গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় নিজেদের পুলিশের পরিচয় দিয়ে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নিতে এসে আবদুস সামাদ আলী (৩২) ও মনু মিয়া (৩০) নামে দুই যুবককে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে এলাকাবাসী।
সাঘাটা উপজেলার কুকড়াহাট বাজারের জাহিদ মেডিক্যাল স্টোরে রবিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের আটক করে।
আটক সামাদ আলী সাঘাটা উপজেলার কাতলামারী গ্রামের মৃত হাফেজের মিয়ার ছেলে ও মনু মিয়া একই উপজেলার টেপা পদুমশহর গ্রামের মৃত সাহেব মিয়ার ছেলে।
এসময় আবদুস সামাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের এম.এল.এস.এস পদ (ব্যাচ নং ৬৮২) ও আলহাজ নাসির উদ্দিন ভুইয়া ডিআইজি পুলিশ সুপার ঢাকা কার্যালয়ের দুটি ভুয়া পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়।
সাঘাটার থানার ওসি মো. মোস্তাফিজার রহমান জানান, আটক আবদুস সামাদ সাঘাটা উপজেলার টেপা পদুমশহর গ্রামের শাহাদুল ইসলামের ছেলে লাবিন মিয়া ও একই গ্রামের শামীম মিয়াকে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাদের সঙ্গে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা চুক্তি করেন। আবদুস সামাদ সম্প্রতি লাবিন মিয়ার চাকরি হয়েছে মর্মে তার হাতে বাংলাদেশ মেট্রোপলিটন পুলিশ ঢাকা রেঞ্চ ৫১২-নং ব্যাচ ও ইংরেজি অক্ষরে লেখা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও পুলিশের মনোগ্রাম সম্বলিত একটি আইডি কার্ড তুলে দেন।
তিনি আরও জানান, লাবিনের বাবা শাহাদুল ইসলাম কার্ডটি পাওয়ার পর বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই করলে কার্ডটি ভুয়া প্রমাণিত হয়। এরপর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক লাবিনের পরিবারের কাছে টাকা নেওয়ার জন্য রবিবার বিকেলে কুকড়াহাট বাজারের জাহিদ মেডিক্যাল স্টোরে আসেন প্রতারক আবদুস সামাদ ও মনু মিয়া। এসময় এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় শাহাদুল ইসলাম বাদী হয়ে প্রতারণার অভিযোগে আবদুস সামাদ আলী ও মনু মিয়ার বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।
/এএইচ/
আপ: এইচকে








