কানের অফিসিয়াল সিলেকশনে ১০ বছরে কোন দেশের কয়টি ছবি

Send
জনি হক, কান (ফ্রান্স) থেকে ফিরে
প্রকাশিত : ১৬:১৩, জুন ০৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৮, জুন ০৫, ২০১৯

কান উৎসবের পতাকা৭২ বছর আগের কথা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির পর জন্ম নেয় একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। সেটাই পরবর্তী সময়ে হয়ে ওঠে বিশ্ব সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এখন আমরা এই আয়োজনকে কান চলচ্চিত্র উৎসব হিসেবে জানি। ১৯৪৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় প্রথম কান উৎসব। এটি এখন বিশ্বমানের আয়োজন। প্রতি বছর নতুন নতুন ছবি দেখতে পৃথিবীর নামিদামি তারকারা ঝাঁক বেঁধে যান দক্ষিণ ফরাসি উপকূলে।
গত ১৪ মে শুরু হয়েছিল কান উৎসবের ৭২তম আসর। এবারও প্রতিযোগিতা বিভাগ, আঁ সার্তে রিগার, প্রতিযোগিতার বাইরের বিভাগ (আউট অব কম্পিটিশন), বিশেষ প্রদর্শনীতে (স্পেশাল স্ক্রিনিংস ও মিডনাইট স্ক্রিনিংস) দারুণ সব ছবি দেখানো হয়। এগুলোই আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক বিভাগ।
২০১০ সাল থেকে গত ১০ বছরে কান উৎসবের অফিসিয়াল সিলেকশনে কোন দেশের কয়টি ছবি স্থান পেয়েছে তা ফিরে দেখা যাক। পরিচালকের দেশের ওপর ভিত্তি করেই তুলে ধরা হলো এই তালিকা।
প্যারাসাইট (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৭২তম আসর)২০১৯ (৭২তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭২তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ১৪ মে থেকে ২৫ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১৩টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বাধিক দুটি করে ছবি ছিল চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার।
প্রতিযোগিতা বিভাগ: যুক্তরাষ্ট্রের চারটি (দ্য ডেড ডোন্ট ডাই, ফ্রাঙ্কি, অ্যা হিডেন লাইফ, ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন…হলিউড), ফ্রান্সের তিনটি (ওহ মার্সি!, পোর্ট্রেট অব অ্যা লেডি অন ফায়ার, সিবল); ব্রাজিল (বাকুরাউ), সেনেগাল (আটলান্টিক), মালি (ল্যঁ মিজারেবলস), ফিলিস্তিন (ইট মাস্ট বি হ্যাভেন), অস্ট্রিয়া (লিটল জো), কানাডা (ম্যাথিয়াস অ্যান্ড ম্যাক্সিম), বেলজিয়াম (ইয়াং আহমেদ), চীন (দ্য ওয়াইল্ড গুজ লেক), রোমানিয়া (দ্য হুইজলার্স), যুক্তরাজ্য (সরি উই মিসড ইউ), তিউনিসিয়া (মেকতুব, মাই লাভ: ইন্টারমেজো), স্পেন (পেইন অ্যান্ড গ্লোরি), ইতালির (দ্য ট্রেইটর) ও দক্ষিণ কোরিয়ার একটি করে ছবি। এর মধ্যে পাম দ’র জিতেছে দক্ষিণ কোরিয়ার বঙ জুন-হো পরিচালিত ‘প্যারাসাইট’। এই বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন মেক্সিকান নির্মাতা আলেহান্দ্রো গঞ্জালেজ ইনারিতু।
আঁ সাঁর্তে রিগার: ফ্রান্সের চারটি (দ্য শোয়ালোজ অব কাবুল, পাপিশা, জোয়ান অব আর্ক, অন অ্যা ম্যাজিক্যাল নাইট), যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি (বুল, দ্য ক্লাইম্ব, পোর্ট অথরিটি), রাশিয়া (বিনপোল, ওয়ান্স ইন ত্রুবচেভস্ক) ও স্পেনের (ফায়ার উইল কাম, ফ্রিডম) দুটি করে; চীন (সামার অব চেংশা), তাইওয়ান (নিনা উ), মরক্কো (আদম), ইউক্রেন (হোমওয়ার্ড), ইতালি (দ্য বিয়ারস ফেমাস ইনভেশন অব সিসিলি), কানাডা (অ্যা ব্রাদার’স লাভ) ও ব্রাজিলের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান নির্মাতা করিম আইনুজের ‘দ্য ইনভিজিবল লাইফ অব ইউরিজিসি গুজমাও’। এই বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন লেবানিজ নির্মাতা নাদিন লাবাকি।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে ফ্রান্সের তিনটি (দ্য গুড টাইমস, দ্য বেস্ট ইয়ারস অব লাইফ, দ্য স্পেশালস), যুক্তরাজ্যের দুটি (রকেটম্যান, ডিয়েগো ম্যারাডোনা) ও যুক্তরাষ্ট্রের (টু ওল্ড টু ডাই ইয়াং) একটি করে ছবি। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে দক্ষিণ কোরিয়া (দ্য গ্যাংস্টার, দ্য কপ, দ্য ডেভিল) ও ফ্রান্সের (লুক্স এতেরনা) একটি করে ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি (ফাইভবি, আইস অন ফায়ার, শেয়ার), মেক্সিকো (চিকুয়ারোতস), জার্মানি (ফ্যামিলি রোম্যান্স, এলএলসি), সিরিয়া-যুক্তরাজ্য (ফর সামা), চিলি (দ্য কর্ডিলেরা অব ড্রিমস), আর্জেন্টিনা (লেট ইট বি ল), ইতালি (টমাসো) ও ফ্রান্সের (লিভিং অ্যান্ড নোইং ইউ আর অ্যালিভ) একটি করে ছবি।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ফ্রান্স (দ্য জাম্প, অ্যান্ড দেন দ্য বিয়ার), আর্জেন্টিনা (মনস্টার গড, দ্য ন্যাপ) ও ইসরায়েলের (আনা, বাটারফ্লাইস) দুটি করে; আলবেনিয়া (দ্য ভ্যান),  ফিনল্যান্ড (অল ইনক্লুসিভ), সুইডেন (হু টকস), যুক্তরাষ্ট্র (হোয়াইট ইকো) ও গ্রিসের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে গ্রিসের ভাসিলিস কেকাতোস পরিচালিত ‘দ্য ডিসট্যান্স বিটউইন আস অ্যান্ড দ্য স্কাই’। এই বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন ফরাসি নারী নির্মাতা ক্লেয়ার ডেনিস।
