কান উৎসবে এবার এশিয়ার অবস্থান কেমন?

Send
বিনোদন রিপোর্ট, কান (ফ্রান্স) থেকে
প্রকাশিত : ০০:০১, মে ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:০৩, মে ২৪, ২০১৯

ফটোকলে ‘প্যারাসাইট’ টিম


দুনিয়ার বাঘা বাঘা নির্মাতাদের টেক্কা দিয়ে গত বছর স্বর্ণ পাম জেতেন এশিয়ার জাপানি পরিচালক হিরোকাজু কোরি-ইদা। ৭১তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা হয়েছে তার বানানো ‘শপলিফটারস’। কানের ৭২তম আসরে এশীয় তারকা ও নির্মাতাদের সরব উপস্থিতি লক্ষণীয়। অফিসিয়াল সিলেকশনের প্রতিটি বিভাগে আছে এই অঞ্চলের ছবি। মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ২১টি ছবির মধ্যে এশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করছে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার একটি করে ছবি।

উৎসবের অষ্টম দিনে রাত ১০টায় গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার বন জুন হো পরিচালিত ‘প্যারাসাইট’ ছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনী। একই দিন সাল বাজিনে রাত সোয়া ১০টায় সাংবাদিকদের দেখানো হয় এটি। স্বর্ণ পামের দৌড়ে অন্যতম দাবিদার ভাবা হচ্ছে ‘প্যারাসাইট’কে। সমালোচনা এই ছবি দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। এর গল্প চার সদস্যের একটি পরিবারকে ঘিরে। তাদের সবাই বেকার। পাশের বাড়ির ওয়াইফাই গোপনে ব্যবহারের চেষ্টা করে তারা। ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মালিকের বাড়িতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ঢোকে তারা।
বন জুন হো’র ‘দ্য হোস্ট’ ২০০৬ সালে কানের প্যারালাল বিভাগ ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটে স্থান পায়। ২০০৮ সালে মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ছিল তার ‘শেকিং টোকিও’, ২০০৯ সালে আঁ সাঁর্তে রিগারে ‘মাদার’ ও ২০১৭ সালে ‘ওকজা’ ছিল কানের প্রতিযোগিতা বিভাগে।
দ্য ওয়াইল্ড গুজ লেকউৎসবের পঞ্চম দিন বিকাল সাড়ে ৪টায় গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে চীনের ডিয়াও ইনান পরিচালিত ‘দ্য ওয়াইল্ড গুজ লেক’ ছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়। এর গল্পে দেখা যায়, অপরাধ জগতের এক নেতা মুক্তি পেতে পালাচ্ছে। অন্যদিকে একটি মেয়ে স্বাধীনতার জন্য ঝুঁকির পথে পা বাড়ায়। তারা চূড়ান্ত এক জুয়ায় নামে। হয়তো সেটাই তাদের শেষ দিন। ষষ্ঠ দিন সাল দ্যু সোসানতিয়েম সকাল সাড়ে ৮টা, গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে দুপুর সোয়া ১টা ও পালে দে ফেস্তিভাল ভবনের বাইরে অলিম্পিয়া প্রেক্ষাগৃহে রাত ৮টায় ফের দেখানো হয় ‘দ্য ওয়াইল্ড গুজ লেক’।
