পোস্টারে আছেন, লালগালিচায় নেই

Send
বিনোদন রিপোর্ট, কান (ফ্রান্স) থেকে
প্রকাশিত : ১০:৪১, মে ১২, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৩, মে ১২, ২০১৮



জ্যঁ-লুক গদারকান উৎসবের এবারের আসরে কোথায় নেই জ্যঁ-লুক গদার! তার বানানো ফ্রেঞ্চ নিউওয়েভের ধ্রুপদী ছবি ‘পিয়েরো দ্য ম্যাডম্যান’-এর (১৯৬৫) একটি দৃশ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সম্মানজনক এই আয়োজনের পোস্টার।

কিন্তু কোথাও সশরীরে পাওয়া যাচ্ছে না তাকে। এমনকি মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে তার নতুন ছবি ‘দ্য ইমেজ বুক’-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনীতেও আসেননি তিনি। শুক্রবার (১১ মে) গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে বিকাল সাড়ে ৪টায় ও সাল বাজিনে বিকাল ৫টায় স্বর্ণ পামের দৌড়ে থাকা ছবিটি দেখানো হয়।
৮৭ বছর বয়সী ফরাসি-সুইস নির্মাতা গদার চলচ্চিত্রানুরাগীদের কাছে জীবন্ত কিংবদন্তি। কিন্তু নিন্দুকরা তাকে অতি দাম্ভিক মনে করে। প্রায় ৬০ বছরের চলচ্চিত্র জীবনে কখনোই পাম দ’র জেতেননি তিনি। এবার সেই সম্ভাবনা উজ্জ্বল। শুক্রবার (১১ মে) তার নতুন ছবির প্রদর্শনী ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
লালগালিচায় গদারের ‘দ্য ইমেজ বুক’ ছবির নেপথ্যের মানুষজন  ও আয়োজকরা‘দ্য ইমেজ বুক’ হলো ফিল্ম ক্লিপস ও ইমেজের কোলাজ। ধারাবর্ণনা ও সংলাপের সঙ্গে অন্যরকম আবহ তৈরি করেছেন গদার। তবে তার দেখা পেলো না কান। ছবিটির পক্ষে লালগালিচায় হেঁটেছেন সম্পাদক নিকোল ব্রেনেজ, প্রযোজক ফ্যাব্রিস অ্যারাগনো, মিত্র ফারাহানি ও জ্যঁ পল বাত্তাজিয়া। তাদেরকে স্বাগত জানান উৎসবের আয়োজক পিয়ের লেসকিউর ও থিয়েরি ফ্রেমো।
গত বছর গদারের জীবনের একটি অধ্যায় নিয়ে নির্মিত ‘দ্য রিডাউটেবল’ ছিল কানের মূল প্রতিযোগিতায়। এর পরিচালক মিশেল আজানাভিসুস বলেছেন, ‘গদার চাইলে সবকিছুই করতে পারেন। তিনি ছকেবাঁধা ছবি বানান না।’
সবশেষ ২০১৪ সালে গদারের ‘গুডবাই টু ল্যাঙ্গুয়েজ’ ছিল মূল প্রতিযোগিতায়। এটি হাভিয়ের দোলানের ‘মমি’র সঙ্গে যৌথভাবে জুরি প্রাইজ পায়। কানে সব মিলিয়ে গদারের ১৪টি ছবি প্রদর্শিত হয়েছে। ২০১০ সালে আঁ সার্তেন রিগার্দে নির্বাচিত ‘ফ্রিডম ইজ কস্টলি’ নির্বাচিত হলেও অসুস্থতার কারণে কান সৈকতে আসতে পারেননি । তখন তিনি বলেন, ‘এই উৎসবের সঙ্গে আমৃত্যু থাকবো। কিন্তু সশরীরে হয়তো আমাকে পাবেন না।’
ষাটের দশকে চলচ্চিত্র নির্মাণের ছক পুরোপুরি বদলে খ্যাতি কুড়ান গদার। রীতিবিরুদ্ধ সম্পাদনা ও চরিত্রগুলোই হয়ে ওঠে ক্যামেরা— এই হলো তার ছবির চেনা দুটি দিক। তবে বরাবরই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে সংগ্রাম করতে হয়েছে তাকে।
