ চৌদ্দগ্রাম কলেজ, ধর্মপুর নাজিম আলী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ চৌদ্দগ্রাম কুমিল্লা, পিন্সিপাল আবদুল মজিদ দেওয়ান কলেজ ব্রাহ্মণপাড়া কুমিল্লা, সিসিএন মডেল কলেজ সদর দক্ষিণ কুমিল্লা এবং ক্যামরিজ সিটি কলেজ লক্ষ্মীপুর সদর লক্ষ্মীপুর। 

এদিকে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলো এসসিএস বিপি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ দাউদকান্দি কুমিল্লা, হাজারী হাট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ নোয়াখালী এবং তামারাতি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে হাতিয়া নোয়াখালী।

এদিকে গত পাঁচ বছরের তুলনায় এবার পাশের হার ও জিপিএ-৫ বেড়েছে। সেই সঙ্গে ইংরেজি বিষয়সহ গত কয়েক বছরে যে সব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা খারাপ করেছে সে সব বিষয়ে এবার সাফল্য এসেছে। তবুও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ফেল করেছে ২১ হাজার ০২জন শিক্ষার্থী।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর পাশের হার ও জিপিএ-৫ বেড়েছে। গত বছর কুমিল্লা বোর্ডে ইংরেজি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ফেল করেছে। পরবর্তীতে বোর্ডের ৬টি জেলার প্রত্যেকটি কলেজের ইংরেজি শিক্ষকদের নিয়ে আমরা বসেছিলাম। যে বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা ফেল করেছে সে বিষয়গুলো  নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করেছি। 

তিনি আরও বলেন, বোর্ড কর্তৃপক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মনিটরিংসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় গত বছরের তুলনায়  ফলাফল ভালো হয়েছে। তবে খারাপ ফলাফল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে ভালো ফলাফলের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

 

/জেবি/

লাইভ

টপ