নিনা উআঁ সাঁর্তে রিগার বিভাগেও এশিয়ার দুটি ছবি স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে তাইওয়ানের মিদি জি পরিচালিত ‘নিনা উ’ উৎসবের ষষ্ঠ দিন সাল দুবুসিতে বিকাল সাড়ে ৪টায় প্রদর্শিত হয়েছে। এর গল্প একটি মেয়েকে ঘিরে। অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্নপূরণের জন্য ছোট মঞ্চনাটকের দল ছেড়ে বড় শহরে পা রাখে সে। কিন্তু তার অপেক্ষা যেন শেষ হওয়ার নয়। একদিন সত্তর দশকের গোয়েন্দাধর্মী ছবিতে নায়িকার চরিত্র পায় নিনা। কিন্তু বহুল প্রতীক্ষিত খ্যাতি পাওয়ার পর থেকে অপ্রীতিকর ও দুর্ভাগ্য তাকে তাড়া করে ফেরে।
সামার অব চ্যাংশাচীনের জু ফেঙ পরিচালিত প্রথম ছবি ‘সামার অব চ্যাংশা’ উৎসবের নবম দিনে সাল দুবুসিতে বিকাল সোয়া ৪টায় দেখানো হয়। এর গল্পে দেখা যায়, পুলিশের গোয়েন্দা ছিল বিন। খুনের তদন্ত করার সময় সার্জন লি জু’র সঙ্গে তার পরিচয়। একসময় রহস্যময়ী এই নারীর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে বিন। এর আগেই উভয়ের জীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে।
ফটোকলে ‘দ্য গ্যাংস্টার, দ্য কপ, দ্য ডেভিল’ টিমঅফিসিয়াল সিলেকশনে আউট অব কম্পিটিশনে আছে দক্ষিণ কোরিয়ার লি ওন-তায়ের ‘দ্য গ্যাংস্টার, দ্য কপ, দ্য ডেভিল’। উৎসবের নবম দিনে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে নির্বাচিত জার্মান সিনেমা-গুরু ওয়ার্নার হারজগের ‘ফ্যামিলি রোম্যান্স, এলএলসি’র অভিনয়শিল্পীরা সবাই জাপানের।
শিক্ষার্থী নির্মাতাদের বিভাগ সিনেফঁদাসোর ২২তম আসরে নির্বাচিত ১৭টি ছবির মধ্যে এশিয়ার আছে দুটি। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী চকি লিনের ‘অ্যাডাম’ ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব আর্টসের শিক্ষার্থী ইয়ন জেগওয়াঙের ‘অ্যালিয়েন’ আছে তালিকায়। তবে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির প্রতিযোগিতায় এবার নেই এশিয়া।
এশিয়ার দেশ কম্বোডিয়ার গুণী নির্মাতা রীতি পান এবার ক্যামেরা দ’র বিভাগের জুরি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৪ সালে তার প্রথম ছবি ‘দ্য রাইস পিপল’ ছিল প্রতিযোগিতা বিভাগে। ওইবার সোনার ক্যামেরা জেতেন তিনি। কানের আউট অব কম্পিটিশনে ২০০৩ সালে তার পরিচালিত ‘এস টোয়েন্টি ওয়ান দ্য খেমার রুজ কিলিং মেশিন’ ও ২০০৫ সালে ‘দ বার্নট থিয়েটার’ দেখানো হয়। ২০১৩ সালে আঁ সার্তে রিগার বিভাগে জয়ী হয় রীতি পানের ‘দ্য মিসিং পিকচার’।
সিনেমা ডি লা প্লাজ ও মাস্টারক্লাস
উৎসবের অষ্টম দিনে রাত সাড়ে ৯টায় সাগরপাড়ে সিনেমা ডি লা প্লাজে ছিল ‘ক্রাউচিং টাইগার, হিডেন ড্রাগন’। পালে দে ফেস্তিভালের অদূরে ম্যাসি সৈকতে খোলা আকাশের নিচে এ সময় ছিলেন ছবিটির অভিনেত্রী চীনা তারকা জ্যাঙ জিয়ি। গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকাল সাড়ে ৪টায় সাল বুনুয়েলে মাস্টারক্লাসে অংশ নেন তিনি।
