শীত এখনও আসেনি, আসি আসি করছে। এর মধ্যে চুয়াড্ঙ্গাার দামুড়হুদায় শীতকালীন সবজি শিমের আবাদ শুরু হয়েছে। শিমের মাচা ভরে গেছে সাদা-বেগুনি ফুলে। শিমও আসতে শুরু করেছে। অধিক লাভের আশায় অনেকেই আগাম জাতের শিমের আবাদ করেছেন।
জেলা ও উপজেলা কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা রাখতে অন্য ফসলের পাশাপশি সবজি আবাদ হচ্ছে। শ্রাবণে রোপন করা বীজে ফুল ও ফল আসায় শিম চাষিরা এবার বাজার দর ভালো পাবেন বলে আশা করছেন।
দামুড়হুদা- কার্পাসডাঙ্গা রাস্তা ধরে সামনে এগিয়ে গেলে রাস্তার পশ্চিমে দামুড়হুদার মাঠে দেখা মিলবে শিম ক্ষেতের। দেউলি গ্রামের জামাত বলেন, তার ১২ কাঠা জমিতে শিমের লতায় ও ফুলে মাচা ভরে গেছে। প্রতিটি ডগা ফুল ভরে গেছে। ইতোমধ্যে শিম আসতে শুরু করেছে। এই প্রথম আগাম জাতের রূপবান শিম আবাদ করেছেন। কঠোর পরিশ্রম, নজরদারি, সার ও বালাইনাশক স্প্রে করার পর শ্রাবণে ফুল ফল দেখা দিয়েছে। বাজার দর ভালো পেলে তার পরিশ্রম সার্থক হবে। এ আবাদে প্রায় এখন পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। টানা বর্ষার কারণে ফুল আসতে বেশ দেরি হয়েছে। কিছু কিছু শিম দেখা মিলতে শুরু করেছে। জমিতে সেচের ব্যবস্থা থাকায় চৈত্র মাস পর্যন্ত ফলন পাওয়া যাবে ।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কৃষিবিদ ও কৃষি কর্মকতা মনিরুজাম্মান বলেন, এ জাতীয় আবাদ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অসময়ে এ আবাদ থেকে চাষিরা বাড়তি আয় করতে পারে। তবে এসময় পোকা মাকড়, সাদা মাছি, শিম ছিদ্রকারী পোকা আক্রমণ করতে পারে। নিয়মিত পরিচর্যা ও নজরদারিতে রেখে বালাই নাশক স্প্রে করলে ফলন ভালো পাওয়া সম্ভব।








