খুলনায় ১২ ভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া অকেজো

Send
মো. হেদায়েৎ হোসেন, খুলনা
প্রকাশিত : ১৩:৩৩, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৫২, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯





খুলনাখুলনার শতভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস নেওয়ার জন্য মাল্টিমিডিয়া কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া অকেজো হয়ে পড়েছে। এছাড়া শিক্ষক সংকট ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা নানা কাজে ব্যস্ত থাকায় শিক্ষার্থীরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। খুলনা প্রাইমারি শিক্ষা অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএসএম সিরাজুদ্দোহা বলেন, ‘এ বছরই জেলার শতভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস কার্যকর করা হচ্ছে। এ জন্য সব কাজ যথাযথভাবে এগিয়ে চলছে।’
খুলনা প্রাইমারি শিক্ষা অফিস জানায়, খুলনায় এক হাজার ১৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া সরঞ্জাম। এর মধ্যে ৮৯২টি প্রতিষ্ঠানে রয়েছে পূর্ণাঙ্গ মাল্টিমিডিয়া সরঞ্জাম, আর ৮৯২টি প্রতিষ্ঠানে আছে ল্যাপটপ। পাশাপাশি ৯২৯টি প্রতিষ্ঠানে প্রজেক্টর রয়েছে। এর মধ্যে ৭৯টি বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ ও ৫০টি বিদ্যালয়ের প্রজেক্টর অকেজো রয়েছে; যা মোট প্রতিষ্ঠানের ১২ ভাগ। সরঞ্জাম থাকলেও বিদ্যালয়গুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস নেওয়ার পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। আর প্রশিক্ষণ নেওয়া শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকেন অন্য ক্লাসে। ফলে অনেক স্কুলের শিক্ষার্থীরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
মহানগরীর কয়লাঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক জিএম গফফার বলেন, ‘স্কুলে ক্লাস ঠিকভাবে হলে সন্তানরা কোচিংয়ে ছুটছে কেন? মাল্টিমিডিয়া ক্লাস সঠিকভাবে নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের মনে তার প্রভাব অভিভাবকদের কাছে দৃশ্যমান হতো।’
মেহমানে আলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিএম শফিউর রহমান বলেন, ‘মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে শিখতে শিক্ষার্থীরা বেশি মনোযোগী থাকে, আর আনন্দিত হয়। আমার স্কুলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়ায় দৈনিক দুটি ক্লাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’
খুলনা জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, ‘জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস কার্যকর করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।’

/আইএ/

লাইভ

টপ