ঢাকা অ্যাটাক: যে ছবির অপেক্ষায় থাকে দর্শক

Send
শেরিফ আল সায়ার
প্রকাশিত : ২২:০৬, অক্টোবর ০৮, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:০৭, অক্টোবর ০৯, ২০১৭

‘ঢাকা অ্যাটাক’ কেমন হবে? এই জল্পনা ছিল মুক্তির তারিখ ঘোষণার পর থেকেই। যেখানে ঢাকাই সিনেমার বেহাল দশা, সেখানে বছরে দুই-চারটি ছবি নিয়ে দর্শক মনে আগ্রহও তৈরি হয়। অন্যদিকে সিনেমা হলগুলো এক এক করে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে– এমনই সব কঠিন বাস্তবতার মাঝে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ যেসব কারণে নতুনভাবে প্রাণ দেবে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে, সেইসব নিয়েই আলোচনা করেছেন লেখক।

(বাঁ থেকে) শতাব্দী ওয়াদুদ, এবিএম সুমন, আরিফিন শুভ ও মাহিয়া মাহিবাংলা সিনেমায় পুলিশের ভূমিকা কী? এমন প্রশ্নের উত্তরে অনেকে নিশ্চয়ই বলবেন, নায়ক-ভিলেনের মারামারি শেষে বাঁশি বাজাতে বাজাতে হাজির হয় পুলিশ। আবার নায়ক যদিওবা পুলিশ হয়, তবুও পুলিশের আসল কাজ ভাটা পড়ে নায়কের প্রেমের গল্পে। পুলিশের সাহস, ঘটনা তদন্তে দক্ষতা, আসামি ধরতে গিয়ে তাদের ত্যাগের কথা তেমন একটা উঠে আসে না ঢাকার ছবিতে। এ বছর সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে, ভিন্ন প্লটে প্রথমবারের মতো ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি সানী সানোয়ারের লেখা গল্পে দীপংকর দীপনের পরিচালনায় ‘ঢাকা অ্যাটাক’ তুলে ধরলো বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর সাহসী সব অভিযানের চিত্র।

‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর গল্পটি কেমন হলো?
এই ছবির গল্প বলে ‘স্পয়লার’ করার প্রয়োজনবোধ হচ্ছে না। তবে এটুকু বলা যেতে পারে— শহরে হঠাৎ করে খুন, বোমা বিস্ফোরণ ও বোমা আতঙ্কের সূত্র খোঁজা শুরু করে পুলিশ। এর মধ্য দিয়েই তাদের অভিযানের প্রয়োজন পড়ে। পুলিশের সব হ্যান্ড এখানে যুক্ত হয়– ডিবি, সোয়াট টিম, বোম ডিসপোজাল ইউনিট। তারা কিভাবে একটি ঘটনার তদন্ত করে, কিভাবে মিশনে যায়, কিভাবে ফলোআপ করে– এসব তো দর্শক দেখতে পাবেই; এর সঙ্গে থাকছে হাজার অপরাধ নির্মূলের চেষ্টার ভিড়ে তাদেরও নিজেদের একটি জীবন আছে। দায়িত্ববোধ সম্মুখ সমরে রাখে ঠিকই কিন্তু পরিবারের জন্যও তাদের মন কাঁদে, তাদের প্রেম থাকে, তারাও রোমান্টিক হতে জানে। এই থ্রিল, অ্যাকশন, আবেগ নিয়েই সাজানো ‘ঢাকা অ্যাটাক’।

ছবির নায়কেরা
এই ছবির মূল নায়ক বাংলাদেশ পুলিশ। কোনও নির্দিষ্ট চরিত্রে আটকে থাকেনি ‘ঢাকা অ্যাটাক’। এটাই ছবিটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। প্রত্যেকের আলাদা-আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। সে কথাই বলতে চেয়েছেন গল্পকার সানী সানোয়ার ও পরিচালক দীপংকর দীপন। তবুও যেহেতু এটা সিনেমা তাই কিছু চরিত্রকে তো বিশেষ গুরুত্ব দিতেই হয়। তেমন কয়েকটি চরিত্র গোয়েন্দা বিভাগের এডিসি সাজেদুল (শতাব্দী ওয়াদুদ), বোম ডিসপোজাল ইউনিটের ইনচার্জ আবিদ রহমান (আরিফিন শুভ) ও সোয়াট টিমের ইনচার্জ আশফাক আহমেদ (এবিএম সুমন)। তারা নিজ নিজ চরিত্রে কিভাবে নিজেকে তুলে ধরলেন সে বিষয়েও কিছুটা আলোচনার দাবি তো রাখেই।

