behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

সমস্যা সত্ত্বেও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বেড়েছে পর্যটক পারাপার

পঞ্চগড় প্রতিনিধি০১:৫২, এপ্রিল ০৭, ২০১৬

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরনানা সমস্যা সত্ত্বেও পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পর্যটকদের যাতায়াত বেড়েছে। তবে এ সমস্যা সমাধান করা গেলে এই চেকপোস্ট দিয়ে যাতায়াতের সংখ্যা আরও বাড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে মানুষ পারাপার কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
জানা যায়, উদ্বোধনের পর থেকে এ চেকপোস্ট দিয়ে ৭৭৪ জন পর্যটক উভয় দেশে যাতায়াত করেছেন। যার মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে ১২৩ জন এবং মার্চে ৬৫১ জন।ফেব্রুয়ারিতে ভারতে গেছেন ৫৩ জন এবং বাংলাদেশে এসেছেন ৭০ জন। মার্চে ভারতে গেছেন ৩৯০ জন এবং বাংলাদেশে এসেছেন ২৬১ জন যাত্রী।
তবে এ চেকপোস্টে পর্যটকদের ভিসা প্রাপ্তির জটিলতা, ডলার ইনডোস ও মানি এক্সচেঞ্জের সুবিধা না থাকা, ব্যাগেজ ক্লিয়ারেন্সে জটিলতা, ২শ’ গজ ব্যাগেজ বহন,ঢাকা-বাংলাবান্ধা-দিনাজপুর-রংপুর রুটে সরাসরি যান চলাচল না করা এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের। এসব দুর্ভোগ কমাতে শিগগির সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পর্যটকরা।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের ব্যবসায়ী নাজমুল হুদা বলেন, এখানে কাস্টমসের কোনও অফিস না থাকায় ব্যাগেজ ক্লিয়ারেন্সের জন্য তাদের ২শ’ গজ পথ হাঁটতে হয়েছে, যা খুবই দুর্ভোগের।
স্থানীয় সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, যদি ডলার ইনডোস ও মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থা করা যায় তবে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের গেটওয়ে হবে বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট।
তেতুলিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শহীন ওই এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় পর্যটকদের দুর্ভোগে পড়ার অভিযোগ করেন। তবে খুব শিগগির বাংলাবান্ধায় শক্তিশালী টাওয়ার নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন গ্রামীণ ফোন পঞ্চগড়ের টেরিটরি অফিসার জীবন কুমার শীল।

 চেকপোস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহসে উল গণি বলেন, এ চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিনই মানুষ পারাপার বাড়ছে। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় ভারত, নেপাল, ভুটানসহ চীনের পর্যটকরা বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি চেকপোস্ট ব্যবহারে উপকৃত হচ্ছেন।
আর পঞ্চগড় কাষ্টমস, ভ্যাট ও এক্সাইজের সহকারী কমিশনার মো. দেলোয়ার হোসেন সমস্যাগুলো চিহিৃত করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
পঞ্চগড় জেলা আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদি হাসান খাঁন বাবলা বলেন,ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাবান্দা স্থলবন্দর সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর পঞ্চগড় চেম্বার সভাপতি আশরাফুল আলম পাটোয়ারী সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানির প্রসার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জানা যায়, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে ভারতের শিলিগুড়ির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার, জলপাইগুড়ি ১০ কিলোমিটার, দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার, নেপালের কারকরভিটা ৬১ কিলোমিটার, ভুটানের ফুয়েন্টসিলিং ৬৮ কিলোমিটার। 

আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্য বাড়াতে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ-নেপাল এবং ২০১১ সালে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যেও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়।

 

/এসএনএইচ/এমএসএম

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