শপলিফটারস (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৭১তম আসর)২০১৮ (৭১তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭১তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালের ৮ মে থেকে ১৯ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১৩টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার মধ্যে চীনের সর্বাধিক চারটি ছবি ছিল।
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্সের পাঁচটি (অ্যাট ওয়ার, গার্লস অব দ্য সান, নাইফ+হার্ট, সরি অ্যাঞ্জেল, দ্য ইমেজ বুক); জাপান (আসাকো ওয়ান অ্যান্ড টু, শপলিফটার্স), যুক্তরাষ্ট্র (ব্ল্যাকক্ল্যান্সম্যান, আন্ডার দ্য সিলভার লেক) ও ইতালির (ডগম্যান, হ্যাপি অ্যাজ ল্যাজারো) ও ইরানের (থ্রি ফেসেস, এভরিবডি নৌস) দুটি করে; চীন (অ্যাশ ইজ পিউরেস্ট হোয়াইট), দক্ষিণ কোরিয়া (বার্নিং), লেবানন (কেপারনম), মিসর (ইওমেদিন), কাজাখস্তান (আইকা), পোল্যান্ড (কোল্ড ওয়ার), রাশিয়া (লেটো), তুরস্কের (দ্য ওয়াইল্ড পিয়ার ট্রি) একটি করে ছবি। এর মধ্যে পাম দ’র জেতে জাপানের কোরি ইদা-হিরোকাজুর ‘শপলিফটারস’। এই বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন অস্কারজয়ী অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী কেট ব্ল্যানচেট।
আঁ সাঁর্তে রিগার: ফ্রান্সের তিনটি (অ্যাঞ্জেল ফেস, লিটল টিকেলস, সেক্সটেপ), আর্জেন্টিনা (দ্য অ্যাঞ্জেল, মার্ডার মি মনস্টার) ও বেলজিয়ামের (সোফিয়া, গার্ল) দুটি করে; ভারত (মান্টো), চীন (লং ডেজ জার্নি ইন্টু নাইট), সিরিয়া (মাই ফেভারিট ফ্রেব্রিক), জার্মানি, ইতালি (ইউফোরিয়া), কেনিয়া (রাফিকি), ব্রাজিল (দ্য ডেড অ্যান্ড দ্য আদারস), পর্তুগাল, ইউক্রেন (ডনবাস), দক্ষিণ আফ্রিকার (দ্য হার্ভেস্টারস) ও সুইডেনের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে ইরানি বংশোদ্ভূত সুইডিশ নির্মাতা আলি আব্বাসির ‘বর্ডার’। এই বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন পুয়ের্তোরিকান অভিনেতা বেনিসিও দেল তোরো।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি (গট্টি, সলো: অ্যা স্টার ওয়ারস স্টোরি), ফ্রান্স (সিঙ্ক অর সুইম), যুক্তরাজ্য (দ্য ম্যান হু কিল্ড ডন কিহোটে) ও ডেনমার্কের (দ্য হাউস দ্যাট জ্যাক বিল্ট) একটি করে ছবি। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে দক্ষিণ কোরিয়া (দ্য স্পাই গন নর্থ), যুক্তরাষ্ট্র (ফারেনহাইট ৪৫১), যুক্তরাজ্য (হুইটনি) ও আইসল্যান্ডের (আর্কটিক) একটি করে ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে ফ্রান্সের তিনটি (অন দ্য রোড ইন ফ্রান্স, টু দ্য ফোর উন্ডস, দ্য স্টেট অ্যাগেইনস্ট ম্যান্ডেলা অ্যান্ড দ্য আদারস); চীন (ডেড সৌলস), জার্মানি (পোপ ফ্রান্সিস: অ্যা ম্যান অব হিজ ওয়ার্ড), ব্রাজিল (দ্য গ্রেট মিস্টিক্যাল সার্কাস), থাইল্যান্ড (টেন ইয়ারস থাইল্যান্ড), পোল্যান্ড-স্পেনের (অ্যানাদার ডে অব লাইফ) একটি করে ছবি।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ইরান (তারিকি), চীন (অন দ্য বর্ডার), জাপান (ডুয়েলিটি), ফিলিপাইন (জাজমেন্ট), যুক্তরাষ্ট্র (ক্যারোলিন), পোল্যান্ড (থ্রি), ফ্রান্স (গ্যাব্রিয়েল) ও অস্ট্রেলিয়ার একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার চার্লস উইলিয়ামস পরিচালিত ‘অল দিস ক্রিয়েচার্স’। এই বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন ফরাসি নির্মাতা বার্ট্রান্ড বোনেলো।
স্কয়ার (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৭০তম আসর)২০১৭ (৭০তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭০তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ১৭ মে থেকে ২৮ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১৮টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বাধিক পাঁচটি ছবি দেখা গেছে তালিকায়।
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্স (ডাবল লাভার, বিপিএম-বিটস পার মিনিট, রিডাউটেবল, রদাঁ) ও যুক্তরাষ্ট্রের (দ্য বিগাইল্ড, গুড টাইম, দ্য মেয়ারোউইৎজ স্টোরিস, ওয়ান্ডারস্ট্রাক) চারটি করে, দক্ষিণ কোরিয়ার (দ্য ডে আফটার, ওকজা) দুটি; জার্মানি (ইন দ্য ফেড), অস্ট্রিয়া (হ্যাপি এন্ড), জাপান (র‌্যাডিয়েন্স), ইউক্রেন (অ্যা জেন্টেল ক্রিয়েচার), হাঙ্গেরি (জুপিটার’স মুন), গ্রিস (দ্য কিলিং অব অ্যা স্যাক্রেড ডিয়ার), রাশিয়া (লাভলেস), স্কটল্যান্ড (ইউ ওয়্যার নেভার রিয়েলি হিয়ার) ও সুইডেনের একজন করে নির্মাতার ছবি। এর মধ্যে স্বর্ণ পাম জেতে সুইডিশ নির্মাতা রুবেন অস্টলান্ডের ‘দ্য স্কয়ার’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন স্প্যানিশ নির্মাতা পেদ্রো আলমোদোভার।
