রাজবাড়ীতে এ পর্যন্ত ৪১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জেলায় ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য মাত্র ১২০টি কিট দেওয়া হয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় একেবারেই কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শনিবার (৩ আগস্ট) হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বর্তমানে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ১১ জন, বালিয়াকান্দিতে দুজন, গোয়ালন্দে একজন ও পাংশায় একজন চিকিৎসাধীন আছেন।
সরেজমিন রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে দেখা যায়, এখানে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটি কর্নার করা হয়েছে। রোগীদের মধ্যে একজন রাজবাড়ী থেকেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তার নাম রফিক মণ্ডল (৩০)। তিনি সদর উপজেলার শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের ধুলদীজয়পুর গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় ব্যবসায়ী।
রফিকের বোন রেজিয়া বেগম জানান, রফিক প্লাস্টিকের বিভিন্ন মালামাল ফেরি করে বিক্রি করেন। তিনি কখনও ঢাকায় যাননি। চার দিন আগে তিনি জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। দু’দিন যাবৎ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বালিয়াকান্দি উপজেলার বাসিন্দা শাহিন মিয়া (১৯) বলেন, ‘কোচিংয়ের জন্য ঢাকার মৌচাক এলাকায় ছিলাম। সেখান থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছি। ছয় দিন আগে বাড়িতে এসেছি। পরীক্ষা করে ডেঙ্গুর জীবাণু ধরা পড়ায় চার দিন ধরে চিকিৎসাধীন আছি।’
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন মাহজুফুর রহমান জানান, স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে তার জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। তবে রাজবাড়ীতে যে পরিমাণ কিট দেওয়া হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই কম। আরও কিট প্রয়োজন।