ক. শতাব্দী ওয়াদুদ
তিনি মঞ্চ থেকে ওঠে আসা অভিনেতা। তার অভিনয় দক্ষতা নিয়ে বাড়তি কথা বলার কোনও প্রয়োজন নেই। তার অভিনীত ছবি ‘গেরিলা’ (২০১১), ‘জীবনঢুলী’ (২০১৪), ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’ (২০১৫) সেই দক্ষতার স্বাক্ষর বহন করে। এবার ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবিতেও অনন্য ছিলেন তিনি। দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের এডিসি সাজেদুল চরিত্রেও। তার ডায়লগ, অপারেশন নিয়ে অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক কিংবা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ; সবকিছুই যেন পর্দায় মনে হচ্ছিল জীবন্ত।
এডিসি সাজেদুল হচ্ছে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার চরিত্র। পুলিশের ভেতর সবাই সম্মুখে যায় না। কিন্তু পেছনে যেসব মেধা কাজ করে, যাদের কৌশলে এগোয় পুলিশ, সেই সব অফিসারদেরই প্রতিনিধিত্ব করেছে সাজেদুল চরিত্রটি।

‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবিতে আরিফিন শুভখ. আরিফিন শুভ
প্রশ্ন আসতে পারে এখন পর্যন্ত আরিফিন শুভ কয়টি বাংলা ছবিতে কাজ করেছেন, তার মধ্যে আলোচিত কয়টি? কিছুটা বলা যাক, যেমন তিনি ‘অগ্নি’তে অভিনয় করে কিছুটা আলোচনায় ছিলেন, কিন্তু ছবিটি ছিল মাহিকেন্দ্রিক। তাছাড়া ২০১০ সালে খিজির হায়াত খান পরিচালিত ‘জাগো’ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত শুভকে শুধু খুঁজে পাওয়া যাবে শিহাব শাহীন পরিচালিত ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ছুয়ে দিলে মন’-এ। এছাড়া অন্যান্য ছবিতে তেমন আলোচনার জন্ম দিতে ব্যর্থ এই মেধাবী ও পরিশ্রমী অভিনেতা। অথচ শুভ’র ভেতর আছে বাংলা সিনেমায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মতো সব গুণ। বাংলা ট্রিবিউনের অফিসে বসেই ব্যক্তিগত এক আলাপে ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অস্তিত্ব’ সম্পর্কে শুভ বলেছিলেন, এই ছবিটি হতে পারে তার ক্যারিয়ারের টার্নিং ছবি। অথচ পরবর্তীতে এটিও ‘নকল’ ছবির তকমার কারণে ব্যর্থ হয়।

তবে এবার ‘ঢাকা অ্যাটাক’ সত্যিকার অর্থেই শুভর ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে বলে ধরে নেওয়া যায়। এ ছবিতে বোম ডিসপোজাল দলের ইনচার্জ আবিদ রহমান চরিত্র অনন্য ছিলেন তিনি। একজন পুলিশের দক্ষতা, সম্মুখে গিয়ে অ্যাকশন ভূমিকা সবই সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন শুভ। এমনকি রোমান্টিক দৃশ্যে মাহির সঙ্গে তার রসায়নের তুলনা হয় না। একথা সবাই মানে ও জানে। তাই এটা নিশ্চিত— ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এ অ্যাকশন, আবেগ ও থ্রিলের ভেতর শুভই থাকবেন মূল আলোচনায়।

গ. এবিএম সুমন
‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার দুটি। একটি হলো এবিএম সুমনকে নতুনভাবে দর্শকের সামনে তুলে ধরা। ২০১৫ সালে ‘অচেনা হৃদয়’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় নাম লেখান তিনি। তার আগে করেছেন মডেলিং। অভিনয়ে খুব একটা সাফল্য পাননি সুঠাম দেহের অধিকারী এই নায়ক। অথচ ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এ সোয়াট দলের ইনচার্জ চরিত্রে মনে হবে সুমনের কোনও বিকল্প নেই। তার চালচলন, কথা বলার ধরন, সম্মুখে গিয়ে অ্যাকশন; এসব কিছু দেখার পর বহু দর্শকের মুখে শুনেছি— এই ছেলে কে?

