ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১১ জন নিহত ও ৪৮ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। শুক্রবার ( ২ আগস্ট) সকাল ৯টায় ঢাকা-ঠাকুরগাঁও রোডের বলাকা উদ্যান সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মী মিজান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান তারা।
নিহতরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাংরোলা জিয়াবাড়ী গ্রামের আলী মৌতরের ছেলে মোস্তফা (৪২), মোস্তফা’র স্ত্রী মনসুরা (৩৫), সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের শুকিয়া মোহাম্মদের ছেলে আব্দুল মজিদ (৬২)। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রসুলপুর গ্রামের গলিয়া রাম রায়ের স্ত্রী মঙ্গলী রাণী (৬৬), একই গ্রামের মনেস্বর রায়ের স্ত্রী জবা রাণী রায় (৩৫), ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আব্দুর রহমান তরুণ (৪০), একই উপজেলার লাহিড়ী হাটের অনীল সাহার স্ত্রী সরস্বতি সাহা (৫০), সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর দেবাডাঙ্গী গ্রামের তরণী চন্দ্র বর্মনের ছেলে ক্ষিতিশ চন্দ্র বর্মন (৩৬), বালিয়াডাঙ্গীর মধ্য বালিয়াডাঙ্গী মিস্ত্রিপাড়ার দবির উদ্দিনের স্ত্রী আনোয়ারা (৫২) , একই উপজেলার ধুকুরঝাড়ি গ্রামের মৃত আবু সাইদের স্ত্রী কামরুন্নেসা (৪৫), হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুর রউফ (২০)। শুক্রবার রাতে দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তিনি মারা যান বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি মোসাব্বেরুল হক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে আসা ডিপজল এক্সপ্রেসের একটি বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গেটলক মিনিবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় দুই বাসের মধ্যখানে পড়ে যায় একটি মোটরসাইকেল ও একটি যাত্রীবাহী থ্রি হুইলার। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ছয় জন মারা যান বলে নিশ্চিত করেছেন উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। আহতদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা গেছেন আরও দুজন। আহতের সংখ্যা অন্তত ৫০ জন বলে জানান হাসপাতালের কর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।








