টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে গণধর্ষণচালকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

Send
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২২:০৩, এপ্রিল ০৫, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:০৩, এপ্রিল ০৫, ২০১৬

ধর্ষণটাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্তবাসে পরিবহন শ্রমিকের স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় বাসের চালক হাবিবুর রহমান নয়ন আদালতে ধর্ষণের সম্পৃক্ততায় তার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করলে তিনি এই জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকতা ধনবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) খান মোহাম্মদ হাসান মোস্তফা জানান, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো.হামিদুল ইসলাম বাসের চালক হাবিবুর রহমান নয়নের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রের্কড করেন। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
এর আগে গত শনিবার বাসের হেলপার আব্দুল খালেক ভুট্টো ও সোমবার বাসের সুপারভাইজার রেজাউল করিম জুয়েল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ নিয়ে এ মামলায় গ্রেফতারকৃত তিন আসামি এ গণধর্ষনের সঙ্গে তাদের জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১ এপ্রিল) ভোর পাঁচটার দিকে ধনবাড়ি এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে সফিপুর উপজেলার রাখালিয়াচাড়া এলাকায় বাসায় ফেরার জন্য ধনবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে বিনিময় পরিবহণের একটি বাসে ওঠেন এক পরিবহন শ্রমিকের স্ত্রী। তখন বাসে আর কোনও যাত্রী ছিল না। বাসটি কিছুদূর যাওয়ার পর চালকের এক সহকারী তাকে ‘কুপ্রস্তাব’ দেয়। এ সময় বাসের আরও দুজন এগিয়ে আসে। তাদের প্রস্তাব অস্বীকার করলে তারা  তার মুখ ও হাত বেধে ফেলে এবং বাসের পেছনের সিটে নিয়ে তিনজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে মধুপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ময়মনসিংহ রোডের দিকে যাওয়ার পর রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে তাকে নামিয়ে দেয়।  

এ ঘটনায় ধর্ষিতার স্বামী বখতিয়ার বাদী হয়ে ১ এপ্রিল শুক্রবার মধ্যরাতে বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারসহ ছয় শ্রমিক নেতাকে অভিযুক্ত করে ধনবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে বাসচালক হাবিবুর রহমান ওরফে নয়ন (৩৩), সুপারভাইজার রেজাউল করিম ওরফে জুয়েল (৩৫) ও হেলপার আব্দুল খালেক ওরফে ভুট্টকে (৩০) গ্রেফতার করে।

/এআর/

লাইভ

টপ