আশফাকের স্ত্রী চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজী নওশাবা আহমেদ। স্বামী-স্ত্রীর সময় কাটানোর বিষয়গুলো ছিল খুবই মিষ্টি। এগুলোতে সুমন-নওশাবার অভিনয়ই প্রমাণ করে, পরিবারের সব দায়িত্ব রেখে কিভাবে পুলিশ সদস্যরা দেশের দায়িত্বে নিজেকে উৎসর্গ করে দেন।

‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবিতে আরিফিন শুভ ও মাহিয়া মাহি



ঢাকা অ্যাটাক

রেটিং: ৯/১০
পরিচালক: দীপংকর দীপন
প্রযোজনা: স্প্ল্যাশ মিডিয়া, ঢাকা পুলিশ পরিবার কল্যাণ সমিতি লি. ও থ্রি হুইলারস লি.
গল্পকার: সানী সারোয়ার
সংলাপ রচয়িতা: হাসনাত বিন মতিন, আসাদ জামান, শাহজাহান সৌরভ
চিত্রনাট্যকার: সানী সানোয়ার, অভিমন্যু মুখোপাধ্যায় (কলকাতা), দীপংকর দীপন
অভিনয়ে: আরিফিন শুভ, মাহিয়া মাহি, এবিএম সুমন, কাজী নওশাবা আহমেদ, শতাব্দী ওয়াদুদ, তাসকিন রহমান, আফজাল হোসেন, আলমগীর, হাসান ইমাম, শিপন মিত্র, ফারহিন আহমেদ, সেলিনা সাইবি
আবহ সংগীত: বব এস এম
চিত্রগ্রাহক: গোপি ভগত, অর্চিত প্যাটেল, সৌভিক বসু (কলকাতা), খায়ের খন্দকার, নাঈম ফুয়াদ
সম্পাদক: মোহাম্মদ কালাম (কলকাতা)
মুক্তি: ৬ অক্টোবর, ২০১৭
পরিবেশনা: দি অভি কথাচিত্র
দৈর্ঘ্য: ১৪৭ মিনিট

গ্ল্যামার গার্ল মাহি ও মন্দ মাহি
দেশীয় চলচ্চিত্রে বর্তমানে মাহিয়া মাহিকে সবচাইতে গ্ল্যামারাস নায়িকা হিসেবে ধরা হয়। ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এ ক্রাইম জার্নালিস্ট চৈতি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। পুলিশ সদস্যরা যেভাবে ঘটনাকে খুঁজে দেখছেন, তাদের পাশাপাশি মাহিও নিজের মতো করে ঘটনার সূত্র খোঁজার চেষ্টায় ছিলেন। চৈতি সাজগোজ করে পরিপাটি হয়ে ক্যামেরা নিয়ে পিছু পিছু ছুটেছে পুলিশের অপারেশনের ব্রেকিং দিতে। সাংবাদিকরা যে কত অদ্ভুত প্রশ্ন করেন, ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশদের ঘিরে ধরে জিজ্ঞেস করতে থাকেন, কে বা কারা জড়িত, কেন করেছে ইত্যাদি। এই বিষয়টি সুক্ষ্মতার সঙ্গে পর্দায় তুলে আনা হয়েছে। মাহির অভিনয় ভালো নাও লাগতে পারে এই ছবিতে। আদতে ‘গ্ল্যামারাস মাহি’কে ফুটিয়ে তোলার জন্য ‘ক্রাইম রিপোর্টার মাহি’কে পুরো ছবি জুড়ে পরিপাটি ও মেকআপের মধ্যে রাখা হয়েছে।

নতুন ভিলেন ও সারপ্রাইজ
চলচ্চিত্র পাড়ায় যেমন নায়ক-নায়িকার সংকট রয়েছে, তেমনি আছে ভিলেনের অভাব। ডিপজল ও মিশা সওদাগর ছাড়া দুর্দান্ত ভিলেন আসলে কেউই হতে পারেননি। ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর প্রথম আবিষ্কারের কথা আগেই বলা হয়েছে। এর দ্বিতীয় আবিষ্কার হলো জিসান নামের চরিত্রটি। এই নতুন ভিলেন তাই এই আলোচনায় উহ্য থাক। দর্শক হলে গিয়ে দেখুক কে সেই ‘অ্যাটাক’ করা ভিলেন! যিনি বাংলা ছবিতে ভিলেনের আসন জয় করার ক্ষমতা রাখেন।