আঁ সাঁর্তে রিগার: ফ্রান্সের চারটি (আফটার দ্য ওয়ার, বারবারা, মোপার্নাস বিয়াভেন্যু, দ্য ওয়ার্কশপ), আর্জেন্টিনার দুটি (দ্য ডেজার্ট ব্রাইড, দ্য সামিট); চীন (ওয়াকিং পাস্ট দ্য ফিউচার), জাপান (বিফোর উই ভ্যানিশ), তিউনিসিয়া (বিউটি অ্যান্ড দ্য ডগস), আলজেরিয়া (আনটিল দ্য বার্ডস রিটার্ন), মেক্সিকো (এপ্রিল’স ডটার), রাশিয়া (ক্লোজনেস), বুলগেরিয়া (ডিরেকশন্স), ইতালি (ফরচুনাটা), জার্মানি (ওয়েস্টার্ন), স্লোভাকিয়া (আউট), যুক্তরাষ্ট্র (উইন্ড রিভার) ও ইরানের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে ইরানের মোহাম্মদ রাসুলোফ পরিচালিত ‘অ্যা ম্যান অব ইন্টেগ্রিটি’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন মার্কিন অভিনেত্রী উমা থারম্যান।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে ফ্রান্সের তিনটি (বেজড অন অ্যা ট্রু স্টোরি, ফেসেস প্লেসেস, ইসমায়েল’স গোস্ট), জাপান (ব্লেড অব দ্য ইমমর্টাল) ও আমেরিকার (হাউ টু টক টু গার্ল অ্যাট পার্টিস) একটি করে ছবি। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে দক্ষিণ কোরিয়ার (দ্য মার্সিলেস, দ্য ভিলেইনেস) দুটি ও ফ্রান্সের (অ্যা প্রেয়ার বিফোর ডন) একজন করে নির্মাতার ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে ফ্রান্সের ছয়টি (টুয়েলভ ডেজ, গোল্ডেন ইয়ারস, অ্যান ইনকনভেনিয়েন্ট সিক্যুয়েল: ট্রুথ টু পাওয়ার, নেপাম, প্লট থার্টি ফাইভ, জম্বিলেনিয়াম); শ্রীলঙ্কা (ডেমনস ইন প্যারাডাইস), দক্ষিণ কোরিয়া (ক্লেয়ার’স ক্যামেরা), ইরান (দে), সুইজারল্যান্ড (দ্য ভেনারেবল ডব্লিউ), যুক্তরাষ্ট্র (প্রমিসড ল্যান্ড) ও যুক্তরাজ্যের (সি সরো) একজন করে নির্মাতার ছবি। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হিসেবে দেখানো হয় আলেহান্দ্রো গঞ্জালেজ ইনারিতুর ‘ফ্লেশ অ্যান্ড স্যান্ড’। ৭০ বছর পূর্তির আয়োজনে ছিল ইরানের আব্বাস কিয়ারোস্তামির ‘টোয়েন্টি ফোর ফ্রেমস’, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের ‘কাম সুইম’ ও ডেভিড লিঞ্চের ‘টুইন পিকস’, নিউজিল্যান্ডের জেন ক্যাম্পিয়নের ‘টপ অব দ্য লেক: চায়না গার্ল’।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ইরান (লাঞ্চ টাইম), যুক্তরাষ্ট্র (অ্যাক্রস মাই ল্যান্ড), ফিনল্যান্ড (দ্য সিলিং), পোল্যান্ড (টাইম টু গো), ডেনমার্ক-ফিলিস্তিন (অ্যা ড্রোনিং ম্যান), কলম্বিয়া (দামিয়ানা), সুইডেন (পুশ ইট), ফ্রান্স (গ্র্যান্ডপা ওলরাস) ও চীনের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে চীনের চি ইয়াং পরিচালিত ‘অ্যা জেন্টেল নাইট’। বিচারকদের প্রধান ছিলেন স্বর্ণ পাম জয়ী রোমানিয়ান নির্মাতা ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউ।
আই, ড্যানিয়েল ব্লেক (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৬৯তম আসর)২০১৬ (৬৯তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৯তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ১১ মে থেকে ২২ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১৩টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বাধিক তিনটি ছবি ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার।
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্সের চারটি (স্টেইং ভার্টিক্যাল, স্ল্যাক বে, পার্সোনাল শপার, ফ্রম দ্য ল্যান্ড অব দ্য মুন), যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি (দ্য লাস্ট ফেস, লাভিং, প্যাটারসন), যুক্তরাজ্য (আমেরিকান হানি, আই ড্যানিয়েল ব্লেক) ও রোমানিয়ার (সিয়েরানেভাদা, গ্র্যাজুয়েশন) দুটি করে; দক্ষিণ কোরিয়া (দ্য হ্যান্ডমেইডেন), ইরান (দ্য সেলসম্যান), ফিলিপাইন (মা’রোসা), কানাডা (ইটস অনলি দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড), জার্মানি (টনি আর্ডম্যান), স্পেন (হুলিয়েতা), নেদারল্যান্ডস (এল), বেলজিয়াম (দ্য আননৌন গার্ল), ডেনমার্ক (দ্য নিয়ন ডেমন) ও ব্রাজিলের (অ্যাকুয়ারিয়াস) একজন করে নির্মাতার ছবি। এর মধ্যে স্বর্ণ পাম জেতে ব্রিটিশ নির্মাতা কেন লোচের ‘আই, ড্যানিয়েল ব্লেক’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন অস্ট্রেলীয় নির্মাতা জর্জ মিলার।
