রাবি শিক্ষক রেজাউল হত্যা: দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার দাবি

Send
রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮:১১, এপ্রিল ২৪, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:১১, এপ্রিল ২৪, ২০১৬


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক রেজাউল করিম সিদ্দিকীরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করার দাবি জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষকরা। রবিবার দুপুর ১টায় ইংরেজি বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রবিবার থেকে তিনদিন ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং সপ্তাহব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ইংরেজি বিভাগ। এছাড়াও অধ্যাপক সিদ্দিকী স্মরণে সোমবার বিভাগে শোকসভা অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিভাগের সভাপতি ড. এএফএম মাসউদ আখতার বলেন, ‘অধ্যাপক সিদ্দিকী ব্লগার ছিলেন না। কারণ তিনি যে ধরনের লেখালেখি করতেন তাতে কোনও ধর্মকে হেয় করার মতো বিষয় ছিল না। আর ব্লগিং করতে যে ধরনের কম্পিউটার জ্ঞান দরকার তা অধ্যাপক সিদ্দিকীর ছিল না। তাই আইএস’র এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকারের বিষয়টি আমরা মেলাতে পারছি না।’

এদিকে, শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে একই সময় পাঁচ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলন থেকে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম বেধে দেন শিক্ষার্থীরা।  

আরও পড়ুন: 

রানা প্লাজা: তিন বছরেও মেলেনি ১১৩৬ হত্যাকাণ্ডের বিচার

 

 

অধ্যাপক রেজাউল সিদ্দিকীর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার রাজশাহীর সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ধর্মঘট পালন করা হবে। এছাড়া বেলা ১১টায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে নগরীর আলুপট্টি মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হবে।

শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের চিহ্নিত করতে হবে, প্রতি ২৪ ঘণ্টা পরপর মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের অবহিত করা, দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যে কোনও ধারালো অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় এবং বহনের ক্ষেত্রে নজরদারি জোরদার করা এবং অধ্যাপক সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা বন্ধ করা।

/বিটি/

লাইভ

টপ