আব্বাস কেন ২০ বছর ধরে ঘুমায় না?

Send
ওয়ালিউল বিশ্বাস
প্রকাশিত : ০০:০৬, জুলাই ০৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:১২, জুলাই ০৫, ২০১৯

‘আব্বাস’-এর শুটিংয়ে নিরবসংলাপ, বেশভূষা আর গান দিয়ে ইউটিউবে ইতোমধ্যে নিরব নিজেকে ‌‘আব্বাস’ হিসেবে প্রমাণ করেছেন। সমালোচক মহলেও আলোচনায় এসেছে ‘আব্বাস’ ছবিটি। আজ (৫ জুলাই) দেশের ৩৭টি প্রেক্ষাগৃহে চলচ্চিত্রটি নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। সাইফ চন্দন পরিচালিত এ ছবিতে তার বিপরীতে আছেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা।
ছবিটি মুক্তির আগেই এর একটি ডায়লগ পেয়েছে বেশ জনপ্রিয়তা। সৃষ্টি করেছে কৌতূহল। সেটি হলো ‘আব্বাস ২০ বছর ধরে ঘুমায় না!’ কিন্তু কেন? সেটি স্পষ্ট নয়। এছাড়াও নিরব কীভাবে এই ছবির মাধ্যমে পুরান ঢাকার ‘আব্বাস’ হয়ে উঠলেন সেই কথাগুলো থাকলো এই আলাপে—
‘আব্বাস’-এ নিরব ও সাবাবাংলা ট্রিবিউন: ২০ বছর ধরে আব্বাস ঘুমায় না কেন? নাকি ঘুমের সমস্যা আছে তার!
নিরব: না, না (হাসি) আব্বাস ঘুমায়। ছবিতে ঘুমের দৃশ্যও আছে।
বাংলা ট্রিবিউন: কিন্তু ট্রেলারে এই সংলাপটি রাখা হয়েছে। এটি জনপ্রিয়ও হয়েছে।
নিরব: হ্যাঁ, অনেকেই বিষয়টিতে বেশ মজা পাচ্ছেন। আমারও ভালো লাগছে। ‘আব্বাস ২০ বছর ধরে ঘুমায় না’ বলতে বোঝানো হয়েছে, এই শহরটা তার চোখের আড়াল হয় না। সে ঘুমের মধ্যেও সজাগ থাকে। জেগে থাকা নয়, সজাগ থাকা বোঝাতেই এটি বলা। ছবিটি দেখলে পুরো বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

বাংলা ট্রিবিউন: ট্রেলারে দেখা গেল পুরোটা সময়ই আপনি পুরান ঢাকার ভাষায় কথা বলেছেন। সব সময় এমনভাবে কথা বলতে সমস্যা হয়নি?
নিরব: প্রথমে তো সমস্যা হতোই। কিন্তু আমাদের শুটিংটি একেবারে পুরান ঢাকাতেই হয়েছে। তাই খুব দ্রুত সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠেছি। কিছুক্ষণ স্পটে থাকলেই ওদের মতোই ভাষা হয়ে যেত।


বাংলা ট্রিবিউন: পুরান ঢাকায় মজার সুবিধাও আছে। নানা রকমের খাবার-দাবারের ছড়াছড়ি থাকে...
নিরব: সেটা আর বলতে হয়! সকালে বাকরখানি দিয়ে শুরু হতো। আর কাবাব থেকে নানা ধরনের খাবার তো থাকতোই! সে এক মজার অভিজ্ঞতা।

বাংলা ট্রিবিউন: মজার পাশাপাশি তো কষ্টের অভিজ্ঞতাও ছিল। সেখানে নাকি আহত হয়েছিলেন?

নিরব: হ্যাঁ। সেটা আমাকে অনেক দিন ভুগিয়েছে। আমি উঁচু জায়গা থেকে ছাদ দিয়ে লাফ দিয়ে একজনকে ধরতে যাবো, এমন দৃশ্য। হঠাৎ পা পিছলে ছাদের ওপরই পড়ে যাই। ঘটনাতে বেশ চোট পেয়েছিলাম। ওইদিন সঙ্গে সঙ্গেই শুটিং বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় তিন মাস এর শুটিং আর করতে পারিনি। তাই ছবিটি নিয়ে অনেক পরিশ্রমও জড়িত।
বাংলা ট্রিবিউন: এতে ভাষা, কস্টিউম একেবারে আলাদা। ছবির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক কোনটি বলে আপনি মনে করছেন?

নিরব: এ দুটো তো বটেই। এমন ধরনের ছবি সবসময়ই উপভোগ্য হয়। আশা করি এটাতেও তাই হবে। ভাষা, কস্টিউম, আমার উপস্থিতি ও গল্প—এ ক’টি বিষয় আমি এগিয়ে রাখবো। আর ছবির গল্পটা পুরান ঢাকার এক যুবকের। এলাকার সন্ত্রাসী সে। কিন্তু তারও আছে কিছু মানবিক দিক।
‘আব্বাস’-এর শুটিংয়ে নির্মাতা সাইফ চন্দন ও সাবা-নিরব
বাংলা ট্রিবিউন: আপনার সর্বশেষ ছবি ‘গেইম রিটার্নস’-এ অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। অনেকের মতে আপনার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে ভালো ছবি এটি। সেই ছবির তুলনায় ‘আব্বাস’-এর অবস্থানটা কেমন?
নিরব: ‘গেইম রিটার্নস’ মারকুটে ছবি। ‘আব্বাস’ও তাই। তবে দুটোর উপস্থাপনা একেবারেই আলাদা। বরং ‘আব্বাস’-এ রং ও বৈচিত্র্যটা বেশি। আর এখানে নায়িকা হিসেবে সাবা বেশ পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। অভিনয়ের জায়গাটা এখানে বেশি। আমার তো মনে হয় ‘গেইম রিটার্নস’-কেও ছাড়িয়ে যাবে ‘আব্বাস’।ছবিটি প্রথম সপ্তাহে দেখা যাচ্ছে এই প্রেক্ষাগৃহগুলোাতে

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