behind the news
Rehab ad on bangla tribune
 
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

নিহতের পরিবারকে দেওয়া অনুদানের টাকা মেরে দিলো ছাত্রদল নেতারা !

আশরাফ উদ্দিন সিজেল, ময়মনসিংহ০৮:০৩, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৬

নিহতের পরিবারকে অনুদানের টাকা দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিহত ছাত্রদল নেতা ইবনে আজাদ কমলের পরিবারকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিজ হাতে দেওয়া অনুদানের টাকা আত্মসাৎ করেছে স্থানীয় ছাত্রদল নেতারা। নিহতের পরিবারের সদস্যরাই এ অভিযোগ তুলেছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন, ছাত্রদল নেতাদের কাছে এ টাকা চাইলে তাদের এখন বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রুকনুজ্জামান রুকন ও গফরগাঁও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহিবুর রহমান নাছিমের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।

অভিযোগে জানা যায়, গত ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইবনে আজাদ কমল সন্ত্রাসী হামলায় আহত হন। পরের দিন ৮ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গফরগাঁও স্থানীয় ছাত্রলীগের ৩ নেতাকে আসামি করে নিহত কমলের বাবা আবুল কালাম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহত কমল ছিলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানের ভরণ-পোষণের জন্য ২০১৪ সালের ২৩ নভেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে ওই পরিবারকে ডেকে পাঠানো হয়। পরে নিহত ছাত্রদল নেতার স্ত্রী খাদিজা আক্তারের হাতে উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এবি সিদ্দিকুর রহমানের সহায়তায় ৫ লাখ টাকার একটি স্থায়ী ডিপোজিট করে দেন দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। একই সময় খালেদা জিয়া ওই পরিবারের হাতে অনুদানের ৩ লাখ টাকার আরেকটি চেক দেন।নিহত ছাত্রদল নেতা ইবনে আজাদ কমল

কিন্তু, এ ঘটনার ১৫ দিন পরে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রুকনুজ্জামান রুকন ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহিবুর রহমান নাছিম নিহত কমলের পরিবারের হাতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেন। বাকি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ওই ছাত্রদল নেতারা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ঘুরেও নিহত কমলের পরিবার ছাত্রদলের ওই দুই নেতার কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করতে পারেনি বলে জানান নিহত কমলের বাবা আবুল কালাম।

আবুল কালাম আরও জানান, ‘‘অনুদানের টাকা চাইলে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদল সভাপতি রুকনুজ্জামান রুকন উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মাহিবুর রহমান নাছিমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে নাছিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘তোর ছেলের দাম এই টাকার চেয়ে বেশি হবে না।’ তাই বাধ্য হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কাছে লিখিত অভিযোগ করি।’’

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে গফরগাঁও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহিবুর রহমান নাছিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে জানান। পরে আবারও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি মোবাইল বন্ধ করে দেন।

একই বিষয়ে জানতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রুকনুজ্জামান রুকনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত দুটি ফোন নম্বরই বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুছ ছালাম বিপ্লব বলেন, নিহত ছাত্রদল নেতার পরিবারের টাকা মেরে দেওয়া অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তিনি এ ঘটনার নিন্দা জানান।

/জেবি/টিএন/আপ-এআর/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