শুভ জন্মদিন: কুমার বিশ্বজিৎ ও চঞ্চল চৌধুরী

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১০:০৪, জুন ০১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২১, জুন ০১, ২০১৯

কুমার বিশ্বজিৎ ও চঞ্চল চৌধুরীগান ও অভিনয়ের দুই রাজপুত্রের জন্মদিন আজ (১ জুন)। ১৯৬৩ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ। আর ১৯৭৪ সালের এই দিনে পাবনা জেলার কামারহাট গ্রামে জন্ম নেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।
গান আর অভিনয়ের দুই অধ্যায়ে তারা দুজনই অবস্থান করছেন ঈর্ষণীয় অবস্থানে।
কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, ‌‘এবারের জন্মদিন আমার জন্য সবচেয়ে আনন্দের। কারণ, এবারই প্রথম আমার ছেলে নিবিড় জন্মদিন উপলক্ষে টাকা জমিয়ে কেক কিনে এনে আমাকে সারপ্রাইজ দিয়েছে। রাত ১২টা ১ মিনিটে কেক কেটে আমাকে খাইয়েছে। এটা আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি ঘটনা।’
এদিকে কুমার বিশ্বজিতের জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশ পেয়েছে নতুন একটি গান-ভিডিও। নাম ‌‘রস কইয়া বিষ খাওয়াইলো’।


কুমার বিশ্বজিতের সংগীতের শুরুটা চট্টগ্রাম থেকে ব্যান্ডের মাধ্যমে। পরে মন বসান একক ক্যারিয়ারে। পাড়ি জমান ঢাকায়। ‘তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে’ গান দিয়ে ক্যারিয়ারের শুরুতেই কুমার বিশ্বজিৎ পেয়েছিলেন জনপ্রিয়তার খ্যাতি। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বাংলা আধুনিক কিংবা চলচ্চিত্রের গানে দীর্ঘ চার দশক ধরে নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেছেন।
কুমার বিশ্বজিৎকে কেক খাইয়ে দিচ্ছেন নিবিড় কুমারঅন্যদিকে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী জানান, তার জন্মদিন উপলক্ষে বাবা-মা এসেছেন পাবনা থেকে ঢাকায়। বাবা-মা, স্ত্রী ও ছেলে মিলে গতকাল রাত ১২টায় কেক কেটে জন্মদিন পালন করেন।
অন্যদিকে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নজির গঞ্জ ইউনিয়নের কামারহাট গ্রামে ১৯৭৪ সালের ১ জুন জন্মগ্রহণ করেন চঞ্চল চৌধুরী। গ্রামের স্কুল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক এবং রাজবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করেন। উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় ভর্তি হন।
ছোটবেলা থেকেই তার গানবাজনা, আবৃত্তি আর নাটকের প্রতি নেশা ছিল। পরে তার মঞ্চনাটকের প্রতি একটা আগ্রহ সৃষ্টি হয়। মামুনুর রশীদের আরণ্যক নাট্যদলে কাজ করার মধ্যদিয়েই অভিনয় জীবনের শুরু হয়। মামুনুর রশীদের লেখা ‘সুন্দরী’নাটকে ছোট একটি চরিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘তাল পাতার সেপাই’ নাটক দিয়ে দর্শকের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন এ মঞ্চ অভিনেতা। তারপর থেকেই তিনি মঞ্চের পাশাপাশি বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন টিভি ও চলচ্চিত্রে। তিনি ২০০৯ সালে গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ ছবিতে এবং মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত টেলিভিশন ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হন। এরপর ‘আয়নাবাজি’ ও ‌‘দেবী’ সিনেমা দিয়ে বাজিমাত করেন।

/এমএম/

লাইভ

টপ