কয়েকটি খটকা
এই ছবিকে ‘অ্যাকশন থ্রিলার’ বলা হচ্ছে। সত্যিই তাই। গত বছর ‘আয়নাবাজি’ মুক্তির পর প্রায় এক বছর পেরিয়ে এমন একটি দুর্দান্ত ছবির জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে দর্শককে। ‘ঢাকা অ্যাটাক’ নিয়ে সমালোচনার জায়গা খুব কম। তবুও কয়েকটি বিষয়ে খটকা লাগার কথা উল্লেখ করতে হয়—

১. মাহি সাংবাদিক। কিন্তু ক্রাইম সিনের ফিতা ভেদ করে তিনি চলে আসেন শুভ’র কাছে। আবার যখন শুভ বোম ডিসপোজ করতে যান তখন হুট করেই নিরাপত্তা বেষ্টনি ভেদ করে মাহি দৌড়ে যান সেখানে। যদিও অনেক দর্শক বলছেন, নায়িকা তো! নায়কের কাছে একটু দৌড়ে যেতে দিতেই হয়। নাহলে সিনেমা হবে কিভাবে!

২. মিডিয়া অফিসের প্রধানের সঙ্গে কথার শুরু ভাইয়া দিয়ে। পরবর্তীতে ‘স্যার, স্যার’ সম্বোধন কিছুটা দৃষ্টিকটু লেগেছে।

৩. অপারেশনে থাকার সময় আশফাকের মোবাইলে বারবার ফোন আসছিল। খুব ধীরগতিতে অপরাধী ধরার জন্য সাবধানে সামনে এগোচ্ছেন যখন, সেই সময় ফোনের আওয়াজেই তো অপরাধী টের পেয়ে যাবে। গুরুত্বপূর্ণ অফিসারের কাছে মোবাইল ফোন থাকতে পারে, কিন্তু সেটা ভাইব্রেট করে রাখলেও হতো!

৪. তিনজন সিনিয়র অভিনেতা আছেন এই ছবিতে। হাসান ইমাম, আলমগীর, আফজাল হোসেন। তাদের মধ্যে আফজালকে পাওয়া যায়নি স্বকণ্ঠে।

৫. নারী পুলিশের চরিত্র ছিল একটি, কিন্তু তাও বলার মতো নয়। গল্পে নারী পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারতো।

দারুণ মেকিং
মন্দ লাগার মতো ব্যাপার খুব বেশি নেই এই ছবিতে। মেকিংয়ের প্রশংসা না করে পারা যায় না। গল্প এগিয়েছে নিখুঁতভাবে। এমনকি একটা থেকে আরেকটা দৃশ্যে প্রবেশের ধারাবাহিকতাও নিখুঁত। প্রত্যেকেই যে পরিশ্রম দিয়ে কাজ করেছেন সেটার ছাপ ‘ঢাকা অ্যাটাক-এর পরতে পরতে ছিল। লোকেশন, চিত্রগ্রহণও চমৎকার। সঙ্গে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সারাক্ষণ দর্শককে আটকে রেখেছিল প্রতিটি দৃশ্যের ভেতর।

‘ঢাকা অ্যাটাক’ অ্যাকশনধর্মী থ্রিল পুলিশি মুভি। এর ভেতরে ব্যবসায়িক প্রতিটি উপাদানকে ইনপুট দিয়েছেন নির্মাতা। এমনকি একটি আইটেম গানও আছে। ওই গান চলার সময় দর্শকের করতালি এবং চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে তাদের নাচই প্রমাণ করে সার্থকতা। রোমান্টিক গান ‘টুপ টাপ’ও মুগ্ধ করেছে দর্শকদের।

সত্যিকার অর্থে এমন ছবি দেখার জন্যই দর্শক অপেক্ষা করে দীর্ঘ সময়। এ ধরনের ছবি যদি বছরে অন্তত পাঁচটাও হতো, তাহলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র পুরনো চেহারা ফিরে পেত পূর্ণ গতিতে।

লেখক: চলচ্চিত্র সমালোচক

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতে পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের দায় নেবে না।







/জেএইচ/

লাইভ

টপ