লালগালিচায় গদারের ‘দ্য ইমেজ বুক’ ছবির নেপথ্যের মানুষজনপ্রতিযোগিতা বিভাগের ২১টি ছবির মধ্যে শুক্রবার সাল দুবুসিতে সন্ধ্যা ৭টা, গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা ও সাল বাজিনে রাত সোয়া ৭টা ও রাত ১০টায় ছিল চীনের জিয়া ঝ্যাং-কি পরিচালিত ‘অ্যাশ ইজ পিউরেস্ট হোয়াইট’। এর গল্পে দেখা যায়, স্থানীয় মাস্তান বিনের প্রেমে পড়েছে কিয়াও। প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ে প্রেমিককে বাঁচাতে পিস্তল চালায় এই তরুণী। এ কারণে তাকে পাঁচ বছরের সাজা দেওয়া হয়। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বিনকে খুঁজতে থাকে সে।
এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো কানের মূল প্রতিযোগিতায় স্থান পেলো ৪৮ বছর বয়সী জিয়া ঝ্যাং-কি’র ছবি। ২০১৩ সালের উৎসবে ‘অ্যাট টাচ অব সিন’ ছবির জন্য সেরা চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার পান তিনি।
উৎসবের তৃতীয় দিন রাতে প্রদর্শিত প্রতিযোগিতা বিভাগের ছবি পোল্যান্ডের পাওয়েল পাওলিকোস্কির ‘কোল্ড ওয়ার’ শুক্রবার গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে সকাল সাড়ে ৮টা ও দুপুর ২টায়, সাল দুবুসিতে সকাল সাড়ে ৮টায়, সাল দ্যু সোসানতিয়েমে দুপুর ১২টায় ও অলিম্পিয়ায় রাত ৮টায় ফের দেখানো হয়েছে। ছবিটির পরিচালকসহ কলাকুশলীরা শুক্রবার সকাল ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন।
একই বিভাগে তৃতীয় দিন দেখানো ক্রিস্তফ নুহের ‘সরি অ্যাঞ্জেল’ শুক্রবার সাল দ্যু সোসানতিয়েমে সকাল ৯টায়, গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে সকাল পৌনে ১১টায় ও অলিম্পিয়ায় প্রদর্শিত হয়েছে রাত ১০টায়। এ ছবির পরিচালক ও দুই অভিনেতা শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এসেছিলেন সংবাদ সম্মেলনে।
মাই ফেভারিট ফেব্রিকসিরিয়ার নারী নির্মাতার অভিষেক
সিরিয়ার নারী নির্মাতা গায়া জিজির ‘মাই ফেভারিট ফেব্রিক’ আঁ সার্তেন রিগার্দ বিভাগে দর্শকদের মন জয় করেছে। শুক্রবার সাল দুবুসি থিয়েটারে সকাল ১১টা ও বিকাল পৌনে ৫টায় ছিল এর প্রদর্শনী। এটি গায়ার প্রথম ছবি। তাই তিনি আছেন ক্যামেরা দ’র পুরস্কারের দৌড়ে।
ছবিটির প্রেক্ষাপট ২০১১ সালের বসন্তকালের দামাসকাস। সিরিয়ার রাজধানীতে তখন দানা বাঁধতে শুরু করেছে বিপ্লব। স্বাধীন হওয়ার ইচ্ছে মনে পুষে রাখা ২৫ বছরের তরুণী নাহলার বিয়ে ঠিক হয় আমেরিকা প্রবাসী সামিরের সঙ্গে। এর সুবাদে দেশত্যাগের আশা বুকে বাঁধে মেয়েটি। কিন্তু সামির পছন্দ করে বসে নাহলার ছোট বোন মরিয়মকে। তখন প্রতিবেশী মিসেস জিজির সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে নাহলার। পতিতালয় খুলতে এলাকায় নতুন এসেছেন এই নারী।
এর আগে তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বানিয়ে হাত পাকিয়েছেন গায়া জিজি। ২০১৬ সালে কান উৎসবে ওমেন ইন মোশন প্রাইজ পেয়েছিলেন তিনি। তাকে এটি প্রদান করে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কেরিং।
