গোপালগঞ্জ ইডিসিএলে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরের ঘটনায় তদন্ত শুরু

Send
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৪:১৮, অক্টোবর ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৩৫, অক্টোবর ২২, ২০১৯

ইডিসিএল-এর গোপালগঞ্জ প্লান্টগোপালগঞ্জে ওষুধ প্রস্তুতকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুরের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে ঘটনাস্থলে এসে কাজ শুরু করেন তদন্ত কমিটির ৫ সদস্য। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন) সাহাবুদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন,উপ-ব্যবস্থাপক প্রশাসন (নিরাপত্তা) পলাশ কুমার ঠাকুর, গোপালগঞ্জ ইডিসিএল এর সিনিয়র হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম ফারুক, জুনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ সাইফুর রশিদ চৌধুরী, জুনিয়র বিক্রয় কর্মকর্তা খন্দকার মুছা।

গত ১৭ অক্টোবর ইডিসিএল গোপালগঞ্জের প্লান্টের সিবিএ অফিসে টাঙ্গানো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এছাড়া ওইদিন প্রকল্প এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এতে জড়িতদের শনাক্ত করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কাজ শুরুর পর বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরের বিষয়ে কর্মচারি ও কর্মকর্তারা পরস্পরকে দায়ী করেছেন।

এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির গোপালগঞ্জ প্লান্টের উপ-ব্যবস্থাপক মাফিজুর রহমান শেখ দাবি করেন, এই প্লান্টে কর্মচারি ইউনিয়নের কোনো কমিটি নেই।  প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় এখানে সিবিএ বা ইউনিয়নের কার্যক্রমের কোনো বৈধতা নেই। তিনি বলেন, ‘কাজী ইউসুফ ও আজিজ চৌধুরীর নেতৃত্বে সিবিএ কর্মচারিরা এখানে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তারা প্লান্টের মূল ভবনের সেন্ট্রাল অয়্যার রুম দখল করে কর্মচারি ইউনিয়নের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে’। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের মেসিনারিজ বাইরে থাকায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই ভবন থেকে সিবিএ অফিস সরিয়ে নিতে বলা হয়। কিন্তু, তারা রুম ছাড়েনি। তাই কোম্পানির কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ওই রুমে প্লান্টের মেশিনসহ মালামাল ঢোকানো হয় এবং ওই রুমে তালা দিয়ে রুমের গেটে দুজন সিকিউরিটি বসানো হয়। এর কিছু সময় পরে ওই রুমের দেয়ালে টাঙ্গানো বঙ্গবন্ধুর ছবি ফ্লোরে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে কেউ জাতির পিতার ছবি ভেঙ্গে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চেয়েছে। এ ঘটনায় তারা ওইদিন অফিসারদের অভিযুক্ত করে অবরুদ্ধ করে রাখে।

এ ব্যপারে সিবিএ নেতা কাজী ইউসুফ (এমএলএসএস) বলেন, আমরা জাতির পিতার ছবি ভাঙ্গিনি। কোনও সিবিএ কর্মী এ ঘটনার জন্য দায়ী নয়।

তদন্তের অগ্রগতি জানতে তদন্ত কমিটির প্রধান এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন) সাহাবুদ্দিন আহম্মেদের মতামত জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

 

/জেজে/

লাইভ

টপ