বরগুনায় কোস্টগার্ডের সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ নারীসহ আহত ৪, নিখোঁজ এক

Send
বরগুনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০:৫৯, মার্চ ৩০, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৫৯, মার্চ ৩০, ২০১৬

বরগুনা

বঙ্গোপসাগরের মোহনায় বুধবার বেলা ১১টার দিকে কোস্টগার্ডের সঙ্গে সংঘর্ষে তিন নারীসহ চারজন আহত ও আসমা (২২) নামে এক নারী নিখোঁজ রয়েছে। বিশখালী নদীতে রেনু পোনা শিকার করতে গিয়ে কোস্টগার্ড সদস্যদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয় বলে জানায় প্রত্যক্ষর্দীরা। আহতদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, কদবানু ( ৪৫)  জবেদা বেগম (৩৫ ), রাসেল (২৫) ও ফুলবানু (৪২)।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় সেলিম চৌকিদার বলেন, বুধবার বেলা ১১টার দিকে তেতুলবাড়িয়া এলাকায় বিষখালী ও বুড়িশ্বর নদীর মোহনায় নারী ও শিশুরা বেহেন্দী জালের মাধ্যমে রেনু (চিংড়ি) পোনা শিকার করছিল। হঠাৎ করে ফকিরহাট ক্যাম্পের কোস্টগার্ড সদস্যরা সেখানে এসে তাদের জাল তুলে নিতে চাইলে তারা বাধা দেয়। এসময় কোস্টগার্ড সদস্যরা নারী-শিশুদের ওপরে হামলা করে জাল ছিনিয়ে নেয়। তাদের হামলায় কদবানু ও তার ছেলে রাসেল নদীর পাড়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে চিৎকার শুরু করলে বিধবা জবেদা বেগম ও তার বোনের মেয়ে আসমাকে কোস্টগার্ড সদস্যরা ট্রলারে তুলে দ্রুত চলে যায়। তেতুলবাড়িয়া থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে নিদ্রার চর থেকে জবেদা বেগমকে উদ্ধার করা হলেও এ রিপোর্ট তৈরি করা পর্যন্ত আসমার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

আহত জবেদা বেগম জানিয়েছেন,কোস্টগার্ড সদস্যরা তাকে ট্রলারে উঠানোর পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। জ্ঞান ফেরার পরে তাকে নিদ্রার চরে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বোনের মেয়ে আসমা কোথায় আছেন, তা তিনি বলতে পারছেন না।

কোস্টগার্ড ফকিরহাট ক্যাম্পের স্টেশন কমান্ডার শামীম সাংবাদিকদের জানান, তারা অবৈধ বেহেন্দী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করতে গেলে নারী ও শিশুরা তাদের আক্রমণ করে। এসময় তারা আত্মরক্ষার্থে লাঠি ও বাঁশ দিয়ে প্রতিরোধ করে। তিনি আরও জানিয়েছেন, জবেদা বেগম জাল ফেরত নেওয়ার জন্য তাদের ট্রলারে উঠে গিয়েছিলেন। পরে তাকে নিদ্রার চরে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আসমা বেগমকে তাদের ট্রলারে নিয়ে যাওয়ার কথা তিনি অস্বীকার করেছেন।

তালতলী থানার ওসি বাবুল আক্তার সংঘর্ষের কথা স্বীকার করে বলেন,আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

/জেবি/

লাইভ

টপ