আঁ সাঁর্তে রিগার: যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি (ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিক, হেল অর হাই ওয়াটার, দ্য ট্রান্সফিগারেশন), ফ্রান্স (দ্য ড্যান্সার, দ্য স্টপওভার), ইসরায়েল (বিয়ন্ড দ্য মাউন্টেনস অ্যান্ড হিলস, পার্সোনাল অ্যাফেয়ার্স) ও জাপানের (আফটার দ্য স্টর্ম, হারমোনিয়াম) দুটি করে; সিঙ্গাপুর (অ্যাপ্রেন্টিস), মিসর (ক্ল্যাশ), রাশিয়া (দ্য স্টুডেন্ট), আর্জেন্টিনা (দ্য লং নাইট অব ফ্রান্সিসকো সাঙ্কতিস), ইতালি (পেরিকেল), ইরান (ইনভারশন), রোমানিয়া (ডগস), নেদারল্যান্ডস (দ্য রেড টারটেল) ও ফিনল্যান্ডের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে ফিনিশ নির্মাতা জুহো কুয়োসমানেন পরিচালিত ‘দ্য হ্যাপিয়েস্ট ডে ইন দ্য লাইফ অব ওলি মাকি’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন সুইস অভিনেত্রী মার্থা কেলার।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি (দ্য বিএফজি, ক্যাফে সোসাইটি, মানি মনস্টার, দ্য নাইস গাইস) ও দক্ষিণ কোরিয়ার (দ্য ওয়েইলিং) একটি করে ছবি। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে দক্ষিণ কোরিয়া (ট্রেন টু বুসান), ফ্রান্স (ব্লাড ফাদার) ও আমেরিকার (গিমে ডেঞ্জার) একজন করে নির্মাতার ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে ফ্রান্সের পাঁচটি (দ্য ডান্স, শুফ, ফুল মুন, পেশমার্গা, রং এলিমেন্টস); স্পেন (দ্য ডেথ অব লুই ফিফটিন), চাঁদ (হিসেইন হেবরা: অ্যা চাদিয়ান ট্র্যাজেডি), কম্বোডিয়া (এক্সাইল), ইতালি-গ্রিস (দ্য লাস্ট রিসোর্ট) ও ভেনেজুয়েলার (হ্যান্ডস অব স্টোন) একজন করে নির্মাতার ছবি।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ফ্রান্স (আফটার সুজান), রোমানিয়া (ফোর:ফিফটিন পি.এম. দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড), যুক্তরাজ্য (ড্রিমল্যান্ডস), সুইডেন (ফাইট অন অ্যা সুইডিশ বিচ), ব্রাজিল (দ্য গার্ল হু ড্যান্সড উইথ দ্য ডেভিল), ফিলিপাইন (ইমাগো), তিউনিসিয়া (ল অব দ্য ল্যাম্ব), কলম্বিয়া (মাদার), ইরান (দ্য সাইলেন্স) ও স্পেনের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে স্প্যানিশ নির্মাতা হুয়ানজো গিমেনেজের ‘টাইমকোড’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন জাপানিজ নারী নির্মাতা নাওমি কাওয়াসে।
ধীপান (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৬৮তম আসর)২০১৫ (৬৮তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৮তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের ১৩ মে থেকে ২৪ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১৪টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বাধিক চারটি ছবি ছিল তালিকায়।   
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্সের পাঁচটি (মার্গেরিট অ্যান্ড জুলিয়েন, ধীপান, দ্য মেজার অব অ্যা ম্যান, মাই কিং, ভ্যালি অব লাভ), ইতালির তিনটি (ইয়ুথ, টেল অব টেলস, মিয়া মাদ্রে), যুক্তরাষ্ট্রের দুটি (ক্যারল, দ্য সি অব ট্রিস); তাইওয়ান (দ্য অ্যাসাসিন), চীন (মাউন্টেনস মে ডিপার্ট), জাপান (আওয়ার লিটল সিস্টার), মেক্সিকো (ক্রনিক), গ্রিস (দ্য লবস্টার), নরওয়ে (লাউডার দ্যান বোম্বস), অস্ট্রেলিয়া (ম্যাকবেথ), কানাডা (সিকারিও) ও হাঙ্গেরির (সান অব সাউল) একটি করে ছবি। এর মধ্যে স্বর্ণ পাম জেতে ফরাসি নির্মাতা জ্যাক অদিয়ারের ‘ধীপান’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন অস্ট্রেলীয় নির্মাতা জোয়েল ও এথান কোয়েন।
আঁ সাঁর্তে রিগার: ভারত (মাসান, দ্য ফোর্থ ডিরেকশন), জাপান (জার্নি টু দ্য শোর, সুইট রেড বিন পেস্ট), দক্ষিণ কোরিয়া (দ্য শেমলেস, ম্যাডোনা), রোমানিয়া (ওয়ান ফ্লোর বিলো, দ্য ট্রেজার) ও ফ্রান্সের (ডিজঅর্ডার, আই অ্যাম অ্যা সোলজার) দুটি করে; থাইল্যান্ড (সেমেট্রি অব স্প্লেন্ডার), কলম্বিয়া (অ্যালিয়াস মারিয়া), মেক্সিকো (দ্য চোজেন ওয়ানস), ক্রোয়েশিয়া (দ্য হাই সান), ইথিওপিয়া (ল্যাম্ব), ইরান (নাহিদ), ফিলিপাইন (ট্র্যাপ), ইতালি (দ্য আদার সাইড) ও আইসল্যান্ডের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে আইসল্যান্ডের গ্রিমার হোকানারসন পরিচালিত ‘র‌্যামস’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন ইতালিয়ান-আমেরিকান অভিনেত্রী ইসাবেলা রোসেল্লিনি।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি (ইনসাইড আউট, ইরেশনাল ম্যান, দ্য লিটল প্রিন্স), ফ্রান্সের দুটি (আইস অ্যান্ড দ্য স্কাই, স্ট্যান্ডিং টল) ও অস্ট্রেলিয়ার (ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড) একটি ছবি। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে দক্ষিণ কোরিয়া (অফিস), ফ্রান্স (লাভ) ও যুক্তরাজ্যের (অ্যামি) একজন করে নির্মাতার ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে ইসরায়েল (আফটারথট, অ্যা টেল অব লাভ অ্যান্ড ডার্কনেস) ও ফ্রান্সের (ডোন্ট টেল মি দ্য বয় ওয়াজ ম্যাড, ম্যাকাডাম স্টোরিস) দুটি করে, সুইজারল্যান্ড (অ্যামনেসিয়া), সার্বিয়া (পানামা) ও মালির (আওয়ার হাউস) একটি করে ছবি।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: যুক্তরাজ্যের দুটি (লাভ ইজ ব্লাইন্ড, প্যাট্রিয়ট); ফ্রান্স (সানডে লাঞ্চ), ফিলিস্তিন (অ্যাবে মারিয়া), তুরস্ক (টুইসডে), আর্জেন্টিনা (প্রেজেন্ট ইমপারফেক্ট), বেলজিয়াম (বাডি), অস্ট্রেলিয়া (দ্য গেস্টস) ও লেবাননের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে লেবানিজ নির্মাতা ইলি দাগারের ‘ওয়েভস নাইনটি এইট’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন মরিটানিয়ান নির্মাতা আবদেররহমান সিসাকো।