আঁ সার্তেন রিগার্দ বিভাগে শুক্রবার দুপুর ২টায় ও রাত ১০টায় দেখানো হয় আর্জেন্টিনার লুই ওর্তেগা পরিচালিত ‘দ্য অ্যাঞ্জেল’। এর প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের বুয়েন্স আয়ার্স। ৪৫ বছর ধরে কারাভোগ করতে থাকা কার্লোস রবলেদো পুচের কৈশোর অবলম্বনে তৈরি হয়েছে এটি। আর্জেন্টিনার ইতিহাসে এত বেশি সময় ধরে কারাগারে নেই আর কোনও কয়েদি। এটি ওর্তেগার চার নম্বর ছবি।
এ বিভাগে উৎসবের তৃতীয় দিন প্রদর্শিত অনতোইন দোরোইজার ‘সেক্সটেপ’ শুক্রবার বিকাল ৩টায় সাল বাজিনে ও আলি আব্বাসির ‘বর্ডার’ সাল দ্যু সোসানতিয়েমে বিকাল সাড়ে ৪টায় আবারও দেখানো হয়েছে।লালগালিচায় ‘মাই ফেভারিট ফেব্রিক’ ছবির কলাকুশলীরা
স্পেশাল স্ক্রিনিং

প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে স্পেশাল স্ক্রিনিং বিভাগে সাল দ্যু সোসানতিয়েমে রাত ৮টায় ছিল পোল্যান্ডের রাউল ডি লা ফুয়েন্ত ও ড্যামিয়েন নেনাউ পরিচালিত অ্যানিমেটেড ছবি ‘অ্যানাদার ডে অব লাইফ’। এটি তাদের প্রথম ফিচার ফিল্ম। তাই তারা আছেন ক্যামেরা দ’র পুরস্কারের দৌড়ে। ছবিটি বানাতে ১০ বছর সময় লেগেছে তাদের।
বর্ষীয়ান সাংবাদিক রিশার্ত কাপুশিচকির জীবনের সত্যি ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হয়েছে এর চিত্রনাট্য। ১৯৭৫ সালে অ্যাঙ্গোলায় স্বাধীনতার ঊষালগ্নে সংঘটিত গৃহযুদ্ধ নিয়ে প্রতিবেদন করতে যান তিনি। এটি ছিল আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। তবে অ্যাঙ্গোলা তাকে বদলে দেয়। সেখানে সাংবাদিক হিসেবে গেলেও তিনি পোল্যান্ডে ফিরে আসেন লেখক হয়ে। তাকে নিয়ে গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ লিখেছেন, ‘বিংশ শতাব্দীতে রণাঙ্গনের সবচেয়ে চমৎকার সাংবাদিক।’
অ্যানাদার ডে অব লাইফমিডনাইট সেশনে শুক্রবার রাত ১১টায় ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়ুন জং-বিন পরিচালিত ‘দ্য স্পাই গন নর্থ’। এর প্রেক্ষাপট ১৯৯৩ সাল। সাবেক সেনা কর্মকর্তা পার্ক সুক-ইয়ংকে নিযুক্ত করে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তার কোডনেম দেওয়া হয় ব্ল্যাক ভেনাস। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহ করাই তার লক্ষ্য। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার নেতাদের মন জয় করে ফেলে সে।
একই বিভাগে তৃতীয় দিন রাতে প্রদর্শিত জো পেনার ‘আর্কটিক’ শুক্রবার দুপুর ২টায় সাল দ্যু সোসানতিয়েমে আবারও দেখানো হয়েছে।
ধ্রুপদী ছবি
