ইউপি চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ

Send
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১০:২৭, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:০৬, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

সরকারি গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে

বগুড়ায় খোট্টপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল ফারুক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজীউল হকের বিরুদ্ধে রাস্তার পাশ থেকে ১২টি সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে চেয়ারম্যান জানান গ্রামবাসীকে নৌকা বাইচের নৌকা বানানোয় সহযোগীতা করার জন্য গাছ কাটা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, খোট্টপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল ফারুক ১৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ডোগলাপাড়া গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে তিনটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে নেন। কিছুদিন আগে তিনি ওই ইউনিয়নের বোহাইল গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে একটি মেহগুনি, দুটি ইউক্যালিপটাস ও জালসুকা গ্রাম থেকে তিনটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে নেন। এছাড়াও খোট্টাপাড়া, ভ্রমরকুটি ও খলিসাকান্দি গ্রাম থেকে একটি করে শিশু গাছ কেটে নেন।

স্থানীয়রা জানায়, গাছগুলো চেয়ারম্যান ফারুক ও আওয়ামী লীগ সভাপতি গাজী নিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক যুবলীগ নেতা জানান, তারা নৌকা বানানোর কথা বলে গাছগুলো কেটে নিয়েছেন।

শনিবার দুপুরে শাজাহানপুর উপজেলার নারিল্যা গ্রামে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানে একটি নৌকা তৈরি করা হয়েছে। ৭২ হাত লম্বা নৌকাটি তৈরি করতে প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। গ্রামবাসী জানায় আওয়ামী লীগ নেতাদের তৈরি ওই নৌকাটি এখানে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে। চেয়ারম্যান ফারুক শুক্রবার রাতে জালসুকা গ্রামের হরিতলা বাজারে সভা ডেকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গাছ কাটা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা গাজী জানান, ‘গাছগুলো থাকলে ফসলের ক্ষতি হবে, তাই কাটা হয়েছে। আর কাটলে তো সরকারি গাছই কাটতে হবে।’

ইউপি চেয়ারম্যান ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক জানান, ডোগলাপাড়া গ্রাম থেকে দুটি মরা গাছ কাটা হয়েছে। নৌকা বাইচের জন্য গ্রামবাসী একটি নৌকা তৈরি করছে। তাদের সহায়তা করার জন্য গাছ দুটি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফুয়ারা খাতুন জানান, অনুমোদন ছাড়া কোনও গাছ কাটা হয়ে থাকলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

/জেবি/

লাইভ

টপ