নারায়ণগঞ্জে খাল দখল করে মাছ চাষ

Send
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০১:৪৮, জানুয়ারি ২৭, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪৮, জানুয়ারি ২৭, ২০১৬

নারায়ণগঞ্জে খাল দখল করে এভাবে মাছ চাষ করা হচ্ছেনারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় পানি নিষ্কাশনের একটি খাল ভরাট ও দখল করে  বাঁশের পাইলিং দিয়ে মাছ চাষ করার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় লোকজনদের বিরুদ্ধে। সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও উপজেলা প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে স্থানীয় লোকজন এভাবে মাছ চাষ করছে। এতে করে খালটি স্থানীয় এলাকাবাসী রবিশষ্য চাষ ব্যাহত হওয়াসহ জনগণের ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জানা গেছে, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী ও মেঘনা এ তিন নদীর মোহনা থেকে বন্দরের মাহমুদনগর পর্যন্ত খালটি ৫ থেকে ৬ কিলোমিটর দীর্ঘ। এ খালটি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার কৃষিকাজ, গোসল করাসহ রান্নার ও ঘরের কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে গত কয়েকবছর ধরে এ ৫ কিলোমিটার লম্বা খালের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে ছোট-বড় বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করা হচ্ছে। ফলে খালটিতে পানির প্রবাহ না থাকায় ধীরে ধীরে খালের পানি নোংরা ও দূষিত হয়ে যাচ্ছে। যাতে করে স্থানীয় এলাকাবাসী এ খালের পানি ব্যবহার করতে পারছেন না।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. ফয়সাল সাগর জানান, খালটি সিটি করপোরেশনের হলেও পূর্ব পাশে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন হওয়ার কারণে প্রভাবশালী একজন লবন মিলের মালিক মাটি দিয়ে খাল ভরাট করেছিল। যা নোটিশ দেওয়ার পর মাটি সরিয়ে নেয়। তবে এখনও কিছু আংশিক মাটি রয়েছে। সেটাও ভালোভাবে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পুনরায় নোটিশ দেওয়া হবে। ২০নং ওয়ার্ড এলাকায় খাল দখল করে রাখা হয়েছে।
২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাহমুদ হোসেন জানান, শীতলক্ষ্যা নদীর মোহনা থেকে সোনাকান্দা পুকুর পর্যন্ত যে আধা কিলোমিটার পর্যন্ত খাল খনন কাজ চলছে তার মধ্যে কিছু জয়গা এখনও খনন করা হয়নি। অবিলম্বে খনন করা শেষ হবে। ছৈয়াল বাড়ি ঘাট, পুনাই নগর ব্রিজের এলাকা ১৯ নং ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত।
বন্দর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনারা নাজমীন বলেন, মৌখিক কোনও অভিযোগ আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কোনও কিছু করার সম্ভব না। তাছাড়া এমনিতে বিভিন্ন এলাকায় তদন্ত করে সরকারি খাল দখলমুক্ত করা হচ্ছে। লিখিত এমন কোনও অভিযোগ আসলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
/এআর/

লাইভ

টপ