সুন্দরবনের অভয়াশ্রমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের অভিযোগ

Send
বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১২:৫৮, আগস্ট ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:০৯, আগস্ট ২১, ২০১৯

বাগেরহাট

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের মৎস্য প্রজনন জোনের অভয়াশ্রমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে। এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি চরপাটা (চরঘেরা), ভাসনা, খরচি, নেট সাবার ও খুটা জাল পেতে মৎস্য প্রজনন এলাকার ছোট বড় মাছ ধংস ধরছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শরণখোলা রেঞ্জের নদীসহ ছোট-বড় খালগুলোতে দুই মাসের জন্য মাছ শিকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ নিষেধজ্ঞা অমান্য করে অসাধু ব্যবসায়ীরা বনবিভাগের কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ম্যানেজ করে মাছ শিকার করছে। তবে শরণখোলা রেঞ্জের এক কর্মকর্তা এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

মৎস্য অভয়াশ্রম খ্যাত এলাকাগুলো হলো কটকা ও তার আওতাধীন ছোট-বড় খাল, কচিখালী এবং এর আশেপাশের খাল শেলা, কোকিলমনি, টিয়ারচর, ছাপড়াখালী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শরণখোলা উপজেলার চালিতাবুনিয়া, গাবতলা, তাফালবাড়ি ও রাজাপুর এলাকার কয়েকজন চিহিৃত মৎস্য ব্যবসায়ী ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ ধরছে। পাথরঘাটা উপজেলার কিছু ব্যবসায়ীও এই কাজে লিপ্ত রয়েছে।

তারা আরও জানান, চান্দেশ্বর টহলফাঁড়ির অভয়াশ্রম ও সুপতি এলাকা থেকেও মাছ ধরা হয়। এর জন্য ব্যবসায়ীদের সংশ্লিষ্ট স্টেশন ও টহলফাঁড়িকে এক সিজনের জন্য জাল প্রতি ১৫ হাজার টাকা করে দিতে হয়। এছাড়াও গোনে জাল প্রতি ৫ হাজার টাকা, ৫টি ইলিশ অথবা অন্যান্য মাছ। কঁচিখালী অফিস সংলগ্ন খাল কটকা ও বন্ধুর খালসহ বিভিন্ন খাল ও শেলা এলাকায় ২৫ থেকে ৩০টি খুটা জাল পাতা হয়। তাদেরও একই রেটে টাকা দিতে হয়।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, শরণখোলা রেঞ্জ এলাকার অভয়াশ্রমে কেউ মাছ শিকার করে না।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মাহামুদুল ইসলাম জানান, সুন্দরবনের অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ। যদি কেউ ধরে, তাহলে তদন্ত করে যারা যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

/জেবি/

লাইভ

টপ