১৫ দিন পর বাবুলের লাশ ফেরত দিলো বিএসএফ

Send
নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৬:৪৩, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪৪, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯





বাবুল মিয়ালালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ’র গুলিতে নিহতের ১৫ দিন পর বাবুল মিয়ার (২৪) লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্তে বিজিবির উপস্থিতিতে নীলফামারীর ডিমলা থানা পুলিশের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে পাটগ্রামের কালীগঞ্জ গরুর বিট-খাটাল সংলগ্ন সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন বাবুল মিয়া।
মঙ্গলবার পুলিশ বাবুল মিয়ার লাশ তার বাবা নূর মোহাম্মদের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে। সেখান থেকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ গ্রামের বাড়িতে লাশ নিয়ে আসেন বাবা নূর মোহাম্মদ।
বাবুল মিয়ার পরিচয়পত্রলাশ হস্তান্তরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন—৫১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল ইসাহাক মণ্ডল, ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ, পুর্বছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান, কালিগঞ্জ গ্রামের ইউপি সদস্য মো. জাকিরুল ইসলাম ও দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক আবু হানিফ। ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন—দেশটির ৫৪ বিএসএফের উপ-অধিনায়ক এসওয়াই খেঙ্গাঁরু, কোচ বিহার জেলার কুচলিবাড়ী থানার সার্কেল পরান রায় ও থানা পুলিশের (ওসি) কর্মকর্তা সুভাস চন্দ্র রায়।
উল্লেখ্য, ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের কালীগঞ্জ গরুর বিট-খাটাল সংলগ্ন সীমান্তে ভারতীয় গরু পারাপারের সময় বিএসএফের গুলিতে ডিমলার দুজন হতাহত হন। তাদের মধ্যে বাবুল মিয়া নিহত হন। আহত হন উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বর গ্রামের গোলজার রহমানের ছেলে সাইদুল ইসলাম (১৪)। ঘটনার পর হতাহতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায় বিএসএফ। এ ঘটনায় নিহতের লাশ ও আহত সাইফুলকে ফেরত পেতে তাদের স্বজনরা বিজিবিসহ বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর লাশ ফেরতের দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধনও করেন। বিভিন্ন দাবির মুখে বাবুলের লাশ ফেরত পাওয়া গেছে। তবে আহত সাইফুলকে এখন ফেতর পাওয়া যায়নি।

/আইএ/

লাইভ

টপ