নীলফামারীতে সরিষার বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের

নীলফামারী প্রতিনিধি
২২ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:০৫আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:০৯

নীলফামারীতে সরিষার বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের নীলফামারীতে মাঠে মাঠে ফুটে আছে হলুদ সরিষা ফুল। যত দূর চোখ যায় হলুদের সমারোহ। এ মৌসুমে জেলার কৃষকরা সরিষার বাম্পার ফলনের আশা করছেন। তাদের ধারণা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ও সময়মতো সরিষা ঘরে তুলতে পারলে বিক্রি করে তারা লাভবান হবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। আর আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৫৮০ হেক্টর। এর মধ্যে বারী ০৭, ০৯, ১৪ ও ১৫ জাতের সরিষার চাষ হয়েছে ২ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। এসব উন্নত জাতের সরিষা ক্ষেতের চিত্র দেখে চাষিরা বিঘা প্রতি ৮-১০ মণ ফলনের আশা করছে। এছাড়াও দেশি জাতের সরিষারও প্রচুর আবাদ হয়েছে।
জেলা সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের দুহুলী গ্রামের কৃষক কাওসার আলী বলেন, ধান আবাদ করে উৎপাদন খরচই উঠে না। অথচ সরিষা চাষে খরচ কম লাভ বেশি। এক থেকে দুই বার সেচ দিলেই চলে। বর্তমানে প্রতি মণ সরিষা (পুরাতন) ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার ৬ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সরিষা চাষ করে চাষিরা এবার লাভের আশা করছেন। সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভবনায় চাষিরা উৎসাহী হয়ে পড়েছে।
নীলফামারীতে সরিষার বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের সদরের লক্ষীচাপ ইউনিয়নের শীশাতলী গ্রামের কৃষক ভবেশ রায় বলেন, এ বছর বীজ বপনের পর থেকে রোগবালাই না থাকায় স্বল্প পরিচর্যায় সরিষার গাছগুলো সবল হওয়ার ফলে প্রতিটি গাছে ফুল ও দানা বেড়ে গেছে, তাই ভালো ফলন আশা করা যাচ্ছে।
একই এলাকার কৃষক ধীরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ধান আবাদে অব্যাহত লোকসানের ফলে সরিষা চাষে আগ্রহী হওয়ার আরেকটি কারণ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শষ্য) মো. সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নীলফামারীতে অন্য বছরের চেয়ে এবার জেলায় সরিষার বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের মাঠে গিয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছে। এজন্য অধিকাংশ কৃষক এখন সরিষা আবাদের দিকে ঝুঁকছেন। তাছাড়া অল্প পরিশ্রমে বেশি ফসল ঘরে তোলা যায়।

/এআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
জুনে বেড়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব ভায়োলেন্স: এমএসএফ
জুনে বেড়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব ভায়োলেন্স: এমএসএফ
বেসরকারি খাতে সহজ হচ্ছে বৈদেশিক ঋণ, অর্থনীতির জন্য সুযোগ নাকি নতুন ঝুঁকি?
বেসরকারি খাতে সহজ হচ্ছে বৈদেশিক ঋণ, অর্থনীতির জন্য সুযোগ নাকি নতুন ঝুঁকি?
শহীদ জিয়ার নামে ফিরছে দুই কলেজ, অধ্যক্ষরা বললেন ‘এলাকাবাসীও খুশি’
শহীদ জিয়ার নামে ফিরছে দুই কলেজ, অধ্যক্ষরা বললেন ‘এলাকাবাসীও খুশি’
ব্রাজিল নিয়ে এবার কী বলছেন জাপানের সেই খেলোয়াড়
ব্রাজিল নিয়ে এবার কী বলছেন জাপানের সেই খেলোয়াড়
সর্বাধিক পঠিত
খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
ভারতীয় ভিসা আবেদনে ‘টাইম স্লট’ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে ‘টাইম স্লট’ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
বিশ্বাস করে বাসার চাবিও দিয়েছিলেন নারী, তাকেই হত্যা করলেন মুয়াজ্জিন
টাঙ্গাইলে নাজমা আলম হত্যার রহস্য উন্মোচনবিশ্বাস করে বাসার চাবিও দিয়েছিলেন নারী, তাকেই হত্যা করলেন মুয়াজ্জিন
চট্টগ্রাম-৪ আসনে আবার নির্বাচন নাকি অন্যকিছু, যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল
চট্টগ্রাম-৪ আসনে আবার নির্বাচন নাকি অন্যকিছু, যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল
টানা দুই দিনে ভরিতে স্বর্ণের দাম কমলো ৬৫৯০ টাকা 
টানা দুই দিনে ভরিতে স্বর্ণের দাম কমলো ৬৫৯০ টাকা