প্রতিহত করার হুমকির মধ্যেই ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা ইজতেমা শুরু

Send
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১১:১০, আগস্ট ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৯, আগস্ট ২২, ২০১৯

ঠাকুরগাঁওপ্রতিপক্ষ গ্রুপের প্রতিহত করার হুমকির মুখে তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে শুরু হয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা ইজতেমা। ফজরের নামাজের পর রাণীশংকৈল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতেই আনুমানিক ২৫ হাজার মানুষ ইজতেমায় অংশ নিতে সমবেত হয়েছেন। অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

এই জেলা ইজতেমার আয়োজন করেছেন দিল্লির মাওলানা সা’দপন্থী তাবলীগ জামাতের লোকজন। আর যে কোনও মূল্যে এটি প্রতিহত করার হুমকি দিয়েছেন প্রতিপক্ষ মাওলানা জুবায়েদপন্থীরা। তবে ইজতেমা প্রতিহত করার ঘোষণা বেআইনি উল্লেখ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির যে কোনও তৎপড়তা শক্তহাতে প্রতিহত করতে পুলিশ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মোহা. মনিরুজ্জামান।  আজ ২২ আগস্ট থেকে আগামী ২৪ আগস্ট শনিবার পর্যন্ত ইজতেমা চলবে।ইজতেমা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

গত মঙ্গলবার ইজতেমা স্থান রাণীশংকৈল শিবদিঘী মোড়ে মাওলানা সা’দপন্থীদের জেলা ইজতেমা ঠেকাতে মাওলানা জুবায়েরপন্থীরা ঠাকুরগাঁও জেলা ওলামায়ে কেরাম, তাবলীগের সাথী ও সর্বস্তরের তাওহিদির ব্যানারে মানববন্ধন করেন। ‘প্রয়োজনে মাথার পাগড়ি কোমরে বেঁধে ইজতেমা প্রতিহত করার’ ঘোষণা দেওয়া হয় মানববন্ধনে। এরপরই ইজতেমা নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। বক্তারা ইজতেমা শুরুর দিন (২২ আগস্ট) একই স্থান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন।প্রেস ব্রিফিংয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার

ইজতেমা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বুধবার বিকালে থানা চত্বরে প্রেস ব্রিফিং করেন ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘জেলা ইজতেমা সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে।  গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে চেক পোস্ট বসানো হবে। ছাত্রাবাস ও মেসগুলো তল্লাশি করা হবে। যেখানে যতটুকু বল প্রয়োগ করা দরকার সেখানে ততটুকু বল প্রয়োগ করা হবে।’ কোনও হামলার চেষ্টা হলে প্রথমে লাঠিচার্জ, এরপর গ্যাস গান, শটগান, এরপরেও নিজেরা অথবা অন্যরা আক্রান্ত হলে ফায়ার করার নির্দেশনা দেন এসপি।

রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক মোবারক হোসেন জানান, ইজতেমার স্থানে লোকজন জমায়েত হতে শুরু করেছে। বুধবার রাতেই আনুমানিক ২৫ হাজার লোক ইজতেমা ময়দানে সমবেত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আরও লোকজন আসছে। এ পর্যন্ত জুবায়েরপন্থীদের কোনও তৎপরতা চোখে পড়েনি।

 

/এফএস/

লাইভ

টপ