Vision  ad on bangla Tribune

নেত্রকোনার খালিয়াজুরিতে ভোটকেন্দ্রে গুলিবিদ্ধ হয়ে আ.লীগ কর্মী নিহত

নেত্রকোনা প্রতিনিধি২২:০৫, মার্চ ২২, ২০১৬

ইউপি নির্বাচন-২০১৬নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরি উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ভোট গণনার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আদাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সময় ইট-পাটকেলের আঘাতে এক পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
নিহত আওয়ামী লীগ কর্মীর নাম গোলাম আবু কাউছার ওরফে কাউছার মিয়া (৩২)। তিনি খালিয়াজুরি ৩ নম্বর সদর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান  মো. গোলাম আবু ইছহাকের ছোট ভাই।
আবু ইছহাক মোবাইল ফোনে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,‘শুনেছি আমার ভাই গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।’ অপর এক  প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ফলাফল ঘোষণা করতে দেরি হওয়ায় আমার লোকেরা একটু ঝামেলা করেছিল।’

তবে নিহতের আরেক ভাই আরিফুল ইসলাম ফালাকের দাবি পুলিশের গুলিতে কাউছার মিয়া নিহত হয়েছেন।

রাত নয়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান প্রামাণিক এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে গুলির কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।তিনি বলেন, ‘অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) খান মোহাম্মদ আবু নাসের ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। দুর্গম এলাকা হওয়ায় এখনও তিনি পৌঁছাতে পারেননি।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোট গণনার পর ফলাফল প্রকাশ করতে দেরি হওয়ায় কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমান আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এ সময় তাদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি ছুড়লে কাউছার গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে খালিয়াজুরি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা প্রশাসক মো. মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘শুনেছি আওয়ামী লীগ সমর্থিত একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তবে কিভাবে ও কার গুলিতে তিনি মারা যান তা এখনও জানা যায়নি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।’

/এএ/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