শেরপুরের হাটে মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি

শেরপুর প্রতিনিধি
১১ আগস্ট ২০১৯, ০৯:৫৯আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৯, ১৫:৪২

শেরপুরে গরুর হাট ঈদের বাকি মাত্র একদিন। এরই মধ্যে জমে উঠেছে শেরপুরের গরু-মহিষের হাটগুলো। শনিবার (১০ আগস্ট) সকাল থেকেই শেরপুরের কোরবানির পশুর হাটগুলোয় ছিল ক্রেতা-বিক্রেতার উপচে পড়া ভিড়।  চলছে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে দর কষাকষি। শহরের সর্ববৃহৎ গরুর হাট নৌহাটা ও কুসুমহাটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দেশীয় জাতের পর্যাপ্ত গরু রয়েছে হাটে। উঠেছে মহিষও। অনেক ক্রেতার মতে, দাম সহনীয়। অনেকে বলছেন, পশুর দাম বেশ চড়া। তবে কাঙ্ক্ষিত লাভ করতে না পেরে কিছুটা অসন্তুষ্ট বিক্রেতারা।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লাল রঙের গরুর প্রতি সবার আলাদা ঝোঁক রয়েছে। আবার শেরপুরের পাহাড়ি জনপদের খামারিদের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। শেষ সময়ে সবার নজর পাহাড়ি লাল গরুর দিকেই। বিক্রেতারা বলছেন, পাহাড়ি খামারে গরু মোটাজাতকরণের জন্য কোনও ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি। ঘাস খেয়েই গরুগুলো বেড়ে ওঠে। তাই এসব গুরুর দিকে সবার নজর।

ময়মনসিংহ থেকে ১০টি গরু নিয়ে এসেছেন গরুর ব্যাপারী জবেদ মোল্লা। তিনি বলেন, ৯ লাখ টাকা দিয়ে তিনি ১০টি গরু কিনেছেন। দাম ১২ লাখ টাকা উঠলে ছেড়ে দেবেন।

শ্রীবরদী এলাকার গরুর পাইকার আব্বাস আলী জানান, ক্রেতা থাকলেও দরদাম করে সময় কাটাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি।

শেখ জলিল নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘গরুর হাটের হাবভাব দেখতে এসেছি। ঈদের আগের দিন আরেকটি হাট পাবো, সেদিন কিনবো।’

গরু কিনতে আসা শহরের খরমপুরের বাসিন্দা সেকান্দর মিয়া জানান, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম বেশ সহনীয়। তবে গরুর আকার ও রঙ ভেদে দামের তারতম্য হচ্ছে।

আখের মামুদ বাজারের বাসিন্দা আকিব বলেন, ‘হাটে প্রচুর গরু, কিন্তু বিক্রেতারা দাম কমাচ্ছেন না। তারা বেশি দাম পাওয়ার জন্য রবিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। এজন্য ক্রেতারা এক হাট থেকে আরেক হাট ঘুরছেন।’

তবে অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন, এবার গরুর দাম গত বছরের চেয়ে একটু বেশি। বেশিরভাগ ক্রেতা ৩৫ থেকে ৬০ হাজার টাকায় গরু কিনতে চান। কিন্তু সেই তুলনায় দাম একটু বেশি।

শ্রীবরদী থেকে গরু কিনতে আসা শামসুল জোয়াদ্দার বলেন,দরদাম করে ৮৫ হাজার টাকায় গরু কিনেছেন। তবে দাম খুব চড়া।

গরুর দামের বিষয়ে ঝিনাইগাতি থেকে আসা গরু বিক্রেতা আবুল হাশেম বলেন, ‘কেজি  দরে মাংসের হিসাবে কোরবানির পশু বিক্রি করা যায় না। তাছাড়া গরুর দাম এত বেশি না। একেকটা গরুর পেছনে আমাদের অনেক খরচ। তবে হাটে বড় গরুর তুলনায় ছোট গরুর দাম বেশি।’

নৌহাটা পৌর গরুর হাটের ইজারাদার আব্দুল্লাহ বারী বলেন, ‘আমাদের হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত টহল রয়েছে। জাল টাকা শনাক্তের জন্য মেশিন এবং ব্যাংকিং কার্যক্রম রয়েছে। এছাড়াও রাজধানী থেকে আসা ক্রেতাদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।’

 

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
আর্জেন্টিনাকে স্তব্ধ করে বড় অঘটন চায় কেপ ভার্দে
আর্জেন্টিনাকে স্তব্ধ করে বড় অঘটন চায় কেপ ভার্দে
জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে ব্যক্তির মৃত্যু
জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে ব্যক্তির মৃত্যু
ব্রাজিলের পর ফ্রান্সের প্রশংসা করলেন আর্জেন্টিনা কোচ
ব্রাজিলের পর ফ্রান্সের প্রশংসা করলেন আর্জেন্টিনা কোচ
ঋণের কিস্তির চাপ সইতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
ঋণের কিস্তির চাপ সইতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
সর্বাধিক পঠিত
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ 
৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ 
অবশেষে খুলছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর 
অবশেষে খুলছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর 
আমেরিকার জনপ্রিয় ‘টুডে শো’ মাতালেন সানজয় ও নোরা ফাতেহি
আমেরিকার জনপ্রিয় ‘টুডে শো’ মাতালেন সানজয় ও নোরা ফাতেহি