সোনাগাজীতে গৃহবধূকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’ প্রত্যাহারের পর এএসআই সুজনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

Send
ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৩:৩০, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৪৩, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯

ফেনী

ফেনীর সোনাগাজীতে এক গৃহবধূকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণে’র ঘটনায় সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সুজন কুমার দাসকে প্রত্যাহারের পর এবার তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার এ কমিটি গঠন করা হয় বলে আজ শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিশ্চিত করেছেন ফেনীর বিশেষ শাখার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. খালেদ হোসেন।

তদন্ত কমিটির সদস্য এএসপি মো. খালেদ হোসেন জানান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অফিসের অপরাধ বিভাগের পুলিশ সুপার মো. হাসান বারি নুরকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ (শনিবার) বিকালে তিন সদস্যের কমিটি সোনাগাজি মডেল থানা ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এসময় ভিকটিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের বক্তব্য নেন তারা। তদন্ত শেষ করে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটি ডিআইজির কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেবে বলেও জানান তিনি।

খালেদ হোসেন আরও জানান, এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সুজনকে সোনাগাজী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির অন্য সদস্য ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আতাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘১০-১১ সেপ্টেম্বর জমিসংক্রান্ত বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেন ভিকটিম। ওসি সাহেব এএসআই সুজনকে অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। সুজন এতে কালক্ষেপণ করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বুধবার থানায় ধর্ষণের মামলা করার সময় ওই নারী পুলিশ কর্মকর্তা সুজনের নাম উল্লেখ করেননি। তবে বৃহস্পতিবার ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার সময় ওই গৃহবধূ জানান, এএসআই সুজনও তাকে ধর্ষণ করেছেন। তদন্তে যদি সুজন দোষী হন, তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খালেদ হোসেন বাংলা টিব্রিউনকে বলেন, ‘ওই গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এখনপর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’

ভিকটিমের পরিবার ও পুলিশ জানায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের অভিযোগ নিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ওই গৃহবধূ থানায় মামলা করতে যান। এদিন রহিমা সুন্দরী নামে এক নারী প্রতারকের সঙ্গে দেখা হলে সে ওই গৃহবধূকে পরেরদিন মামলা করার পরামর্শ দেয় এবং গৃহবধূকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। এদিন রাতে ওই বাড়িতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ভিকটিম।

 

/এমএ/

লাইভ

টপ