উইন্টার স্লিপ (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৬৭তম আসর)২০১৪ (৬৭তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৭তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালের ১৪ মে থেকে ২৫ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১৪টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চীনের সর্বাধিক তিনটি ছবি দেখা গেছে তালিকায়।    
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্সের চারটি (ক্লাউডস অব সিলস মারিয়া, গুডবাই টু ল্যাঙ্গুয়েজ, সান্ট লরেন্ট, দ্য সার্চ), কানাডার তিনটি (দ্য ক্যাপ্টিভ, ম্যাপস টু দ্য স্টারস, মমি), যুক্তরাষ্ট্র (ফক্সক্যাচার, দ্য হোমসম্যান) ও যুক্তরাজ্যের (জিমি’স হল, মিস্টার টার্নার) দুটি করে; জাপান (স্টিল দ্য ওয়াটার), রাশিয়া (লেভিয়াথান), মরিটানিয়া (টিমবুকটু), বেলজিয়াম (টু ডেজ, ওয়ান নাইট), আর্জেন্টিনা (ওয়াইল্ড টেলস), ইতালি (দ্য ওয়ান্ডারস) ও তুরস্কের একটি করে ছবি। এর মধ্যে স্বর্ণ পাম জেতে তুর্কি নির্মাতা নুরি বিলগে সেলানের ‘উইন্টার স্লিপ’। বিচারকদের প্রধান ছিলেন নিউজিল্যান্ডের নারী নির্মাতা জেন ক্যাম্পিয়ন। কানের ইতিহাসে একমাত্র তিনিই নারীদের মধ্যে পাম দ’র জিতেছেন।
আঁ সাঁর্তে রিগার: ফ্রান্সের তিনটি (বার্ড পিপল, দ্য ব্লু রুম, পার্টি গার্ল); যুক্তরাষ্ট্র (দ্য ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স অব এলেনা রিগবি), ভারত (তিতলি), চীন (ফ্যান্টাসিয়া), দক্ষিণ কোরিয়া (অ্যা গার্ল অ্যাট মাই ডোর), কানাডা (লস্ট রিভার), অস্ট্রিয়া (ম্যাড লাভ), অস্ট্রেলিয়া (চার্লি’স কান্ট্রি), আইভরি কোস্ট (রান), যুক্তরাজ্য (স্নো ইন প্যারাডাইস), ইসরায়েল (দ্যাট লাভলি গার্ল), গ্রিস (জেনিয়া), স্পেন (বিউটিফুল ইয়ুথ), সুইডেন (ফোর্সে মেজা), ইতালি (মিসআন্ডারস্টুড), আর্জেন্টিনা (জাউজা) ও হাঙ্গেরির একটি করে ছবি। এছাড়া ছিল জার্মান ও ব্রাজিল নির্মাতার ‘দ্য সল্ট অব দ্য আর্থ’। এর মধ্যে সেরা হয়েছে হাঙ্গেরির কর্নেল মানদ্রুচো পরিচালিত ‘হোয়াইট গড’। বিচারকদের প্রধান ছিলেন আর্জেন্টাইন নির্মাতা পাবলো ত্রাপেরো।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে ফ্রান্সের দুটি (গ্রেস অব মোনাকো, ইন দ্য নেম অব মাই ডটার) আর চীন (কামিং হোম) ও কানাডার (হাউ টু ট্রেইন ইউর ড্রাগন টু) একটি করে ছবি। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে দক্ষিণ কোরিয়া (দ্য টার্গেট), অস্ট্রেলিয়া (দ্য রোভার) ও ডেনমার্কের (দ্য স্যালভেশন) একজন করে নির্মাতার ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে ফ্রান্সের তিনটি (কার্টুনিস্টস-ফুট সোলজারস অব ডেমোক্রেসি, গেরোনিমো, অব মেন অ্যান্ড ওয়ার); সিরিয়া (সিলভার্ড ওয়াটার-সিরিয়া সেলফ পোর্ট্রেট), যুক্তরাষ্ট্র (রেড আর্মি), কাজাখস্তান (দ্য ঔনারস), ইউক্রেন (ময়দান), আর্জেন্টিনার (দি আর্ডার) একটি করে ছবি। এছাড়া বিভিন্ন দেশের ১৩ জন নির্মাতার বানানো ‘ব্রিজেস অব সারায়েভো’ নামে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয় এতে। এর মধ্যে ছিলেন ফ্রান্সের তিনজন, ইতালির দু’জন, বসনিয়া, পর্তুগাল, বুলগেরিয়া, ইউক্রেন, সার্বিয়া, রোমানিয়া, স্পেন ও জার্মানির একজন করে নির্মাতা।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: জাপান (হ্যাপোয়েন), চীন (দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গ্লোরি), ফ্রান্স (অ্যাইসা), বেলজিয়াম (ফরেন বডিস), রোমানিয়া (দ্য এক্সিকিউশন), জর্জিয়া (ইনভিজিবল স্পেসেস), আজারবাইজান (দ্য লাস্ট ওয়ান), নরওয়ে (ইয়েস উই লাভ) ও কলম্বিয়ার একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে কলম্বিয়ার সিমন মেসা সোতো পরিচালিত ‘লেইদি’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন ইরানিয়ান নির্মাতা আব্বাস কিয়ারোস্তামি।
ব্লু ইজ দ্য ওয়ার্মেস্ট কালার (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৬৬তম আসর)২০১৩ (৬৬তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৬তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের ১৫ মে থেকে ২৬ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১৫টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জাপানের সর্বাধিক তিনটি ছবি ছিল তালিকায়।     