১৮৯৬ সালে প্রথম ক্যামেরার পেছনে কাজ করেন বিশ্বের কোনও নারী। তিনি হলেন ফ্রান্সের অ্যালিস গি-ব্লাশের। তার ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘বি ন্যাচারাল: দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব অ্যালিস গি-ব্লাশে’ কান ক্ল্যাসিকসে শুক্রবার রাত পৌন ৮টায় দেখানো হয়। এটি পরিচালনা করেছেন মার্কিন নারী নির্মাতা পামেলা বি. গ্রিন।
ছবিটিতে তুলে ধরা হয়েছে অ্যালিসের জীবন ও তার কুড়ি বছরের ক্যারিয়ার। কমেডি, ওয়েস্টার্ন, ড্রামা, শিশু নির্যাতন, অভিবাসী, নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়গুলোও উঠে এসেছিল তার কাজে। শুধু কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেতা-অভিনেত্রী নিয়েও ছবি বানিয়েছিলেন তিনি।
বি ন্যাচারাল দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব অ্যালিস গি-ব্লাশেএকই বিভাগে শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় ‘ব্লো ফর ব্লো’ (১৯৭২) ছবির প্রদর্শনীতে ছিলেন ছবিটির পরিচাক মারিন কারমিৎজ। এতে তুলে ধরা হয়েছে উত্তর ফ্রান্সের এক টেক্সটাইল কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের সংগ্রামের কথা। এবারের আসরে তাকেই দেওয়া হচ্ছে সম্মানসূচক পাম দ’র।
বিকাল ৫টায় ছিল ব্রুস বেরেসফোর্ডের ‘ড্রাইভিং মিস ডেইজি’ (১৯৮৯)। ১৯৯০ সালের অস্কারে এটি ছিল সেনসেশন। মিস ডেইজি চরিত্রে অসামান্য অভিনয়ের সুবাদে অস্কারের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী নারী হিসেবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান জেসিকা ট্যান্ডি। সেরা ছবির সম্মানও এসেছে এর ঘরে। অস্কারে সেরা চিত্রনাট্য ও সেরা মেকআপ পুরস্কারও জিতেছে ‘ড্রাইভিং মিস ডেইজি’। এটি মূলত আলফ্রেড আরির সফল মঞ্চনাটক। এর মাধ্যমে পুলিৎজার পান তিনি। নিজের দাদি লেনা ফক্স ও তার গাড়িচালক উইল কোলম্যানের মধ্যকার বন্ধুত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি নাটকটি লিখেছিলেন।
কান ক্ল্যাসিকসে সকাল ১১টায় ছিল ইঙ্গমার বার্গম্যানের ‘দ্য সেভেন্থ সিল’ (১৯৫৭)। এবার তার জন্মশতবর্ষ উদযাপন করছে কান। এ বিভাগের সব ছবির প্রদর্শনী হয়েছে সাল বুনুয়েল থিয়েটারে।
দ্য বিগ ব্লুসাগরপাড়ের ছবি
কান সৈকতে ‘সিনেমা ডি লা প্লাজ’ বিভাগে রাত সাড়ে ৯টায় দেখানো হয় ফরাসি নির্মাতা লুক বেসনের ‘দ্য বিগ ব্লু’ (১৯৮৮)। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন জ্যঁ রেনো, রোজানা আর্কেট, সার্জিও কাস্তেলিত্তো। ১৯৮৮ সালে এটি ছিল কান উৎসবের উদ্বোধনী ছবি।
ক্রিটিকস উইক
প্যারালাল সেকশনের মধ্যে ক্রিটিকস উইকে স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে থাকা ফ্রান্সের জ্যঁ-বার্নার্ড মারলানের প্রথম ছবি ‘শেহেরাজাদ’ সাল বুনুয়েলে সকাল সাড়ে ৮টায়, এসপেস মিরামারে দুপুর সোয়া ২টা ও রাত ৮টায় দেখানো হয়। তিনি আছেন ক্যামেরা দ’র পুরস্কারের দৌড়ে। এর গল্প ১৭ বছরের তরুণ জাচারিকে ঘিরে। জেল থেকে বেরোনোর পর মা তাকে অস্বীকার করেন। এরপর মার্সাইয়ের পথের ধারে জীবন কাটতে থাকে তার। সেখানেই শেহেরাজাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