কুড়ি বছরের ক্যারিয়ারে জ্যাঙ জিয়ির ঝুলিতে আছে জ্যাঙ ইমুর ‘দ্য রেড হোম’ (১৯৯৯), ‘হিরো’ (২০০২) ও কানের আউট অব কম্পিটিশনে থাকা ‘হাউস অব ফ্লাইং ড্যাগারস’ (২০০৪),আউট অব কম্পিটিশনে প্রদর্শিত অ্যাঙ লি’র ‘ক্রাউচিং টাইগার, হিডেন ড্রাগন’ (২০০০), কানের প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত ওঙ কার-ওয়াই পরিচালিত ‘২০৪৬’ (২০০৪) ও ‘দ্য গ্র্যান্ডমাস্টার’ (২০১৩), প্রতিযোগিতা বিভাগে স্থান পাওয়া লু ই’র ‘পারপল বাটারফ্লাই’ (২০০৩), রব মার্শালের ‘মেমোয়ার্স অব অ্যা গেইশা’ (২০০৫), জিন ইমেঙের ‘সোফিস রিভেঞ্জ’ (২০০৯) প্রভৃতি। ২০০৬ সালে কানের মূল প্রতিযোগিতা ও ২০০৯ সালে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সিনেফঁদাসো বিভাগের বিচারক প্যানেলে রাখা হয় তাকে।
দ্য বিয়ারস ফেমাস ইনভেশন অব সিসিলিআঁ সাঁর্তে রিগার
অফিসিয়াল সিলেকশনের এই বিভাগে বুধবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৮টা ও রাত ৮টায় ছিল ইতালির লরেঞ্জো মাত্তোত্তির অ্যানিমেটেড ছবি ‘দ্য বিয়ারস ফেমাস ইনভেশন অব সিসিলি’। গল্পের শুরুতে ভালুক রাজার ছেলে টনিওকে অপহরণ করে সিসিলীয় পর্বতের কিছু শিকারি। তাকে উদ্ধারের জন্য বেরিয়ে এগোতে এগোতে ভালুক রাজা দেখে, এই রাজ্যে আরও প্রাণী আছে।
স্পেনের অলিভার লাচে পরিচালিত প্রথম ছবি ‘ফায়ার উইল কাম’ বুধবার সকাল ১১টা ও দুপুর ২টায় প্রদর্শিত হয়েছে। এর গল্পে দেখা যায়, অগ্নিকাণ্ডের কারণে কারাভোগ শেষে বেরিয়ে আসে আমাদর কোরো। কিন্তু কেউ তার জন্য অপেক্ষা করেনি। পাহাড়ঘেরা ছোট্ট গ্রামে বৃদ্ধা মা বেনেডিক্টার কাছে আসে সে। তিনটি গরু নিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে ভালোই চলছিল তাদের। কিন্তু একরাতে অঞ্চলটি ধ্বংস করে আগুন।
ফায়ার উইল কামএ দুটি ছবির প্রদর্শনী হয়েছে সাল দুবুসিতে। একই বিভাগে উৎসবের সপ্তম দিন প্রিমিয়ার হওয়া মরক্কোর নারী নির্মাতা মরিয়ম তুজানির ‘অ্যাডাম’ বুধবার (২১ মে) বিকাল পৌনে ৩টায় সাল বাজিনে আবারও দেখানো হয়। এছাড়া ষষ্ঠ দিন প্রিমিয়ার হওয়া ব্রাজিলিয়ান নির্মাতা করিম আইনুজের ‘দ্য ইনভিজিবল লাইফ অব ইউরিজিসি গুজমাও’ বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় সাল দ্যু সোসানতিয়েমে আবারও দেখানো হয়।অ্যাডাম
ফ্রাঙ্কিপ্রতিযোগিতা ও প্রতিযোগিতার বাইরে
প্রতিযোগিতা বিভাগে আগে প্রিমিয়ার হওয়া মার্কিন নারী নির্মাতা আইরা সাকসের ‘ফ্রাঙ্কি’ গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে সকাল সাড়ে ৮টা ও সাল দ্যু সোসানতিয়েমে রাত ৯টায় ফের দেখানো হয়। পালে দে ফেস্তিভাল ভবনের সাল বাজিনে বুধবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় প্রতিযোগিতা বিভাগে থাকা স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির প্রদর্শনী হয়েছে। সাল বুনুয়েলে দুপুর আড়াইটায় ছিল শিক্ষার্থীদের বিভাগ সিনেফঁদাসোর আয়োজন। সাল দ্যু সোসানতিয়েমে উৎসবের অষ্টম দিন বিকাল ৩টায় উঠতি প্রতিভাবানদের বিভাগ ট্যালেন্টস আদামি কানের প্রদর্শনী হয়েছে।

