যমুনায় পানি কমলেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

Send
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৯:৩৯, জুলাই ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫২, জুলাই ২১, ২০১৯

সিরাজগঞ্জের শহররক্ষা বাঁধসিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি কিছুটা কমলেও জেলার সাবিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত।  সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনার পানি ৯ সেন্টিমিটার কমে শনিবার বিকালে বিপদ সীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীতে পানির চাপ থাকায় পাউবোর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বেশ কিছু অংশে পানি চুঁইয়ে পড়ার মাত্রা বেড়েছে। এ কারণে শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে কাজিপুরের ঢেকুরিয়া গ্রামে পাউবোর বাঁধে আকস্মিক ফাটল দেখা দেয়। খবর পেয়ে পাউবো সেখানে বস্তা ফেলে সুরক্ষার চেষ্টা করছে।

পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রনজিৎ কুমার সরকার বলেন, স্থানীয় লোকজন বাঁধের ওপর ঘরবাড়ি বানায় এবং  গবাদিপশু রাখে। এছাড়া গবাদি পশুর জন্য খড়ের পালা সাজিয়ে রাখে বাঁধের ওপর। এজন্য বাঁধের ওপর তারা খোঁড়াখুঁড়ি করে। যে কারণে ইদুঁর গর্ত করে।  যমুনায় পানি বাড়তে সেই গর্ত দিয়ে এসে ফাটল সৃষ্টি করে। এতেও বাঁধ ক্ষতির মধ্যে পড়ে।

সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত স্থান মেরামতের কাজ চলছেনির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, গত দু’দিন থকে উজানে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পানি কমতে শুরু করেছে। যে হারে বেড়েছে, ঠিক সে হারে কমছে না। তবে, আগামী মাসে দ্বিতীয় দফা বন্যার সুযোগ রয়েছে।

এদিকে, সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ ‘হার্ড-পয়েন্ট’র টিহেড অংশে ঢালের দু’টি ব্লক সরে গিয়ে কিছু অংশ বৃহস্পতিরার রাতে দেবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থান মেরামত ও সুরক্ষার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন সূত্রে জানা গেছে,  জেলার পাঁচ  উপজেলার ৩৮ ইউনিয়নের ৬৫ হাজার ৭৬৫ পরিবারের দু’লাখ মানুষ  বন্যা কবলিত।

এরই মধ্যে, বন্যা কবলিত মানুষদের মাঝে সরকারি বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে।জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার (২০ জুলাই) কাজিপুরের মাইঝবাড়ীর ঢেকুরিয়ায় শহীদ মুনসুর আলী ইকোপাকের অস্থায়ী আশ্রায়কেন্দ্রে ১৩০০ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

 

/এসটি/

লাইভ

টপ