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্সের ছয়টি (অ্যা ক্যাসেল ইন ইতালি, ব্লু ইজ দ্য ওয়ার্মেস্ট কালার, ইয়াং অ্যান্ড বিউটিফুল, ভেনাস ইন ফার, মাইকেল কোলহাস, জিমি পি: সাইকোথেরাপি অব অ্যা প্লেইনস ইন্ডিয়ান), যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি (বিহাইন্ড দ্য ক্যান্ডেলাব্রা, দ্য ইমিগ্র্যান্ট, ইনসাইট লিউয়ান ডেভিস, নেব্রাস্কা, অনলি লাভারস লেফট অ্যালাইভ), জাপানের দুটি (লাইক ফাদার লাইক সান, শিল্ড টু স্ট্র); চীন (অ্যা টাচ অব সিন), ইরান (দ্য পাস্ট), নেদারল্যান্ডস (বর্গম্যান), ইতালি (দ্য গ্রেট বিউটি), চাঁদ (গ্রিগরিস), মেক্সিকো (হেলি), ডেনমার্কের (অনলি গড ফরগিভস) একটি করে ছবি। এর মধ্যে স্বর্ণ পাম জেতে তিউনিশিয়ান-ফরাসি নির্মাতা আবদেললতিফ কেশিশের ‘ব্লু ইজ দ্য ওয়ার্মেস্ট কালার’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন মার্কিন নির্মাতা স্টিভেন স্পিলবার্গ।
আঁ সার্তে রিগার: ফ্রান্স (বাস্টার্ডস, গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল, স্ট্রেঞ্জার বাই দ্য লেক) ও যুক্তরাষ্ট্রের (অ্যাজ আই লে ডাইং, দ্য ব্লিং রিং, ফ্রুটভেল স্টেশন) তিনজন করে, ফিলিপাইনের দু’জন (ডেথ মার্চ, নর্টে দ্য এন্ড অব হিস্ট্রি); ইরান (ম্যানুস্ক্রিপ্টস ডোন্ট বার্ন), হংকং (বেন্ডস), আর্জেন্টিনা (দ্য জার্মান ডক্টর), স্পেন (দ্য গোল্ডেন কেজ), ইতালি (মিয়েল), ইরাকি-কুর্দিশ (মাই সুইট পেপার ল্যান্ড), ফিলিস্তিন (ওমর), জার্মানি (নাথিং ব্যাড ক্যান হ্যাপেন), কানাডা (সারাহ প্রেফারস টু রান) ও কম্বোডিয়ার একজন করে নির্মাতার ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে কম্বোডিয়ার রীতি পান পরিচালিত ‘দ্য মিসিং পিকচার’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন ডেনিশ নির্মাতা থমাস ভিন্টারবার্গ।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে ফ্রান্সের তিনটি (ব্লাড টাইস, দ্য লাস্ট অব দ্য আনজাস্ট, জুলু) আর যুক্তরাষ্ট্র (অল ইজ লস্ট) ও অস্ট্রেলিয়ার (দ্য গ্রেট গ্যাটসবি) একটি করে ছবি। গালা স্ক্রিনিংসে ছিল ভারতের ‘বোম্বে টকিজ’। এটি পরিচালনা করেন অনুরাগ কাশ্যাপ, করণ জোহর, জোয়া আখতার ও দিবাকর ব্যানার্জি। এছাড়া জেরি লুইস ট্রিবিউটে দেখানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের ড্যানিয়েল নোয়া পরিচালিত ‘ম্যাক্স রোজ’। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে ভারত (মনসুন শুটআউট) ও হংকংয়ের (ব্লাইন্ড ডিটেক্টিভ) একজন করে নির্মাতার ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি (সেডিউসড অ্যান্ড অ্যাবাডন্ড, রিটার্ন টু নিউক ‘এম হাই ভলিউম. ওয়ান); রাশিয়া (বাইট দ্য ডাস্ট), যুক্তরাজ্য (মুহাম্মদ আলি’স গ্রেটেস্ট ফাইট), ইতালি (স্টপ দ্য পাউন্ডিং হার্ট) ও ফ্রান্সের (উইকেন্ড অব অ্যা চ্যাম্পিয়ন) একটি করে ছবি।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ফ্রান্সের দুটি (থার্টি সেভেন ফোর এস, অফেলিয়া); ফিলিস্তিন (কনডম লিড), ইরান (মোর দ্যান টু আওয়ার্স), জাপান (মিটিওরাইট প্লাস ইমপোটেন্স), বেলজিয়াম (মন্ত ব্ল্যাঙ্ক), আইসল্যান্ড (হোয়েল ভ্যালি), পোল্যান্ড (ওলেনা) ও দক্ষিণ কোরিয়ার একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার মুন বিয়াঙ-গন পরিচালিত ‘সেফ’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন নিউজিল্যান্ডের নারী নির্মাতা জেন ক্যাম্পিয়ন।
লাভ (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৬৫তম আসর)২০১২ (৬৫তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৫তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের ১৬ মে থেকে ২৭ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১৩টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বাধিক দুটি করে ছবি স্থান পায়।
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্স (হলি মোটরস, রাস্ট অ্যান্ড বোন, ইউ অ্যাইন্ট সিন নাথিন’ ইয়েট!) ও যুক্তরাষ্ট্রের (দ্য পেপারবয়, মাড, মুনরাইজ কিংডম) তিনটি করে; দক্ষিণ কোরিয়া (ইন অ্যানাদার কান্ট্রি, দ্য টেস্ট অব মানি), অস্ট্রিয়া (লাভ, প্যারাডাইজ: লাভ) ও অস্ট্রেলিয়ার (কিলিং দেম সফটলি, ললেস) দুটি করে; মিসর (আফটার দ্য ব্যাটেল), যুক্তরাজ্য (দ্য অ্যাঞ্জেলস শেয়ার), রোমানিয়া (বিয়ন্ড দ্য হিলস), কানাডা (কসমোপলিস), ডেনমার্ক (দ্য হান্ট), ইউক্রেন (ইন দ্য ফগ), ইরান (লাইক সামওয়ান ইন লাভ), ব্রাজিল (অন দ্য রোড), মেক্সিকো (পোস্ট টেনেব্রাস লুক্) ও ইতালির (রিয়েলিটি) একটি করে ছবি। এর মধ্যে স্বর্ণ পাম জেতে অস্ট্রিয়ান নির্মাতা মাইকেল হানেকের ‘লাভ’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন ইতালিয়ান নির্মাতা ন্যানি মোরেত্তি।
