শিল্পী সংঘের নির্বাচনে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

Send
ওয়ালিউল বিশ্বাস
প্রকাশিত : ১৬:২৫, জুন ২০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:২৮, জুন ২০, ২০১৯

বাদী এহসানুর রহমান, উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও সংঘের সাধারণ সম্পাদক নাসিমঅভিনয় শিল্পীসংঘের নির্বাচন কাল (২১ জুন) সকালে; সেটি বন্ধের জন্য উচ্চ আদালত থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এসেছে।

বিষয়টি নিয়ে শিল্পীসংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও কোনও কাগজ হাতে পাইনি। শুধু জানি আগামীকাল নির্বাচনটি হবে।’

এদিকে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে উচ্চ আদালতের কাগজটি এসেছে। সেখানে দেখা যায়, অভিনেতা শেখ এহসানুর রহমান বাদী হয়ে রিট করেছেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ জুন হাইকোর্ট এই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন এবং নির্বাচন কমিশনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
নোটিশটি প্রেরণ করা হয়েছে এই নির্বাচনের কমিশনার অভিনেতা খাইরুল আলম সবুজ বরাবর।
বিষয়টি নিয়ে বাদী শেখ এহসানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সমাজসেবা অধিদফতরের অনুমোদিত সংঘের যে গঠনতন্ত্র, তা ভায়োলেশন করে হচ্ছে। আমরা অধিদফতরে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। চার মাস যাবৎ বিগত কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেছি। সর্বশেষ আন্তঃবৈঠক হয়েছে, কিন্তু কোনও সমাধান হয়নি। এর ফলে আমরা আদালতের কাছে আবেদন করেছি। আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই অস্থায়ী স্থগিতাদেশ দেওয়া হলো। এবং জানতে চাওয়া হয়েছে নির্বাচন নিয়ে কেন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না।’

গঠনতন্ত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‌‘তফসিলে বলেছে ১৫-এর ৬ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এতে উল্লেখ আছে, একটি সাধারণ সভার মধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন ও নির্বাচনকালীন কমিটি গঠন হবে। অথচ সাধারণ সভা ছাড়াই আগের কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কমিটি গঠন করেছেন। এছাড়াও তারা সমাজসেবা অধিদফতরে প্রচুর অসত্য তথ্য দিয়েছেন। তারা ফান্ডের কথা বলেছেন তিন লক্ষ ২৪ হাজার টাকা। কিন্তু এটি ৫০ লক্ষের ওপরে। তারা বলেছেন, সংঘ গঠিত হয়েছে ২০১৮ সালে। কিন্তু এটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১৯৯৮ সালে। তারা গোপনে অধিদফতর থেকে কমিটির মেয়াদ ২০২০ পর্যন্ত বাড়িয়ে নেন। এগুলো যখন আমরা তাদের ধরি, তারা বলেন অজ্ঞতাবশত হয়েছে। কিন্তু এগুলো সবই অনিয়ম।


এবারের নির্বাচনে লড়াই করার কথা ছিলো তারা-সহ আরও অনেকেই
শেখ মো. এহসানুর রহমান, আব্দুল্লাহ রানা ও নূর মুহাম্মদ রাজ্য বাদী হয়ে নির্বাচন স্থগিত করার জন্য দ্বিতীয় সহকারী আদালতে আবেদন করেন গতকাল (বুধবার, ১৯ জুন)। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিনই নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সিনিয়র সহকারী জজ মোহাম্মাদ শাফি এই আদেশ দিয়েছেন।

এদিকে শিল্পীসংঘের সর্বশেষ তালিকা থেকে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৬শ’। ৫২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এবার। সেখান থেকে প্রাপ্ত ভোটে নির্বাচিত হবেন ২১ জন।
নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমিতে।

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