পাখি পুষে সংসারে সচ্ছলতা

কুদরতে খোদা সবুজ, কুষ্টিয়া
০৭ নভেম্বর ২০২০, ০৯:০০আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২০, ১৫:৪৮


পাখি পোষা মানুষের চিরন্তন শখ। কুষ্টিয়ার মিরপুর পৌরসভার হলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. রানা ইসলাম তাদেরই একজন। শখ থেকে পাখি পালন করেন তিনি। এখন তা পরিণত হয়েছে উপার্জনের মাধ্যম।























বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির নানান রঙের পাখির নয়নাভিরাম সংগ্রহ আছে এই তরুণের। লাভ বার্ড, ককাটিয়েল, বাজরিগার, ফিঞ্চ, ডায়মন্ড ঘুঘু, অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

পাখি পালনে সংসারে সচ্ছলতা ফিরেছে মিরপুর পৌরসভার বাজারে রানা ইসলামের ‘পাখি মেলা’ দোকানে আছে দৃষ্টিনন্দন অনেক পাখি। তার কথায়, ‘পাখি পুষে বিক্রি করে সংসারে সচ্ছলতা ফিরেছে। আমার দোকান ও বাড়ি মিলিয়ে এখন প্রায় দুই লাখ টাকার পাখি আছে।’


পেশায় রাজমিস্ত্রী হলেও সাত বছর ধরে শখে পাখি পালন করেন রানা ইসলাম। বাজরিগার পাখি দিয়ে হয়েছিল শুরুটা। এরপর কেনেন ককাটিয়েল। দিনে দিনে পাখির বংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে রাজমিস্ত্রির কাজ বন্ধ রয়েছে। উপার্জনের জন্য রানা ইসলাম দোকানটি দিয়েছেন। ‘পাখি মেলা’য় এখন বেচাকেনা ভালোই চলছে। তিনি বলেন, ‘৩০০ টাকা থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের পাখি আছে আমার দোকানে। বিদেশি প্রজাতির পাখি দেখতে সুন্দর হওয়ায় ব্যাপক চাহিদা। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেকে পাখি কিনতে আসে।’
পাখি পুষে সংসারে সচ্ছলতা কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় পাখি পালনে দিনে দিনে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। পাখির খামার গড়তে চাইলে কম দামি দিয়ে শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন রানা ইসলাম। যোগ করে তিনি বলেন, ‘পাখি পালন করতে হলে তাদের রোগব্যাধি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। তা না হলে লোকসানের আশঙ্কা থাকে। যদিও বিদেশি প্রজাতির পাখির রোগব্যাধি খুবই সীমিত। যত্নে রাখলে এগুলোর অসুখ খুব কম হয়।’






/জেএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মিয়ানমারে কী ঘটছে, বাংলাদেশ সীমান্তে এত আতঙ্ক কেন?
মিয়ানমারে কী ঘটছে, বাংলাদেশ সীমান্তে এত আতঙ্ক কেন?
দিল্লি না ঢাকা: লাভ হেইট রিলেশনশিপ! 
দিল্লি না ঢাকা: লাভ হেইট রিলেশনশিপ! 
আরাঘচি ও গালিবাফকে হত্যার ছক কষেছিল ইসরায়েল
আরাঘচি ও গালিবাফকে হত্যার ছক কষেছিল ইসরায়েল
প্যারাগুয়ের কাছে হারের পর নাগেলসমানের বিদায়, আলোচনায় ক্লপ
প্যারাগুয়ের কাছে হারের পর নাগেলসমানের বিদায়, আলোচনায় ক্লপ
সর্বাধিক পঠিত
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
অর্থনীতিতে বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে যেসব দেশ
অর্থনীতিতে বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে যেসব দেশ
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা সেই প্রধান শিক্ষককে বরখাস্ত
খামেনির শেষ বিদায়: ভারত থেকে কারা যাচ্ছেন
খামেনির শেষ বিদায়: ভারত থেকে কারা যাচ্ছেন