আঁ সাঁর্তে রিগার: ফ্রান্সের চারটি (কনফেশন অব অ্যা চাইল্ড অব দ্য সেঞ্চুরি, দ্য বিগ নাইট, রেনোয়াঁ, থ্রি ওয়ার্ল্ডস), যুক্তরাষ্ট্র (বিস্টস অব দ্য সাউদার্ন ওয়াইল্ড, গিমে দ্য লুট) ও কানাডার (অ্যান্টিভাইরাল, লরেন্স অ্যানিওয়েস) দুটি করে; জাপান (ইলেভেন: টোয়েন্টি ফাইভ দ্য ডে হি চুজ হিজ ঔন ফেট), চীন (মিস্টেরি), ভারত (মিস লাভলি), আর্জেন্টিনা (হোয়াইট এলিফ্যান্ট), কাজাখস্তান (স্টুডেন্ট), কলম্বিয়া (দ্য ডিসি বিচ), সেনেগাল (দ্য পিরোগ), বেলজিয়াম (লাভিং উইদাউথ রিজন), মরক্কো, বসনিয়া (চিলড্রেন অব সারায়েভো) ও মেক্সিকোর একটি করে ছবি। এছাড়া বিভিন্ন দেশের ১৩ জন নির্মাতার সংকলিত ছবি ‘সেভেন ডেজ ইন হাভানা’ দেখানো হয় এ বিভাগে। এর মধ্যে ছিলেন স্পেন, ফ্রান্স, কিউবা, পুয়ের্তো রিকো, ফিলিস্তিন ও আর্জেন্টিনার একজন করে নির্মাতা। ৬৫তম আঁ সাঁর্তে রিগারে সেরা হয়েছে মেক্সিকান নির্মাতা মিশেল ফ্রাঙ্কোর ‘আফটার লুসিয়া’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন মার্কিন অভিনেতা টিম রোথ।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি (ক্রুয়েল সামার, হেমিংওয়ে অ্যান্ড গেলহর্ন, মাদাগাস্কার থ্রি: ইউরোপ’স মোস্ট ওয়ান্টেড) আর ইতালি (মি অ্যান্ড ইউ) ও ফ্রান্সের (থেরেজ দেকেরু) একটি করে ছবি। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে জাপান (ফর লাভ’স সেক), ইতালি (দারিও আর্জেন্টো’স ড্রাকুলা), ফ্রান্স (ম্যানিয়াক) ও অস্ট্রেলিয়ার (দ্য স্যাফায়ার্স) একটি করে ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে ফ্রান্সের চারটি (দ্য ইনভিজিবলস, জার্নাল অব ফ্রান্স, দি ওথ অব টোবরাক, রোমান পোলানস্কি: অ্যা ফিল্ম মেমোয়ার); চীন (দ্য রেসিসট্যান্স), যুক্তরাষ্ট্র (দ্য সেন্ট্রাল পার্ক ফাইভ) আর্জেন্টিনা (ভিলেগ্যাস), যুক্তরাজ্য (ট্র্যাশড), জার্মানি (পলিউটিং প্যারাডাইস), থাইল্যান্ড (মেকং হোটেল) ও ব্রাজিলের (দ্য মিউজিক অ্যাকর্ডিং টু আন্তোনিও কার্লোস জবিম) একটি করে নির্মাতার ছবি। এছাড়া ৬৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেখানো হয় ফ্রান্সের ‘ফিল্ম অ্যানিভারসারি: অ্যা স্পেশাল ডে’।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: যুক্তরাষ্ট্র (দ্য চেয়ার), সিরিয়া (ওয়েটিং ফর পি.ও. বক্স), বেলজিয়াম (কোকেইন), জার্মানি (গ্যাস্প), পুয়ের্তো রিকো (মাই হলি গ্ল্যান্স), নিউজিল্যান্ড (নাইট শিফট), কানাডা (প্যাক লিডার), ফ্রান্স (দিস ওয়ে বিফোর মি), অস্ট্রেলিয়া (ইয়ার্ডবার্ড) ও তুরস্কের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে তুর্কি নির্মাতা এল. রেজান ইসিলবাসের ‘সাইলেন্ট’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন বেলজিয়ান নির্মাতা জ্যঁ-পিয়ের দারদেন।
দ্য ট্রি অব লাইফ (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৬৪তম আসর)২০১১ (৬৪তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৪তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১১ সালের ১১ মে থেকে ২২ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১১টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বাধিক চারটি ছবি ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার।
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্সের পাঁচটি (দ্য আর্টিস্ট, হাউস অব টলারেন্স, প্যাটার, পলিস, দ্য সোর্স), জাপান (হানেজু, হারা-কিরি: ডেথ অব অ্যা সামুরাই), ইতালি (দিস মাস্ট বি দ্য প্লেস, উই হ্যাভ অ্যা পোপ) ও ডেনমার্কের (মেলানকোলিয়া, ড্রাইভ) দুটি করে; ইসরায়েল (ফুটনোট), ফিনল্যান্ড (ল্যঁ হাভরা), বেলজিয়াম (দ্য কিড উইথ অ্যা বাইক), অস্ট্রিয়া (মাইকেল), তুরস্ক (ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন আনাতোলিয়া), স্পেন (দ্য স্কিন আই লিভ ইন), অস্ট্রেলিয়া (স্লিপিং বিউটি), স্কটল্যান্ড (উই নিড টু টক অ্যাবাউট কেভিন) ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি করে ছবি। এর মধ্যে স্বর্ণ পাম জেতে মার্কিন নির্মাতা টেরেন্স মালিকের ‘দ্য ট্রি অব লাইফ’। এই বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো।
আঁ সাঁর্তে রিগার: দক্ষিণ কোরিয়া (আরিরাঙ, দ্য ডে হি অ্যারাইভস, দ্য ইয়েলো সি) ও ফ্রান্সের (দ্য মিনিস্টার, দ্য স্নোস অব কিলিমাঞ্জারো, আউটসাইড সাটান) তিনটি করে, রাশিয়ার দুটি (এলেনা, দ্য হান্টার); সিঙ্গাপুর (টাটাসুমি), দক্ষিণ আফ্রিকা (বিউটি), চিলি (বনসাই), ইরান (গুডবাই), ব্রাজিল (হার্ড লেবার), রোমানিয়া (লাভারবয়), যুক্তরাষ্ট্র (রেস্টলেস), কানাডা (মার্থা মার্সি মে মার্লেন), লেবানন (হোয়্যার ডু উই গো নাউ?), অস্ট্রেলিয়া (টুমেলাহ), জার্মানি (স্টপড অন ট্র্যাক), নরওয়ে (ওসলো থার্টি ফার্স্ট আগস্ট) ও মেক্সিকোর (মিস বালা) একটি করে ছবি। এর মধ্যে যৌথভাবে সেরা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার কিম কি-দুক পরিচালিত ‘আরিরাঙ’ ও জার্মান নির্মাতা আন্দ্রেয়াস দ্রেজেনের ‘স্টপড অন ট্র্যাক’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন সার্বিয়ান নির্মাতা এমির কুস্তুরিকা।