পর্তুগালের গ্যাব্রিয়েল অব্রান্তেস ও আমেরিকার ড্যানিয়েল শ্মিটের ‘দিয়ামান্তিনো’ এসপেস মিরামারে সকাল সাড়ে ১১টা, বিকাল সোয়া ৫টায় ও রাত সাড়ে ১০টায় প্রদর্শিত হয়। ক্যামেরা দ’র পুরস্কার জয়ের লড়াইয়ে রয়েছেন তারাও। তাদের ছবির গল্প ফুটবল তারকা দিয়ামান্তিনোকে ঘিরে। দক্ষতা খুঁইয়ে বাজেভাবে ক্যারিয়ারের ইতি টানতে হয় তাকে। এরপর শরণার্থী সংকটে পড়ে সে।
একই বিভাগে উৎসবের তৃতীয় দিন দেখানো ক্যামিল ভিদাল নাকে পরিচালিত প্রথম ছবি ‘সভেজ’ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় এসপেস মিরামারে আবারও দেখানো হয়েছে।
ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট
কানের আরেক প্যারালাল সেকশন ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটে শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টা ও সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ব্রাজিলের বিয়াট্রিজ সেইনারের ‘দ্য সাইলেন্সেস’। ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও পেরুর সীমান্ত আমাজোনিয়া দ্বীপের মধ্যভাগে আশ্রয় নিয়েছে ১২ বছরের নুরিয়া, ৯ বছরের ফাবিও ও তাদের মা। এক সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে পালিয়ে এসেছে তারা। ওই ঘটনায় নুরিয়া ও ফাবিওর বাবা নিখোঁজ হন। একদিন নতুন বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু পরিবারটি এই অদ্ভুত রহস্য উন্মোচনের পর আবিষ্কার করে, দ্বীপটিতে অশরীরী আত্মার ছড়াছড়ি।
একই বিভাগে সকাল সাড়ে ১১টা ও রাত সাড়ে ১০টায় দেখানো হয় ফ্রান্সের মারি মঞ্জের ‘ট্রিট মি লাইক ফায়ার’। তিনি আছেন ক্যামেরা দ’র পুরস্কারের দৌড়ে। তার ছবির গল্পে দেখা যায়, প্যারিসে এলা ও আবেলের মধ্যে নিছক বাজি থেকে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু একসময় তা পরিণত হয় নিষ্ঠুর আবেগে।
উৎসবে তৃতীয় দিন ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটে প্রদর্শিত স্টেফানো সেভোনার ‘সামুনি রোড’ শুক্রবার বিকাল পৌনে ৩টায় আবারও দেখানো হয়েছে। এ বিভাগের ছবিগুলোর প্রদর্শনী হচ্ছে জেডব্লিউ ম্যারিয়টের থিয়েটার ক্রজেটে।
এসিড
মুক্ত ছবি ও এর পরিবেশনার সংগঠন এসিড বিভাগে আলেকসঁদ থ্রি’তে সকাল সাড়ে ১১টায় ‘মিরিন্ডা বিফোর ডন’, দুপুর ২টায় পেদ্রো ক্যাবেলেইরা পরিচালিত ‘ভেরাও দানাদো’ ও বিকাল সাড়ে ৪টায় ছিল ক্যারোলিন ক্যাপেল ও অমব্লিন লে পরিচালিত ‘ইন দ্য মাইটি জঙ্গল’। একই বিভাগে শুক্রবার স্টুডিও থার্টিনে সকাল সাড়ে ১১টা ও লে আর্কেডস ওয়ান অ্যান্ড টু’তে রাত ৮টায় দেখানো হয় মারি লসিয়ারের ‘ক্যাসান্দ্রো দ্য এক্সাটিকো!’।

/জেএইচ/এমএম/

লাইভ

টপ