উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আজও উত্তাল বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস

Send
বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৫:৩৫, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৫৬, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে একটানা ৯০ ঘণ্টা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো ক্যাম্পাস।
আন্দোলনকারীরা ভিসি’র নানা অনিয়ম-দুর্নীতি, নারী কেলেঙ্কারি এবং বাক স্বাধীনতার হস্তক্ষেপের বিষয়ে লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। গত চার দিন ২৪ ঘণ্টা ক্যাম্পাসে অবস্থান করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করায় উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন আরও বেগবান হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী প্রিয়তা দে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে উপাচার্যের পদত্যাগ ছাড়া আমরা আন্দোলন থেকে সরে যাবো না। এটাই আমাদের একমাত্র দাবি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নুরুদ্দিন বলেন, ‘এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ভিসি স্যার পদত্যাগ করবেন কিনা, এ ব্যাপারে কিছু জানি না।’
প্রসঙ্গত, গত ১১ সেপ্টেম্বর আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ও ক্যাম্পাস সাংবাদিক ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে সাময়িক বহিষ্কারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়াসহ আরও কয়েকটি দাবি কর্তৃপক্ষ মেনে নিলেও ভিসির পদত্যাগের দাবিতে অন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশ উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যান। এ অবস্থায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন গোবরা এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতরা হামলা করে। এতে প্রায় ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ওইদিন দুপুরে পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবির।

/এআর/এমএমজে/

লাইভ

টপ