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি (মিডনাইট ইন প্যারিস, দ্য বিভার, পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান: অন স্ট্রেঞ্জার টাইডস) ও ফ্রান্সের (বিলাভড, দ্য কনকুয়েস্ট) দুটি ছবি। মিডনাইট স্ক্রিনিংসে ভারত (বলিউড: দ্য গ্রেটেস্ট লাভ স্টোরি এভার টোল্ড), হংকং (উ সিয়া) ও মেক্সিকোর (ডেজ অব গ্রেস) একটি করে ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে মিসর (দ্য পোস্টম্যান), ডেনমার্ক (আউট অব বাউন্ডস), ফ্রান্স (লিডার-শিপ), যুক্তরাষ্ট্র (দ্য বিগ ফিক্স), তিউনিসিয়া (নো মোর ফিয়ার), কম্বোডিয়া (ডাচ, মাস্টার অব দ্য ফোর্জেস অব হেল) ও যুক্তরাজ্যের (মিশেল পেট্রুচিয়ানি) একটি করে ছবি। এছাড়া মিসরের ১০ জন নির্মাতার বানানো স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির সংকলন ‘এইটিন ডেজ’ দেখানো হয়।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: জাপান (প্যাটারনাল উম্ব), দক্ষিণ কোরিয়া (গোস্ট), অস্ট্রেলিয়া (বিয়ার), নরওয়ে (কোল্ড), বেলজিয়াম (সুইমস্যুট ফোর্টি সিক্স), আর্জেন্টিনা (সয় টান ফেলিজ), নিউজিল্যান্ড (মিটহেড), কানাডা (ইট ইজ নাথিং) ও ইউক্রেনের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে ইউক্রেনের নারী নির্মাতা মারিনা ব্রদা পরিচালিত ‘ক্রস’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন ফরাসি নির্মাতা মিশেল জন্ড্রি।
আঙ্কেল বুনমি হু ক্যান রিকল হিজ পাস্ট লিভস (প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বর্ণ পাম জয়ী, ৬৩তম আসর)২০১০ (৬৩তম আসর)
কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৩তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ২০১০ সালের ১২ মে থেকে ২৩ মে। এ আয়োজনে স্বাগতিক ফ্রান্সের সর্বাধিক ১১টি ছবি জায়গা করে নেয় অফিসিয়াল সিলেকশনে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বাধিক তিনটি ছবি দেখা গেছে তালিকায়।
প্রতিযোগিতা বিভাগ: ফ্রান্সের তিনটি (অব গডস অ্যান্ড মেন, অন ট্যুর, দ্য প্রিন্সেস অব মন্টপেনজিয়ার), দক্ষিণ কোরিয়া (দ্য হাউজমেইড, পয়েট্রি) ও যুক্তরাজ্যের (অ্যানাদার ইয়ার, রুট আইরিশ) দুটি করে; ইরান (সার্টিফাইড কপি), চীন (চঙচিঙ ব্লুজ), জাপান (আউটরেজ), চাঁদ (অ্যা স্ক্রিমিং ম্যান), আলজেরিয়া (আউটসাইড দ্য ল), মেক্সিকো (বিউটিফুল), রাশিয়া (বার্নট বাই দ্য সান টু), ইউক্রেন (মাই জয়), ইতালি (আওয়ার লাইফ), যুক্তরাষ্ট্র (ফেয়ার গেম), হাঙ্গেরি (টেন্ডার সান-দ্য ফ্রাঙ্কেনস্টাইন প্রজেক্ট) ও থাইল্যান্ডের একটি করে ছবি। এর মধ্যে স্বর্ণ পাম জেতে থাই নির্মাতা আপিচাটপঙ বীরাসেথাকুলের ‘আঙ্কেল বুনমি হু ক্যান রিকল হিজ পাস্ট লিভস’। বিচারকদের প্রধান ছিলেন মার্কিন নির্মাতা টিম বার্টন।
আঁ সাঁর্তে রিগার: আর্জেন্টিনা (কারাঞ্চো, দ্য লিপস), ফ্রান্স (লাইটস আউট, সোসিয়ালিজম), যুক্তরাষ্ট্র (ব্লু ভ্যালেন্টাইন, রেবেকা এইচ. রিটার্ন টু দ্য ডগস) ও রোমানিয়ার (অরোরা, টুইসডে আফটার ক্রিসমাস) দুটি করে; ভারত (উড়ান), জাপান (চ্যাটরুম), চীন (আই উইশ আই নো), হাঙ্গেরি (অদ্রিয়েন পাল), জার্মানি (দ্য সিটি বিলো), কানাডা (হার্টবিটস), পর্তুগাল (দ্য স্ট্রেঞ্জ কেস অব অ্যাঞ্জেলিকা), নেদারল্যান্ডস (আর ইউ দেয়ার), পেরু (অক্টোবর), দক্ষিণ আফ্রিকা (লাইফ অ্যাভাব অল) ও দক্ষিণ কোরিয়ার একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার হঙ সান-সু পরিচালিত ‘হাহাহা’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন ফরাসি নারী নির্মাতা ক্লেয়ার ডেনিস।
প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে: আউট অব কম্পিটিশনে ফ্রান্স (ব্ল্যাক হ্যাভেন, কার্লোস, দ্য ট্রি) ও যুক্তরাষ্ট্রের (কাবুম, ওয়াল স্ট্রিট: মানি নেভার স্লিপস, ইউ উইল মিট অ্যা টল ডার্ক স্ট্রেঞ্জার) তিনটি করে, যুক্তরাজ্যের দুটি (রবিন হুড, টামারা ড্রিউই) ও রোমানিয়ার (দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব নিকোলাই সিউসেস্কু) একটি ছবি। স্পেশাল স্ক্রিনিংসে ফ্রান্স (গিলেস জ্যাকব: সিটিজেন কান, দ্য প্যাক), ও যুক্তরাজ্যের (ওভার ইউর সিটিস গ্রাস উইল গ্রো, কাউন্টডাউন টু জিরো) দুটি করে, মেক্সিকো (আবেল), চিলি (নস্টালজিয়া ফর দ্য লাইট), ইতালি (ড্রাকিলা-ইতালি ট্রেম্বলস), জর্জিয়া (শানত্রাপাস) ও যুক্তরাষ্ট্রের (ইনসাইড জব) একটি করে ছবি। এছাড়া ছিল ব্রাজিলের সাত নির্মাতার বানানো ‘ফাইভ ইন্টু ফাভেলা’।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ইসরায়েল (ফার্স্ট এইড), চিলি (ব্লকস), কিউবা (মায়া), আর্জেন্টিনা (রোসা), ব্রাজিল (স্টেশন), অস্ট্রেলিয়া (মাসেলস), সুইডেন (বাথিং মিকি), লাটভিয়া (টু শোয়ালো অ্যা টোড) ও ফ্রান্সের একটি করে ছবি। এর মধ্যে সেরা হয়েছে ফরাসি নির্মাতা সার্জ আবেদিকিয়ানের ‘বার্কিং আইল্যান্ড’। এ বিভাগে বিচারকদের প্রধান ছিলেন কানাডিয়ান নির্মাতা অ্যাটম ইগোয়ান।

/এমএম/

লাইভ

টপ