‘শিগগিরই পুরনো এলসির পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত আসতে পারে’

Send
হিলি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮:৩১, নভেম্বর ০৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪৭, নভেম্বর ০৮, ২০১৯

হিলি স্থলবন্দর (ফাইল ছবি)

নিজেদের সংকটের কথা বলে মাসখানেক আগে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয় ভারত। এ ঘোষণায় বাংলাদেশি আমদানিকারকদের পুরনো এলসির পেঁয়াজও আমদানি করা হয়নি। ভারতীয় রফতানিকারকরা জানিয়েছেন, আগামী ১৫ নভেম্বরের পর পুরনো এলসির পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত আসতে পারে। হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আমদানিকারক মোবারক হোসেন জানান, নিজেদের পেঁয়াজের সংকট দেখিয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এতে বাংলাদেশি আমদানিকারকদের ২৯ তারিখের আগে করা প্রায় দেড় হাজার টন পেঁয়াজ আটকা পড়ে ভারতে। এ নিয়ে কয়েক দফা বৈঠকের পরে গত ৪ অক্টোবর একহাজার টন ও ২২ অক্টোবর ৫০ টন পেঁয়াজ রফতানি করে ভারত। এরপর আর কোনও পেঁয়াজ রফতানি করেনি ভারত। এতে পুরনো এলসির প্রায় সাড়ে ৪শ’ টন পেঁয়াজ এখনও ভারতে আটকে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অনেক আমদানিকারক পুরানো এলসি অ্যামান্ডমেন্ট করেছেন। এতে আরও এক হাজার টন পেঁয়াজের এলসি রয়েছে। অন্য বন্দরের আমদানিকারকদেরও অনেক এলসি রয়েছে। আগের এলসির এসব পেঁয়াজ রফতানির বিষয়ে অনুমতি চেয়ে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে রফতানিকারকদের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে গত সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকালে পেঁয়াজ রফতানির বিষয়ে নির্দেশনা আসার কথা ছিল। তবে সেদিন কোনও নির্দেশনা আসেনি। গত তিন দিনের চেষ্টায়ও কোনও নির্দেশনা মেলেনি। তবে আগামী ১৫ নভেম্বর নির্দেশনা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আমাদের জানিয়েছেন। অনুমতি মিললে দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে বন্দর দিয়ে পুরানো এলসির বিপরীতে পেঁয়াজ আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে।

 

/এমএ/

লাইভ

টপ