দ্য গুড টাইমসপ্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে বুধবার সকাল ১১টায় গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে ফের দেখানো হয় আউট অব কম্পিটিশনে আগে প্রিমিয়ার হওয়া ফ্রান্সের নিকোলা বোদোসের ‘দ্য গুড টাইমস’। অষ্টম দিনে সাল দ্যু সোসানতিয়েমে সকাল পৌনে ১১টায় স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে নির্বাচিত আবেল ফেরেরার ‘টমাসো’ ও আউট অব কম্পিটিশনে থাকা মেক্সিকান অভিনেতা গায়েল গার্সিয়া বার্নাল পরিচালিত দ্বিতীয় ছবি ‘চিকোয়ারোতেস’ ফের দেখা গেছে দুপুর ১টায়।
কান ক্ল্যাসিকস
ধ্রুপদী ছবির এই আয়োজনে উৎসবের অষ্টম দিন পালে দে ফেস্তিভাল ভবনের সাল বুনুয়েল থিয়েটারে সকাল ১১টায় ছিল চীনের তাও জিনের ‘ডায়েরি অব অ্যা নার্স’ (১৯৫৭)। একই ভেন্যুতে বিকাল ৪টায় দেখানো হয় জ্যঁ গ্রেমিয়নের ‘দ্য স্কাই ইজ ইউরস’ (১৯৪৩)। এছাড়া সন্ধ্যা ৭টায় ছিল লুই বুনুয়েলের ‘দ্য গোল্ডেন এজ’ (১৯৩০)।
ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট
ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি আয়োজিত ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট কানের প্যারালাল বিভাগ। এতে বুধবার (২১ মে) সকাল পৌনে ৯টা ও রাত ৯টায় ছিল ফিনিশ নির্মাতা ইয়ুক্কা-পেক্কা বলকেয়াপার ‘ডগস ডোন্ট ওয়্যার প্যান্টস’। এতে প্রিয়জন হারানো, ভালোবাসা ও মিষ্টি ব্যথার অনুভূতি তুলে ধরেছেন তিনি।
উৎসবের অষ্টম দিন দুপুর পৌনে ১২টায় দেখানো হয় তিউনিসিয়ার আলা আদিন স্লিম পরিচালিত ‘তিলামেস’। তিউনিসিয়ার দক্ষিণ মরুভূমিতে কাজ করে তরুণ সৈনিক এস। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে এক সপ্তাহের ছুটিতে গিয়ে আর ক্যাম্পে ফেরে না সে। কয়েক বছর পর একজন শিল্পপতিকে বিয়ে করে তরুণী এফ। একদিন সকালে বনে একা হাঁটতে গিয়ে আর ফিরে আসে না মেয়েটি।
আর্জেন্টাইন নির্মাতা আলেহো মোগিয়ানস্কির ‘ফর দ্য মানি’ দেখানো হয় বুধবার বিকাল ৩টায়। দুঃসময় কাটানো আর্জেন্টিনার অভিনয়শিল্পী, নৃত্যশিল্পী, সংগীতশিল্পী, নির্মাতা ও একটি মেয়ের দলকে ঘিরে এর গল্প। লাতিন আমেরিকায় ট্যুরে বের হয় তারা।
স্যুমেন দ্যু লা ক্রিতিক
চলচ্চিত্র সমালোচকদের আয়োজনে কানের এই প্যারালাল বিভাগে হোটেল মিরামারে মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুর পৌনে ১২টা, বিকাল সোয়া ৫টা ও রাত সাড়ে ১০টায় বেলজিয়াম-গুয়াতেমালান নির্মাতা সিজার ডায়াজের ‘আওয়ার মাদারস’। এর প্রেক্ষাপট ২০১৮ সালের গুয়াতেমালা। দেশটিতে গৃহযুদ্ধ সৃষ্টিকারী সামরিক কর্মকর্তাদের কারণে নাগরিক অধিকার খর্ব হচ্ছে। যেসব মানুষ নিখোঁজ হয় তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালায় ফরেনসিক ফাউন্ডেশনের তরুণ নৃতত্ত্ববিদ এরনেস্তো। একদিন একজন বৃদ্ধার গল্পের মাধ্যমে তার মনে হয়, যুদ্ধে নিখোঁজ নিজের বাবাকে খুঁজে বের করতে পারবে।
এ বিভাগে উৎসবের সপ্তম দিন প্রিমিয়ার হওয়া আলজেরিয়ান বংশোদ্ভুত ফরাসি নির্মাতা আমিন সিদি বুমেদিয়েনের ‘আবু লিলা’ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৮টায় আবারও দেখানো হয়। এছাড়া দুপুর সোয়া ২টা ও রাত ৮টায় ছিল প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের বিশেষ প্রদর্শনী।
আবু লিলাএসিড
কান উৎসবের আরেক প্যারালাল বিভাগ এসিডে বুধবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় স্টুডিও থার্টিনে ও রাত ৮টায় আর্কেডস প্রেক্ষাগৃহে ছিল উৎসবের চতুর্থ দিন দেখানো ‘সলো’। আলেকসঁন্দ থ্রি থিয়েটারে দুপুর ২টায় ছিল উৎসবের চতুর্থ দিন প্রদর্শিত ‘বার্নিং গোস্ট’।
* ফ্রান্সের সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের পাঠকদের চার ঘণ্টা যোগ করে নিতে হবে।

/জেএইচ/এমএম/

লাইভ

টপ